ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কড়া বক্তব্যের পর মুরাদনগরে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সেবনের সময় সাতজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত, আদালত শোনার পর প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা করেন।
অভিযানটি গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায় পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান। খবর পেয়ে মুরাদনগর থানা পুলিশের একদল সদস্য গোপন সূত্রের নির্দেশনায় সেখানে raid চালায়।
অনুষ্ঠিত অভিযানে পুলিশ কণ্ঠে এসআই আবদুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স অংশ নেয়। অভিযানকালে একটি বাড়িতে ইয়াবা সেবন ও বেচাকেনার অভিযোগে নিকটস্থরা হাতেনাতে ধরে সাত ব্যক্তি গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন: নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া।
গ্রেপ্তারের পরই ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানির পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযুক্ত সাতজনকে মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা এবং প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, ‘মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক যুবসমাজকে ধ্বংস করছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’
উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ তাঁর প্রথম সফরের সময় উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণার পরই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রশাসনের তৎপরতা আরও বাড়ায়।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 

























