০১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে ডিএসসিসির সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকাকে একটি আধুনিক ও সুন্দর ‘গ্রিন সিটি ও ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে ডিএসসিসি‌র নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নগর ভবনে করপোরেশনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের নগরী হিসেবে ঢাকাকে বাসযোগ্য ও সবুজ করে গড়ে তোলার উপায়ে চারটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়: প্রথমত, বৃক্ষরোপণ ও ব্যাপক সবুজায়ন; দ্বিতীয়ত, খালগুলো নদীর মতো প্রবাহের জন্য পুনরুদ্ধার ও খনন; তৃতীয়ত, আধুনিক ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা; এবং চতুর্থত, মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ। এসব কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে, মশার কারণে সম্প্রতি যে উপদ্রব বেড়েছে, সেজন্য ডিএসসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত মশক নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে, যেখানে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদারকি থাকবে। এছাড়াও, জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় সিভিল সোসাইটির সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়েছে। সতর্ক করে বলা হয় যে, সচেতনতার পরও অবহেলা বা পরিবেশের দূষণ দেখা গেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এশে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

অফিসারদের উদ্দেশ্যে প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘সিটি করপোরেশন হলো একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করা। ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার থাকবে এবং অবহেলার জন্য কঠোর তিরস্কার ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখেছেন একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ঢাকার, আর সেটি বাস্তবায়নে আমাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।’ তিনি ঘোষণা করেন, আজ থেকেই ডিএসসিসির সব নাগরিক সেবা সম্পূর্ণভাবে সচল ও অবিরাম চলবে।

এদিকে, বুধবার সকালে মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ধলপুরে ডিএসসিসির কেন্দ্রীয় মশার ঔষধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন, যেখানে প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম তাকে accompanies করেন। মন্ত্রী সংরক্ষণাগারের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মশক নিধনে ব্যবহৃত ঔষধের মান বজায় রাখার তাগিদ দেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে ডিএসসিসির সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের নির্দেশনা

প্রকাশিতঃ ০১:৪০:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকাকে একটি আধুনিক ও সুন্দর ‘গ্রিন সিটি ও ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে ডিএসসিসি‌র নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নগর ভবনে করপোরেশনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের নগরী হিসেবে ঢাকাকে বাসযোগ্য ও সবুজ করে গড়ে তোলার উপায়ে চারটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়: প্রথমত, বৃক্ষরোপণ ও ব্যাপক সবুজায়ন; দ্বিতীয়ত, খালগুলো নদীর মতো প্রবাহের জন্য পুনরুদ্ধার ও খনন; তৃতীয়ত, আধুনিক ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা; এবং চতুর্থত, মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ। এসব কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে, মশার কারণে সম্প্রতি যে উপদ্রব বেড়েছে, সেজন্য ডিএসসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত মশক নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে, যেখানে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদারকি থাকবে। এছাড়াও, জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় সিভিল সোসাইটির সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়েছে। সতর্ক করে বলা হয় যে, সচেতনতার পরও অবহেলা বা পরিবেশের দূষণ দেখা গেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এশে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

অফিসারদের উদ্দেশ্যে প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘সিটি করপোরেশন হলো একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করা। ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার থাকবে এবং অবহেলার জন্য কঠোর তিরস্কার ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখেছেন একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ঢাকার, আর সেটি বাস্তবায়নে আমাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।’ তিনি ঘোষণা করেন, আজ থেকেই ডিএসসিসির সব নাগরিক সেবা সম্পূর্ণভাবে সচল ও অবিরাম চলবে।

এদিকে, বুধবার সকালে মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ধলপুরে ডিএসসিসির কেন্দ্রীয় মশার ঔষধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন, যেখানে প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম তাকে accompanies করেন। মন্ত্রী সংরক্ষণাগারের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মশক নিধনে ব্যবহৃত ঔষধের মান বজায় রাখার তাগিদ দেন।