১১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পিএসসির আরেক কোটিপতি গাড়িচালক: দুদকের বিরুদ্ধে মামলা প্রণয় ভার্মা: বাংলাদেশে জনকেন্দ্রিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় ভারত সাগরে লঘুচাপ: খুলনা—বরিশালসহ দুদিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ইসি: ১৪ এপ্রিলের আগেই বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল শুরু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী চেকপোস্টে পুলিশ কনস্টেবল ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত দুর্বল বলে কাউকে আঘাত করা যাবে না: গয়েশ্বর দুর্বল বলে কাউকে আঘাত করা চলবে না: গয়েশ্বর ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ১০–১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে

ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমে পড়েছেন। গত মাসে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাণঘাতী পদক্ষেপের পর এটি ওই ধরনের সবচেয়ে বড় শিক্ষার্থী আন্দোলন বলে বিবেচিত হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের কোনো গ্রেপ্তার হয়েছে কিনা তা এখনো পরিষ্কার নয়।

বিক্ষোভটি এমন এক সময় শুরু হয়েছে যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তৎক্ষণাৎ সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নতুন সেমিস্টারের শুরুতেই শত শত শিক্ষার্থী শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছেন; অনেকের হাতে ইরানের জাতীয় পতাকা দেখা গেছে। একই ভিডিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সরকারপন্থী সমর্থকদের উপস্থিতি ও পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তিরও ছবি ধরা পড়ে।

তেহরানের শাহিদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন, আর আমির কাবির প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকারবিরোধী স্লোগান জোরে শোনা গেছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা ‘স্বাধীনতা, স্বাধীনতা’ ও ‘শিক্ষার্থীরা, অধিকার আদায়ে আওয়াজ তোলো’ স্লোগান দিয়েছেন। দিনের শেষভাগে আরও কয়েকটি স্থানে বড় সমাবেশের খবর পাওয়া যায় এবং রোববার আরও জোরালো বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য ও ভিডিও ফুটেজে কিছু বিক্ষোভকারীদের খামেনির প্রতি সরাসরি ইঙ্গিতপূর্ণ স্লোগান দিতে শোনা গেছে। অন্যদিকে, সরকারি সমর্থকদের উপস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে এবং কয়েকটি স্থানে ধস্তাধস্তি হয়েছে; তবে ব্যাপক হাঙ্গামা বা বড় ধরনের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত কোনো নিশ্চিত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি।

গত মাসের বিক্ষোভ প্রথমে অর্থনৈতিক ক্ষোভ থেকেই শুরু হয়েছিল, পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর সবচেয়ে বড় আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হরানা জানিয়েছে, ওই আন্দোলনের সময় তারা অন্তত ৬ হাজার ১৫৯ জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে—যার মধ্যে রয়েছেন ৫ হাজার ৮০৪ বিক্ষোভকারী, ৯২ শিশু ও ২১৪ জন সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। হরানা আরও জানিয়েছে, তারা আরও প্রায় ১৭ হাজার মৃত্যুর অভিযোগ যাচাই করছে।

তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ গত মাসের শেষে জানিয়েছে, ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং তাদের দাবি, নিহতদের অধিকাংশই নিরাপত্তা সদস্য বা ‘দাঙ্গাকারী’। এই দুই পক্ষের মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উল্লেখযোগ্য ভিন্নতা রয়েছে এবং স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহে এখনো সীমাবদ্ধতা আছে।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মাত্রায় উত্তেজনা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র নিকটবর্তী অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়িয়েছে এবং তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার সীমিত সামরিক হামলার সম্ভাবনার কথা বলেছেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের বৈঠকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতির কথা বলা হলেও ট্রাম্পের দাবি ছিল, তিনি আগামী দশ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবেন—সমঝোতা হবে কি না, নাকি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, পেন্টাগন ট্রাম্পকে ইরান-বিষয়ক একাধিক বিকল্প পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে; এর মধ্যে কিছু কূটনৈতিক ও নিয়ন্ত্রণমূলক পথ, কিছু ক্ষেত্রে কড়া সামরিক বিকল্পও ছিল। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ সবভাবে বন্ধ করার এনগেজমেন্টে রাজি হয়, তবে কিছু সীমিত সক্ষমতা শর্তসাপেক্ষে বজায় রেখে সমঝোতা করা হতে পারে; আর নন-কোঅপারেটিভ অবস্থায় কড়া কর্মসূচিও চিন্তা করা হয়েছে—যার মধ্যে তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করার মতো বিকল্পও আছে, তবে তা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী মতামত ও নৈতিক উদ্বেগ রয়েছে।

নির্বাসিত বিরোধী দলগুলো কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক হস্তক্ষেপে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছে, তাদের ধারণা—বাহ্যিক চাপ সরকারের দ্রুত পতনে সহায়তা করবে। তবে অন্য বিরোধী গোষ্ঠীগুলো পররাষ্ট্র হস্তক্ষেপের কঠোর বিরোধিতা করছে এবং দেশীয় সমাধান ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছে। উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইসরায়েলসহ কিছু দেশের আশঙ্কা বাস্তবে উত্তেজনা সামরিক সংঘাতে রূপ নেবে বলে প্রকাশ পেয়েছে।

সার্বিকভাবে ইরানের ভেতর—বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে—চাপে থাকা সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনা একসঙ্গে উপস্থিত থাকায় পরিস্থিতি সংকটাপন্ন বিরামে রয়েছে। সরকারের উত্তর, বিরোধী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম ও বিদেশি শক্তিগুলোর পদক্ষেপ—এসবই আগামী দিনে ইরানের জনবিচলন ও অঞ্চলীয় নিরাপত্তা কেমন হবে তা নির্ধারণ করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রণয় ভার্মা: বাংলাদেশে জনকেন্দ্রিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় ভারত

ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

প্রকাশিতঃ ০৩:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমে পড়েছেন। গত মাসে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাণঘাতী পদক্ষেপের পর এটি ওই ধরনের সবচেয়ে বড় শিক্ষার্থী আন্দোলন বলে বিবেচিত হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের কোনো গ্রেপ্তার হয়েছে কিনা তা এখনো পরিষ্কার নয়।

বিক্ষোভটি এমন এক সময় শুরু হয়েছে যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তৎক্ষণাৎ সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নতুন সেমিস্টারের শুরুতেই শত শত শিক্ষার্থী শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছেন; অনেকের হাতে ইরানের জাতীয় পতাকা দেখা গেছে। একই ভিডিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সরকারপন্থী সমর্থকদের উপস্থিতি ও পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তিরও ছবি ধরা পড়ে।

তেহরানের শাহিদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন, আর আমির কাবির প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকারবিরোধী স্লোগান জোরে শোনা গেছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা ‘স্বাধীনতা, স্বাধীনতা’ ও ‘শিক্ষার্থীরা, অধিকার আদায়ে আওয়াজ তোলো’ স্লোগান দিয়েছেন। দিনের শেষভাগে আরও কয়েকটি স্থানে বড় সমাবেশের খবর পাওয়া যায় এবং রোববার আরও জোরালো বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য ও ভিডিও ফুটেজে কিছু বিক্ষোভকারীদের খামেনির প্রতি সরাসরি ইঙ্গিতপূর্ণ স্লোগান দিতে শোনা গেছে। অন্যদিকে, সরকারি সমর্থকদের উপস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে এবং কয়েকটি স্থানে ধস্তাধস্তি হয়েছে; তবে ব্যাপক হাঙ্গামা বা বড় ধরনের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত কোনো নিশ্চিত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি।

গত মাসের বিক্ষোভ প্রথমে অর্থনৈতিক ক্ষোভ থেকেই শুরু হয়েছিল, পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর সবচেয়ে বড় আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হরানা জানিয়েছে, ওই আন্দোলনের সময় তারা অন্তত ৬ হাজার ১৫৯ জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে—যার মধ্যে রয়েছেন ৫ হাজার ৮০৪ বিক্ষোভকারী, ৯২ শিশু ও ২১৪ জন সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। হরানা আরও জানিয়েছে, তারা আরও প্রায় ১৭ হাজার মৃত্যুর অভিযোগ যাচাই করছে।

তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ গত মাসের শেষে জানিয়েছে, ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং তাদের দাবি, নিহতদের অধিকাংশই নিরাপত্তা সদস্য বা ‘দাঙ্গাকারী’। এই দুই পক্ষের মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উল্লেখযোগ্য ভিন্নতা রয়েছে এবং স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহে এখনো সীমাবদ্ধতা আছে।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মাত্রায় উত্তেজনা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র নিকটবর্তী অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়িয়েছে এবং তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার সীমিত সামরিক হামলার সম্ভাবনার কথা বলেছেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের বৈঠকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতির কথা বলা হলেও ট্রাম্পের দাবি ছিল, তিনি আগামী দশ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবেন—সমঝোতা হবে কি না, নাকি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, পেন্টাগন ট্রাম্পকে ইরান-বিষয়ক একাধিক বিকল্প পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে; এর মধ্যে কিছু কূটনৈতিক ও নিয়ন্ত্রণমূলক পথ, কিছু ক্ষেত্রে কড়া সামরিক বিকল্পও ছিল। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ সবভাবে বন্ধ করার এনগেজমেন্টে রাজি হয়, তবে কিছু সীমিত সক্ষমতা শর্তসাপেক্ষে বজায় রেখে সমঝোতা করা হতে পারে; আর নন-কোঅপারেটিভ অবস্থায় কড়া কর্মসূচিও চিন্তা করা হয়েছে—যার মধ্যে তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করার মতো বিকল্পও আছে, তবে তা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী মতামত ও নৈতিক উদ্বেগ রয়েছে।

নির্বাসিত বিরোধী দলগুলো কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক হস্তক্ষেপে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছে, তাদের ধারণা—বাহ্যিক চাপ সরকারের দ্রুত পতনে সহায়তা করবে। তবে অন্য বিরোধী গোষ্ঠীগুলো পররাষ্ট্র হস্তক্ষেপের কঠোর বিরোধিতা করছে এবং দেশীয় সমাধান ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছে। উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইসরায়েলসহ কিছু দেশের আশঙ্কা বাস্তবে উত্তেজনা সামরিক সংঘাতে রূপ নেবে বলে প্রকাশ পেয়েছে।

সার্বিকভাবে ইরানের ভেতর—বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে—চাপে থাকা সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনা একসঙ্গে উপস্থিত থাকায় পরিস্থিতি সংকটাপন্ন বিরামে রয়েছে। সরকারের উত্তর, বিরোধী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম ও বিদেশি শক্তিগুলোর পদক্ষেপ—এসবই আগামী দিনে ইরানের জনবিচলন ও অঞ্চলীয় নিরাপত্তা কেমন হবে তা নির্ধারণ করবে।