১২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা বিরোধী এক্সন: গ্রেপ্তার ৭

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর ঘোষণা দেওয়ার পরপরই সাড়াশি অভিযান শুরু হয়। এই অভিযানে, ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায় পরিচালিত এই অভিযান। স্থানীয় প্রশাসনের ধারণা, এই এলাকায় একটি বাড়িতে ইয়াবা বেচাকেনা ও সেবনের ঘটনা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন পুলিশ। এর নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

অভিযানে অংশ নেন মুরাদনগর থানার এসআই আবুল্লাহ আল মাসুদ, এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল, এবং এএসআই শামিমসহ অন্যান্য সঙ্গী পুলিশ সদস্যরা। অভিযান চলাকালীন সময়, নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া ইয়াবা সেবনের অবস্থায় হাতেনাতে ধরা পড়েন।

আটকের পর ঘটনাস্থলেই স্থানীয় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানির মাধ্যমে এদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, “মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুবসমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করতে হবে।’”

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ তার নিজ এলাকায় প্রথমবারের মতো মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন ও জনসচেতনতা গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। এই ঘোষণা পেরুলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে এবং সামগ্রিক কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা বিরোধী এক্সন: গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিতঃ ০৮:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর ঘোষণা দেওয়ার পরপরই সাড়াশি অভিযান শুরু হয়। এই অভিযানে, ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায় পরিচালিত এই অভিযান। স্থানীয় প্রশাসনের ধারণা, এই এলাকায় একটি বাড়িতে ইয়াবা বেচাকেনা ও সেবনের ঘটনা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন পুলিশ। এর নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

অভিযানে অংশ নেন মুরাদনগর থানার এসআই আবুল্লাহ আল মাসুদ, এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল, এবং এএসআই শামিমসহ অন্যান্য সঙ্গী পুলিশ সদস্যরা। অভিযান চলাকালীন সময়, নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়া ইয়াবা সেবনের অবস্থায় হাতেনাতে ধরা পড়েন।

আটকের পর ঘটনাস্থলেই স্থানীয় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানির মাধ্যমে এদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মোট ১,৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, “মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুবসমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করতে হবে।’”

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ তার নিজ এলাকায় প্রথমবারের মতো মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন ও জনসচেতনতা গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। এই ঘোষণা পেরুলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে এবং সামগ্রিক কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়।