১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সরকারের ঘোষণা: নির্বাচনের পর দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর নিশ্চিত হবে চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি ইজারাকে কেন্দ্র করে অচলাবস্থা, জরুরি সভার আহ্বান চট্টগ্রাম বন্দর: শ্রমিক-কর্মচারীদের ক্ষোভের মুখে নৌ উপদেষ্টা ভোটের দিন ও ছুটির সময় মেট্রোরেল সচল থাকবে; কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের পে-কমিশনের প্রতিবেদন পেশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন বিদেশি কূটনীতিকরা বাংলাদেশ-জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি স্বাক্ষর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে আমান আযমীর সৌজন্য সাক্ষাৎ শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল আর নেই সর্বশেষ গবেষণা: ৪৮% আওয়ামী লীগ সমর্থকদের পছন্দ বিএনপি

নাহিদ ইসলামের পক্ষে জনগণের ম্যান্ডেটের সরকার মানা হবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের মুখোমুখি অবস্থায় জামায়াতের সঙ্গে জোট গড়ে নিয়েছেন আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই জোটের নেতৃত্বদানকারীরা নিজেদের সরকারি গঠনে আশাবাদী। তবে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে এনসিপির ভবিষ্যৎ কি হবে, তা স্পষ্ট করেছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি দ্য উইকের সঙ্গে আলাপে বলেন, “জনগণের ম্যান্ডেটের মাধ্যমে যদি কোনও সরকার গঠন হয়, তাহলে আমরা সেটি গ্রহণ করব। যদি নির্বাচন পরে গণভোটে জনগণ সংস্কার সমর্থন দেয় এবং সরকার তা বাস্তবায়ন করে, তাহলে আমরা সহযোগিতা করব। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়েছে; সেগুলো রীতিমতো নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। ক্ষমতাসীন দলের বদলে জাতীয় ঐক্যই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরো জানান, জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি জোট এবং দলটির ভাবনার সঙ্গে এনসিপির সমঝোতা মূলত আসনভিত্তিক। তবে কিছু বিষয়ে তাদের মতামত একমত, যেমন বিপ্লব-পরবর্তী সংস্কার। এই জন্য একটি ঐকমত্য কমিশন গঠন করে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন। সরকারের হাত যদি পড়ে, তাহলে সংস্কার প্রক্রিয়া যৌথভাবে এগিয়ে নেবেন। এনসিপির মূল অজেন্ডাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দুর্নীতিবিরোধী রাষ্ট্রনীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রভাবের বিরুদ্ধে অবস্থান। নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। কতটি আসন পাব, সেই বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছেনা, কারণ আমাদের দলটি নতুন এবং কোনো নির্বাচনে পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। তবে আমরা আশাবাদী, এনসিপি ও জোট ভালো ফল করবে এবং নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে।” যদিও এই জোটের কোনও সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা নেই, তবুও তারা দেশের মানুষের প্রত্যাশা গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ নতুন ও তরুণ নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। যারা অভিজ্ঞ বলে পরিচিত, যেমন বিএনপি, তারা অতীতে ভালো শাসন দিতে পারেনি। মানুষ এখন ভিন্ন কিছু দেখতে চায়।” উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। দুটির জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থী তার নির্বাচনি প্রচারণায় নেমেছেন, নিজের এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, ভোটারদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। অন্যদিকে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’র রায় পাওয়ার জন্য সরকার ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপ খুবই ইতিবাচক: ট্রাম্প

নাহিদ ইসলামের পক্ষে জনগণের ম্যান্ডেটের সরকার মানা হবে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের মুখোমুখি অবস্থায় জামায়াতের সঙ্গে জোট গড়ে নিয়েছেন আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই জোটের নেতৃত্বদানকারীরা নিজেদের সরকারি গঠনে আশাবাদী। তবে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে এনসিপির ভবিষ্যৎ কি হবে, তা স্পষ্ট করেছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি দ্য উইকের সঙ্গে আলাপে বলেন, “জনগণের ম্যান্ডেটের মাধ্যমে যদি কোনও সরকার গঠন হয়, তাহলে আমরা সেটি গ্রহণ করব। যদি নির্বাচন পরে গণভোটে জনগণ সংস্কার সমর্থন দেয় এবং সরকার তা বাস্তবায়ন করে, তাহলে আমরা সহযোগিতা করব। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়েছে; সেগুলো রীতিমতো নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। ক্ষমতাসীন দলের বদলে জাতীয় ঐক্যই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরো জানান, জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি জোট এবং দলটির ভাবনার সঙ্গে এনসিপির সমঝোতা মূলত আসনভিত্তিক। তবে কিছু বিষয়ে তাদের মতামত একমত, যেমন বিপ্লব-পরবর্তী সংস্কার। এই জন্য একটি ঐকমত্য কমিশন গঠন করে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন। সরকারের হাত যদি পড়ে, তাহলে সংস্কার প্রক্রিয়া যৌথভাবে এগিয়ে নেবেন। এনসিপির মূল অজেন্ডাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দুর্নীতিবিরোধী রাষ্ট্রনীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রভাবের বিরুদ্ধে অবস্থান। নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। কতটি আসন পাব, সেই বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছেনা, কারণ আমাদের দলটি নতুন এবং কোনো নির্বাচনে পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। তবে আমরা আশাবাদী, এনসিপি ও জোট ভালো ফল করবে এবং নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে।” যদিও এই জোটের কোনও সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা নেই, তবুও তারা দেশের মানুষের প্রত্যাশা গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ নতুন ও তরুণ নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। যারা অভিজ্ঞ বলে পরিচিত, যেমন বিএনপি, তারা অতীতে ভালো শাসন দিতে পারেনি। মানুষ এখন ভিন্ন কিছু দেখতে চায়।” উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। দুটির জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থী তার নির্বাচনি প্রচারণায় নেমেছেন, নিজের এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, ভোটারদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। অন্যদিকে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’র রায় পাওয়ার জন্য সরকার ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে।