০৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জামিন ছাড়া হত্যা মামলার তিন আসামি মুক্তি ও ডেপুটি জেলার বরখাস্ত

ময়মনসিংহের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিননামা ছাড়াই হত্যা মামলার তিন আসামিকে ভুলের কারণে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে গত মঙ্গলবার বিকেলে কারাগারে, তবে এ ব্যাপারে প্রথমে জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে অবহিত করা হয়নি। ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মোটামুটি পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

এ ঘটনার জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি। এর ফলে, দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি জেলার জাকারিয়া ইমতিয়াজকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, ঘটনার দ্রুত তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে যদি অন্য কেউ সংশ্লিষ্ট থাকেন বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য এই ঘটনা সামনে আসে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিআইজি প্রিজন্স মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

তবে, কারা কর্তৃপক্ষ এই অকস্মাৎ মুক্তিকে ‘ভুলমুক্তি’ বলে ব্যাখ্যা করলেও, ঘটনাটির শোনা মাত্র কারাগার ও বাইরে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

মুক্তি পাওয়া তিন আসামি হলেন মো. আনিস মিয়া, রাশেদুল ইসলাম ও জাকিরুল ইসলাম। তারা 모두 ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার তারাটি এলাকার বাসিন্দা এবং একটি হত্যার মামলায় কারাগারে ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ময়মনসিংহের সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, এটি এক ধরনের ‘ভুলমুক্তি’। দায়িত্বপ্রাপ্ত কারা কর্মকর্তা ভুলবশত এই তিন আসামিকে মুক্তি দিয়েছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, প্রডাকশন ওয়ারেন্টকে ভুল করে জামিননামা হিসেবে বিবেচনা করে এই ঘটনা ঘটেছে। ডেপুটি জেলার জাকারিয়া ইমতিয়াজের অসতর্কতার কারণেই আসামিরা মুক্তি পেয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অপরদিকে, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাদের অবহিত করা হয়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আসামিদের পুনরায় গ্রেপ্তার করতে হলে পুলিশের সহযোগিতা দরকার। কারা কর্তৃপক্ষ সময়মতো জানালে আসামিদের ধরে আনা সহজ হত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জামিন ছাড়া হত্যা মামলার তিন আসামি মুক্তি ও ডেপুটি জেলার বরখাস্ত

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিননামা ছাড়াই হত্যা মামলার তিন আসামিকে ভুলের কারণে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে গত মঙ্গলবার বিকেলে কারাগারে, তবে এ ব্যাপারে প্রথমে জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে অবহিত করা হয়নি। ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মোটামুটি পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

এ ঘটনার জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি। এর ফলে, দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি জেলার জাকারিয়া ইমতিয়াজকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, ঘটনার দ্রুত তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে যদি অন্য কেউ সংশ্লিষ্ট থাকেন বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য এই ঘটনা সামনে আসে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিআইজি প্রিজন্স মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

তবে, কারা কর্তৃপক্ষ এই অকস্মাৎ মুক্তিকে ‘ভুলমুক্তি’ বলে ব্যাখ্যা করলেও, ঘটনাটির শোনা মাত্র কারাগার ও বাইরে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

মুক্তি পাওয়া তিন আসামি হলেন মো. আনিস মিয়া, রাশেদুল ইসলাম ও জাকিরুল ইসলাম। তারা 모두 ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার তারাটি এলাকার বাসিন্দা এবং একটি হত্যার মামলায় কারাগারে ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ময়মনসিংহের সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, এটি এক ধরনের ‘ভুলমুক্তি’। দায়িত্বপ্রাপ্ত কারা কর্মকর্তা ভুলবশত এই তিন আসামিকে মুক্তি দিয়েছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, প্রডাকশন ওয়ারেন্টকে ভুল করে জামিননামা হিসেবে বিবেচনা করে এই ঘটনা ঘটেছে। ডেপুটি জেলার জাকারিয়া ইমতিয়াজের অসতর্কতার কারণেই আসামিরা মুক্তি পেয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অপরদিকে, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাদের অবহিত করা হয়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আসামিদের পুনরায় গ্রেপ্তার করতে হলে পুলিশের সহযোগিতা দরকার। কারা কর্তৃপক্ষ সময়মতো জানালে আসামিদের ধরে আনা সহজ হত।