১০:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

২৯–৩০ এপ্রিল ঢাকা আইনজীবী সমিতির দুইদিনব্যাপী নির্বাচন

এশিয়ার বৃহত্তম আইনজীবী সংগঠন ঢাকা আইনজীবী সমিতি (ঢাকা বার)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম গত বুধবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই আইনজীবী পাড়ায় নতুন করে চাঙাশির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যবস্থাপনা এবং নেতৃত্ব পুনর্গঠনের প্রত্যাশায় সমিতির নেতা-কর্মীরা প্রচারণা ও প্যানেল গঠন নিয়ে কাজ শুরু করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন সমিতিটি দীর্ঘদিন ধরে একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ মেয়াদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীরা সবকটি ২১টি পদ জয় করেছিল—সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক ঘটনার পর পরিস্থিতি বদলে গেলে নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা আদালতে উপস্থিতি বন্ধ করে দিলে সমিতির প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

অচলাবস্থা মোকাবেলায় এবং নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখার জন্য ওই বছরের ১৩ আগস্ট বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন। বর্তমানে সেই অ্যাডহক কমিটিই সমিতির দৈনন্দিন কাজ তদারকি করছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই নির্বাচন থেকে নতুন নির্বাচিত নেতৃত্ব দায়িত্বগহণ করবে বলে সাধারণ আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করেছেন। দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় এখন থেকে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা, প্যানেল গঠন ও ভোটপ্রক্রতির প্রস্তুতি দ্রুত শুরু করবেন—এমন অনুপ্রেরণা রয়েছে সমিতিতে।

সব মিলিয়ে এপ্রিলের এই নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকা বার অঞ্চলে উৎসবমুখর ও উৎসাহী পরিবেশ লক্ষ করা যাচ্ছে, যেখানে সমিতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও পরিচালনা কাদের হাতে যাবে তা কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

২৯–৩০ এপ্রিল ঢাকা আইনজীবী সমিতির দুইদিনব্যাপী নির্বাচন

প্রকাশিতঃ ০২:০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এশিয়ার বৃহত্তম আইনজীবী সংগঠন ঢাকা আইনজীবী সমিতি (ঢাকা বার)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম গত বুধবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই আইনজীবী পাড়ায় নতুন করে চাঙাশির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যবস্থাপনা এবং নেতৃত্ব পুনর্গঠনের প্রত্যাশায় সমিতির নেতা-কর্মীরা প্রচারণা ও প্যানেল গঠন নিয়ে কাজ শুরু করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন সমিতিটি দীর্ঘদিন ধরে একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ মেয়াদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীরা সবকটি ২১টি পদ জয় করেছিল—সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক ঘটনার পর পরিস্থিতি বদলে গেলে নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা আদালতে উপস্থিতি বন্ধ করে দিলে সমিতির প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

অচলাবস্থা মোকাবেলায় এবং নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখার জন্য ওই বছরের ১৩ আগস্ট বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন। বর্তমানে সেই অ্যাডহক কমিটিই সমিতির দৈনন্দিন কাজ তদারকি করছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই নির্বাচন থেকে নতুন নির্বাচিত নেতৃত্ব দায়িত্বগহণ করবে বলে সাধারণ আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করেছেন। দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় এখন থেকে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা, প্যানেল গঠন ও ভোটপ্রক্রতির প্রস্তুতি দ্রুত শুরু করবেন—এমন অনুপ্রেরণা রয়েছে সমিতিতে।

সব মিলিয়ে এপ্রিলের এই নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকা বার অঞ্চলে উৎসবমুখর ও উৎসাহী পরিবেশ লক্ষ করা যাচ্ছে, যেখানে সমিতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও পরিচালনা কাদের হাতে যাবে তা কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।