১০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

পিলখানা মামলায় বিস্ফোরক ধারায় নতুন নামের উল্লেখ: হাসিনা–টাপসসহ কয়েক নেতার নাম এসেছে

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি দাবি-দাওয়ার প্ররোচনায় পিলখানায় বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) বিদ্রোহের ঘটনায় সাতারো সেনা অফিসারসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। ঘটনার পর দুই ধরনের মামলা করা হয়—একটি হত্যা মামলা এবং আরেকটি বিস্ফোরকস নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা। এসব মামলার বিচার-ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলচ্ছে এবং এখন বিভিন্ন স্তরে আপিল ও সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত মামলায় প্রথম রায় দেয় বিচারিক আদালত। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ওই রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়; ২৭৮ জন খালাস পান। পরে বিচারের ওপর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৬-২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ রায় রাখে। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয়—রায়ে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়; ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন ও ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়; ২৮৩ জন খালাস পান। রায়ে ইতোমধ্যে মোট ৬১ জন আসামি মারা গেছেন; রায় ঘোষণার আগে ১৫ জন মৃত্যুবরণ করে।

হাইকোর্টের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বহু আসামি আপিলে গেছেন। সূত্র বলছে—২২৬ জন আসামির পক্ষে সম্মিলিতভাবে মোট ৭৩টি পৃথক আপিল ও ‘লিভ টু আপিল’ (আপিলের অনুমতির আবেদন) দাখিল করা হয়েছে। অপরদিকে হাইকোর্টে খালাস পাওয়া বা সাজা কমে যাওয়া ৮৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০টি লিভ টু আপিল করে। এসব আপিল আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে; গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় সংশ্লিষ্ট আপিলের ক্রমিক নম্বর ছিল ৬৬৯।

আসামিপক্ষের একজন আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ ইতোমধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিয়েছে এবং আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত। আপিল বিভাগে ক্রম অনুযায়ী এসব আপিল শুনানি পাবে বলেও তিনি জানান।

অন্যদিকে, বিস্ফোরক নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় সাক্ষীদের তালিকায় আছে মোট ১ হাজার ৩৪৪ জন; এ পর্যন্ত ৩০২ জনের সাক্ষ্য সম্পন্ন হয়েছে। এই বিস্ফোরক মামলার বিচার চলছে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন বিশেষ আদালতে। এ মামলায় মোট ৮৩৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯ জন মারা গেছেন এবং ২০ জন পলাতক।

বিস্ফোরক আইনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালীন সময়ে অনেক নতুন নাম আশা করা যায়নি বলে আগে যে চার্জশিট ছিল তাতে নেই—এমন অভিযোগ উঠে এসেছে। সাক্ষীদের বক্তব্যে নতুন করে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার নাম উঠে এসেছে; সেগুলোর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন ঢাকা মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও আরও কিছু সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে মামলার পক্ষ সূত্রে জানা গেছে। চিফ পাবলিক প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন বলেন, সাক্ষীদের বিবৃতিতে নতুন করে কিছু নাম এসেছে এবং আইনের অধীনে সেই নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া রয়েছে; তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে চাননি।

আসামিপক্ষের অন্য একজন আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ বলেন, বিস্ফোরক আইনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চান তারা এবং দ্রুত রায় ঘোষণার দাবি করে বলেন, ‘‘এ মামলায় আপাতত কোনো আসামি জামিন পাচ্ছে না; বিভিন্ন দফায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। আমরা ন্যায়বিচার চাই।’’

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি (পি পি) বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, এ মামলায় মোট ৩০২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং পরবর্তী দিন ধার্য রয়েছে।

ঘটনার পরে একটি স্বাধীন জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কমিশনের রিপোর্টে প্রায় ৭০টি সুপারিশ রয়েছে এবং সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত ওই কমিশনের রিপোর্ট তখন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি, এখন তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক পর্যায়েও প্রতিক্রিয়া এসেছে। বিএনপি নেতা তারেক রহমান পিলখানা ঘটনায় বিচার চলছে বলে বলেছেন; বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই—তবে তিনি ঘটনাটির পেছনে দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতার কথা উল্লেখ করেছেন এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সংক্ষেপে, পিলখানা হত্যা মামলার হত্যা-সংক্রান্ত অংশ এখনও আপিল পর্যায়ে রয়েছে এবং বিস্ফোরক আইনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নতুন নাম উঠে আসায় সেখানে তদন্ত ও বিধিবদ্ধ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। আপিল বিভাগের শুনানি ও বিস্ফোরক মামলার পরবর্তী শুনানাই নির্ধারণ করবে পরের ধাপ এবং সম্ভাব্য আসামি সংযোজন বা অন্যান্য বাস্তবিক সিদ্ধান্ত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

পিলখানা মামলায় বিস্ফোরক ধারায় নতুন নামের উল্লেখ: হাসিনা–টাপসসহ কয়েক নেতার নাম এসেছে

প্রকাশিতঃ ১০:০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি দাবি-দাওয়ার প্ররোচনায় পিলখানায় বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) বিদ্রোহের ঘটনায় সাতারো সেনা অফিসারসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। ঘটনার পর দুই ধরনের মামলা করা হয়—একটি হত্যা মামলা এবং আরেকটি বিস্ফোরকস নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা। এসব মামলার বিচার-ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলচ্ছে এবং এখন বিভিন্ন স্তরে আপিল ও সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত মামলায় প্রথম রায় দেয় বিচারিক আদালত। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ওই রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়; ২৭৮ জন খালাস পান। পরে বিচারের ওপর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৬-২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ রায় রাখে। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয়—রায়ে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়; ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন ও ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়; ২৮৩ জন খালাস পান। রায়ে ইতোমধ্যে মোট ৬১ জন আসামি মারা গেছেন; রায় ঘোষণার আগে ১৫ জন মৃত্যুবরণ করে।

হাইকোর্টের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বহু আসামি আপিলে গেছেন। সূত্র বলছে—২২৬ জন আসামির পক্ষে সম্মিলিতভাবে মোট ৭৩টি পৃথক আপিল ও ‘লিভ টু আপিল’ (আপিলের অনুমতির আবেদন) দাখিল করা হয়েছে। অপরদিকে হাইকোর্টে খালাস পাওয়া বা সাজা কমে যাওয়া ৮৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০টি লিভ টু আপিল করে। এসব আপিল আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে; গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় সংশ্লিষ্ট আপিলের ক্রমিক নম্বর ছিল ৬৬৯।

আসামিপক্ষের একজন আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ ইতোমধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিয়েছে এবং আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত। আপিল বিভাগে ক্রম অনুযায়ী এসব আপিল শুনানি পাবে বলেও তিনি জানান।

অন্যদিকে, বিস্ফোরক নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় সাক্ষীদের তালিকায় আছে মোট ১ হাজার ৩৪৪ জন; এ পর্যন্ত ৩০২ জনের সাক্ষ্য সম্পন্ন হয়েছে। এই বিস্ফোরক মামলার বিচার চলছে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন বিশেষ আদালতে। এ মামলায় মোট ৮৩৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯ জন মারা গেছেন এবং ২০ জন পলাতক।

বিস্ফোরক আইনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালীন সময়ে অনেক নতুন নাম আশা করা যায়নি বলে আগে যে চার্জশিট ছিল তাতে নেই—এমন অভিযোগ উঠে এসেছে। সাক্ষীদের বক্তব্যে নতুন করে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার নাম উঠে এসেছে; সেগুলোর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন ঢাকা মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও আরও কিছু সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে মামলার পক্ষ সূত্রে জানা গেছে। চিফ পাবলিক প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন বলেন, সাক্ষীদের বিবৃতিতে নতুন করে কিছু নাম এসেছে এবং আইনের অধীনে সেই নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া রয়েছে; তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে চাননি।

আসামিপক্ষের অন্য একজন আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ বলেন, বিস্ফোরক আইনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চান তারা এবং দ্রুত রায় ঘোষণার দাবি করে বলেন, ‘‘এ মামলায় আপাতত কোনো আসামি জামিন পাচ্ছে না; বিভিন্ন দফায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। আমরা ন্যায়বিচার চাই।’’

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি (পি পি) বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, এ মামলায় মোট ৩০২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং পরবর্তী দিন ধার্য রয়েছে।

ঘটনার পরে একটি স্বাধীন জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কমিশনের রিপোর্টে প্রায় ৭০টি সুপারিশ রয়েছে এবং সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত ওই কমিশনের রিপোর্ট তখন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি, এখন তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক পর্যায়েও প্রতিক্রিয়া এসেছে। বিএনপি নেতা তারেক রহমান পিলখানা ঘটনায় বিচার চলছে বলে বলেছেন; বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই—তবে তিনি ঘটনাটির পেছনে দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতার কথা উল্লেখ করেছেন এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সংক্ষেপে, পিলখানা হত্যা মামলার হত্যা-সংক্রান্ত অংশ এখনও আপিল পর্যায়ে রয়েছে এবং বিস্ফোরক আইনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নতুন নাম উঠে আসায় সেখানে তদন্ত ও বিধিবদ্ধ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। আপিল বিভাগের শুনানি ও বিস্ফোরক মামলার পরবর্তী শুনানাই নির্ধারণ করবে পরের ধাপ এবং সম্ভাব্য আসামি সংযোজন বা অন্যান্য বাস্তবিক সিদ্ধান্ত।