১২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

কেপিআই ট্রেডিং নরসিংদী বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব সম্পদ কিনছে ডরিন পাওয়ার

ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের নরসিংদীস্থ ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পদ কিনতে যাচ্ছে কেপিআই ট্রেডিং। কোম্পানির বোর্ড এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছে এবং এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই সম্পদগুলো বিক্রি করা হবে। এই বিষয়টি এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের এই কোম্পানি।

তথ্য অনুযায়ী, এই সমঝোতার আওতায় জেনারেটর, ট্রান্সফরমার, রেডিয়েটর ও ভেন্টিলেশন ইউনিট, ইঞ্জিন হলো ও অন্যান্য ভবন, বৈদ্যুতিক কেবল, সুইচগিয়ার, প্যানেল, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি সহ সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক সামগ্রী বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব সম্পদের মোট বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা।

এর আগে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বরে এই কেন্দ্রের সব স্থায়ী সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানি। এর পর ডিসেম্বরের ১১ তারিখে দুটি জাতীয় দৈনিকে দরপত্র আহ্বানের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও প্রাপ্ত দর প্রস্তাব মূল্যায়নের পর কেপিআই ট্রেডিং নির্বাচিত হয় সফল দরদাতা হিসেবে।

আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত, কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় বা ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২ টাকা ১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিপিএস হয়েছে ৫৫ টাকা ১৫ পয়সা।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। সেই বছর ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে এর এনএভিপিএস ছিল ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা।

অতীতে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে, এই বিনিয়োগকারীরা ১০% নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন। ওই বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৩ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে এনএভিপিএস ছিল ৪৯ টাকা ৫৭ পয়সা।

তার আগে, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ১১% নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়। ওই বছর ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৫৬ পয়সা, আগের বছর ছিল ৯ টাকা ২১ পয়সা। সেই সময় কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ৫০ টাকা ৪৭ পয়সা।

কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী ক্রেডিট রেটিং ‘এএএ’ এবং স্বল্পমেয়াদী রেটিং ‘এসটি-১’ রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এই রেটিং নিশ্চিত করেছে ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি।

ডরিন পাওয়ার শুরু করে ২০০৮ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে। ২০১০ সালে ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্দান ও সাউদার্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৬ সালে কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮১ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভ রয়েছে ৭৩২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ১১ লাখ ১৮ হাজার ৯০১, যার মধ্যে ৬৬.৬১% উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, ১৮.৬০% প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এবং অন্য ১৪.৭৯% সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দখলে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

কেপিআই ট্রেডিং নরসিংদী বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব সম্পদ কিনছে ডরিন পাওয়ার

প্রকাশিতঃ ০১:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের নরসিংদীস্থ ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পদ কিনতে যাচ্ছে কেপিআই ট্রেডিং। কোম্পানির বোর্ড এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছে এবং এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই সম্পদগুলো বিক্রি করা হবে। এই বিষয়টি এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের এই কোম্পানি।

তথ্য অনুযায়ী, এই সমঝোতার আওতায় জেনারেটর, ট্রান্সফরমার, রেডিয়েটর ও ভেন্টিলেশন ইউনিট, ইঞ্জিন হলো ও অন্যান্য ভবন, বৈদ্যুতিক কেবল, সুইচগিয়ার, প্যানেল, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি সহ সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক সামগ্রী বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব সম্পদের মোট বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা।

এর আগে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বরে এই কেন্দ্রের সব স্থায়ী সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানি। এর পর ডিসেম্বরের ১১ তারিখে দুটি জাতীয় দৈনিকে দরপত্র আহ্বানের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও প্রাপ্ত দর প্রস্তাব মূল্যায়নের পর কেপিআই ট্রেডিং নির্বাচিত হয় সফল দরদাতা হিসেবে।

আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত, কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় বা ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২ টাকা ১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিপিএস হয়েছে ৫৫ টাকা ১৫ পয়সা।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। সেই বছর ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে এর এনএভিপিএস ছিল ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা।

অতীতে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে, এই বিনিয়োগকারীরা ১০% নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন। ওই বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৩ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে এনএভিপিএস ছিল ৪৯ টাকা ৫৭ পয়সা।

তার আগে, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ১১% নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়। ওই বছর ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৫৬ পয়সা, আগের বছর ছিল ৯ টাকা ২১ পয়সা। সেই সময় কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ৫০ টাকা ৪৭ পয়সা।

কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী ক্রেডিট রেটিং ‘এএএ’ এবং স্বল্পমেয়াদী রেটিং ‘এসটি-১’ রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এই রেটিং নিশ্চিত করেছে ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি।

ডরিন পাওয়ার শুরু করে ২০০৮ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে। ২০১০ সালে ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্দান ও সাউদার্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৬ সালে কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮১ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভ রয়েছে ৭৩২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ১১ লাখ ১৮ হাজার ৯০১, যার মধ্যে ৬৬.৬১% উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, ১৮.৬০% প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এবং অন্য ১৪.৭৯% সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দখলে।