১০:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে এক বিশেষ ভাষণ দেন এবং সেখানে ‘স্পিকার অফ দ্য নেসেট মেডেল’ (নেসেট স্পিকারের মেডেল) নিয়ে সম্মানিত হন। বুধবার নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক মোদির হাতে তুলে দেন।

এই সম্মাননা তাঁকে দেওয়ার কারণ হিসেবে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মজবুত করতে মোদির অবদানকে তুলে ধরা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বলা হয়, এই পদক মোদির কূটনৈতিক উদ্যোগ ও সম্পর্ক গভীর করার প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিশ্বের প্রথম কোনো নেতা হিসেবে মোদি এই বিরল সম্মান পেলেন — যা তার আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভুমিকাকে আরেকটু উজ্জ্বল করেছে।

এই পদক গ্রহণের ফলে মোদি আন্তর্জাতিক মঞ্চে একটি অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিনি এখন এমন বিরল নেতাদের মধ্যে একজন, যিনি একই সময়ে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন—উভয় পক্ষ থেকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মাননা অর্জন করেছেন; ২০১৮ সালে তিনি ফিলিস্তিনের ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্টাইন’ গ্রহণ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলেন, দীর্ঘসময় ধরে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও উভয় পক্ষ থেকে এই সম্মান পাওয়া মোদির ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক সাফল্যের প্রতীক।

এটি মোদির কাছে দীর্ঘ নয় বছর পর প্রথম ইসরায়েল সফর। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে তাঁর সেই ঐতিহাসিক প্রথম সফরে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ে উন্নীত করা হয়েছিল; এবারের সফর সেই অংশীদারিত্বকে আরো গাঢ় করার বার্তা বহন করে। নেসেটে দেওয়া ভাষণে মোদি দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের ওপর গুরুত্ব দেন। ইসরায়েলি স্পিকার আমির ওহানা মোদির নেতৃত্বকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতি সম্মান দেখান।

সামগ্রিকভাবে এই সফরটি ভারত-ইসরায়েল কূটনৈতিক সম্পর্ককে একটি নতুন মাত্রা দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে যৌথ কার্যক্রম ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে আরও প্রসারিত করার সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিতঃ ১০:০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে এক বিশেষ ভাষণ দেন এবং সেখানে ‘স্পিকার অফ দ্য নেসেট মেডেল’ (নেসেট স্পিকারের মেডেল) নিয়ে সম্মানিত হন। বুধবার নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক মোদির হাতে তুলে দেন।

এই সম্মাননা তাঁকে দেওয়ার কারণ হিসেবে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মজবুত করতে মোদির অবদানকে তুলে ধরা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বলা হয়, এই পদক মোদির কূটনৈতিক উদ্যোগ ও সম্পর্ক গভীর করার প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিশ্বের প্রথম কোনো নেতা হিসেবে মোদি এই বিরল সম্মান পেলেন — যা তার আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভুমিকাকে আরেকটু উজ্জ্বল করেছে।

এই পদক গ্রহণের ফলে মোদি আন্তর্জাতিক মঞ্চে একটি অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিনি এখন এমন বিরল নেতাদের মধ্যে একজন, যিনি একই সময়ে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন—উভয় পক্ষ থেকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মাননা অর্জন করেছেন; ২০১৮ সালে তিনি ফিলিস্তিনের ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্টাইন’ গ্রহণ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলেন, দীর্ঘসময় ধরে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও উভয় পক্ষ থেকে এই সম্মান পাওয়া মোদির ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক সাফল্যের প্রতীক।

এটি মোদির কাছে দীর্ঘ নয় বছর পর প্রথম ইসরায়েল সফর। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে তাঁর সেই ঐতিহাসিক প্রথম সফরে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ে উন্নীত করা হয়েছিল; এবারের সফর সেই অংশীদারিত্বকে আরো গাঢ় করার বার্তা বহন করে। নেসেটে দেওয়া ভাষণে মোদি দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের ওপর গুরুত্ব দেন। ইসরায়েলি স্পিকার আমির ওহানা মোদির নেতৃত্বকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতি সম্মান দেখান।

সামগ্রিকভাবে এই সফরটি ভারত-ইসরায়েল কূটনৈতিক সম্পর্ককে একটি নতুন মাত্রা দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে যৌথ কার্যক্রম ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে আরও প্রসারিত করার সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।