০৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

অমিত শাহের ঘোষণা: পশ্চিমবঙ্গে ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতি ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ করেছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) শিলিগুড়ির বাগডোগরায় এক কর্মী সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, যেখানে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হলে, মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল জমি বিএসএফ-কে হস্তান্তর করবে কেন্দ্র।

অমিত শাহ সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে টার্গেট করে বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকলেও রাজ্য সরকার সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি দিচ্ছে না। তিনি আশ্বাস দেন, আগামী এপ্রিলে যদি নির্বাচনের ফলাফলের পর বিজেপি সরকার আসে, তাহলে দ্রুত ঝুলে থাকা কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে। শাহ বলেন, মমতা দিদির সময় শেষ, বিজেপি সরকার আসলে শুধুমাত্র অনুপ্রবেশ বন্ধই হবে না, বরং প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করে বিতাড়িত করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অনুপ্রবেশকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলে থাকেন, আসাম, রাজস্থান ও গুজরাটের পরিস্থিতি যেখানে বিজেপি সরকার থাকায় অনুপ্রবেশের ঘটনা অনেক হ্রাস পেয়েছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গেও এই ধরনের দৃশ্য দেখতে চান বলে স্পষ্ট করেন।

অমিত শাহ আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনী তালিকা শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে তৃণমূলের কর্মকর্তা-কমকর্তারা কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশনের সাহায্য করছে না। তবে বিজেপি এই প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ সহায়তা দিয়ে একটি সত্যিকারভাবে পরিচ্ছন্ন ভোটার তালিকা তৈরি করবে বলে জানান।

একই সঙ্গে, তিনি উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, যেমন আসামে বিজেপি সরকার শ্রমিকদের জমির অধিকার দিয়েছে, তেমনি বাংলাও ক্ষমতায় এলে এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ সব পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান যে, বিজেপি শিবির পশ্চিমবাংলায় নতুন একটি পরিবর্তন আনার জন্য প্রস্তুত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

অমিত শাহের ঘোষণা: পশ্চিমবঙ্গে ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা

প্রকাশিতঃ ১১:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতি ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ করেছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) শিলিগুড়ির বাগডোগরায় এক কর্মী সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, যেখানে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হলে, মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল জমি বিএসএফ-কে হস্তান্তর করবে কেন্দ্র।

অমিত শাহ সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে টার্গেট করে বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকলেও রাজ্য সরকার সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি দিচ্ছে না। তিনি আশ্বাস দেন, আগামী এপ্রিলে যদি নির্বাচনের ফলাফলের পর বিজেপি সরকার আসে, তাহলে দ্রুত ঝুলে থাকা কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে। শাহ বলেন, মমতা দিদির সময় শেষ, বিজেপি সরকার আসলে শুধুমাত্র অনুপ্রবেশ বন্ধই হবে না, বরং প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করে বিতাড়িত করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অনুপ্রবেশকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলে থাকেন, আসাম, রাজস্থান ও গুজরাটের পরিস্থিতি যেখানে বিজেপি সরকার থাকায় অনুপ্রবেশের ঘটনা অনেক হ্রাস পেয়েছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গেও এই ধরনের দৃশ্য দেখতে চান বলে স্পষ্ট করেন।

অমিত শাহ আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনী তালিকা শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে তৃণমূলের কর্মকর্তা-কমকর্তারা কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশনের সাহায্য করছে না। তবে বিজেপি এই প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ সহায়তা দিয়ে একটি সত্যিকারভাবে পরিচ্ছন্ন ভোটার তালিকা তৈরি করবে বলে জানান।

একই সঙ্গে, তিনি উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, যেমন আসামে বিজেপি সরকার শ্রমিকদের জমির অধিকার দিয়েছে, তেমনি বাংলাও ক্ষমতায় এলে এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ সব পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান যে, বিজেপি শিবির পশ্চিমবাংলায় নতুন একটি পরিবর্তন আনার জন্য প্রস্তুত।