০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহারে স্পাইসজেটের নিষেধাজ্ঞা আরোপ

দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিশোধ না করায় ভারতের বেসরকারি বিমান সংস্থা স্পাইসজেটের উপর বাংলাদেশ সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) মার্চ ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে, যার ফলে স্পাইসজেট এখন বাংলাদেশে এয়ারপোর্ট বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারছে না।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বিভিন্ন রুটে লক্ষ্য করা গেছে প্রভাব। অনেক ফ্লাইট এখন বিকল্প পথে চলে যাচ্ছে, যার ফলে যাত্রার সময় ও দূরত্ব বেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি ও পরিচালন ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্পাইসজেটের জন্য আরেকটি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে।

বেবিচক সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের আকাশপথ ব্যবহারের জন্য স্পাইসজেটের কাছে বড় অঙ্কের ‘ওভারফ্লাইট চার্জ’ বকেয়া রয়েছে। সংস্থাটি বহুবার তাগাদা দিলেও বকেয়া অর্থ পরিশোধে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। শেষ পর্যন্ত অর্থের এই বকেয়াটির কারণে কর্তৃপক্ষ কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।

প্রায়ই ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কলকাতা থেকে গুয়াহাটি ও ইম্ফল গামী স্পাইসজেটের ফ্লাইটগুলো বাংলাদেশ আকাশসীমা এড়িয়ে দীর্ঘ পথ অনুসরণ করছে। সাধারণত উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে যেতে বাংলাদেশের আকাশপথ ব্যবহার করে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় করা হতো। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞার কারণে এখন প্রতিটি ফ্লাইটে অতিরিক্ত সময় ও খরচের ঝুঁকি রয়েছে।

বর্তমানে স্পাইসজেটের জন্য এই পরিস্থিতি নতুন একটি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। গত বছরের ডিসেম্বরের প্রান্তিকে সংস্থাটির লোকসান ২৬৯ কোটির বেশি রুপি। অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় তাদের আর্থিক ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে ধারণা এভিয়েশন সংশ্লিষ্টদের।

বকেয়া পরিশোধ না করে অনুমতি পুনরায় না পাওয়া পর্যন্ত দেশের পূর্বাঞ্চলীয় রুটে স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনা করা এখনও অনিশ্চিত থাকছে, যা স্পাইসজেটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহারে স্পাইসজেটের নিষেধাজ্ঞা আরোপ

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিশোধ না করায় ভারতের বেসরকারি বিমান সংস্থা স্পাইসজেটের উপর বাংলাদেশ সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) মার্চ ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে, যার ফলে স্পাইসজেট এখন বাংলাদেশে এয়ারপোর্ট বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারছে না।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বিভিন্ন রুটে লক্ষ্য করা গেছে প্রভাব। অনেক ফ্লাইট এখন বিকল্প পথে চলে যাচ্ছে, যার ফলে যাত্রার সময় ও দূরত্ব বেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি ও পরিচালন ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্পাইসজেটের জন্য আরেকটি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে।

বেবিচক সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের আকাশপথ ব্যবহারের জন্য স্পাইসজেটের কাছে বড় অঙ্কের ‘ওভারফ্লাইট চার্জ’ বকেয়া রয়েছে। সংস্থাটি বহুবার তাগাদা দিলেও বকেয়া অর্থ পরিশোধে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। শেষ পর্যন্ত অর্থের এই বকেয়াটির কারণে কর্তৃপক্ষ কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।

প্রায়ই ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কলকাতা থেকে গুয়াহাটি ও ইম্ফল গামী স্পাইসজেটের ফ্লাইটগুলো বাংলাদেশ আকাশসীমা এড়িয়ে দীর্ঘ পথ অনুসরণ করছে। সাধারণত উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে যেতে বাংলাদেশের আকাশপথ ব্যবহার করে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় করা হতো। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞার কারণে এখন প্রতিটি ফ্লাইটে অতিরিক্ত সময় ও খরচের ঝুঁকি রয়েছে।

বর্তমানে স্পাইসজেটের জন্য এই পরিস্থিতি নতুন একটি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। গত বছরের ডিসেম্বরের প্রান্তিকে সংস্থাটির লোকসান ২৬৯ কোটির বেশি রুপি। অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় তাদের আর্থিক ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে ধারণা এভিয়েশন সংশ্লিষ্টদের।

বকেয়া পরিশোধ না করে অনুমতি পুনরায় না পাওয়া পর্যন্ত দেশের পূর্বাঞ্চলীয় রুটে স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনা করা এখনও অনিশ্চিত থাকছে, যা স্পাইসজেটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।