১০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

২৯–৩০ এপ্রিল ঢাকা আইনজীবী সমিতির দুইদিনব্যাপী নির্বাচন

এশিয়ার বৃহত্তম আইনজীবী সংগঠন ঢাকা আইনজীবী সমিতি (ঢাকা বার)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম গত বুধবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই আইনজীবী পাড়ায় নতুন করে চাঙাশির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যবস্থাপনা এবং নেতৃত্ব পুনর্গঠনের প্রত্যাশায় সমিতির নেতা-কর্মীরা প্রচারণা ও প্যানেল গঠন নিয়ে কাজ শুরু করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন সমিতিটি দীর্ঘদিন ধরে একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ মেয়াদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীরা সবকটি ২১টি পদ জয় করেছিল—সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক ঘটনার পর পরিস্থিতি বদলে গেলে নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা আদালতে উপস্থিতি বন্ধ করে দিলে সমিতির প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

অচলাবস্থা মোকাবেলায় এবং নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখার জন্য ওই বছরের ১৩ আগস্ট বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন। বর্তমানে সেই অ্যাডহক কমিটিই সমিতির দৈনন্দিন কাজ তদারকি করছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই নির্বাচন থেকে নতুন নির্বাচিত নেতৃত্ব দায়িত্বগহণ করবে বলে সাধারণ আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করেছেন। দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় এখন থেকে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা, প্যানেল গঠন ও ভোটপ্রক্রতির প্রস্তুতি দ্রুত শুরু করবেন—এমন অনুপ্রেরণা রয়েছে সমিতিতে।

সব মিলিয়ে এপ্রিলের এই নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকা বার অঞ্চলে উৎসবমুখর ও উৎসাহী পরিবেশ লক্ষ করা যাচ্ছে, যেখানে সমিতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও পরিচালনা কাদের হাতে যাবে তা কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

২৯–৩০ এপ্রিল ঢাকা আইনজীবী সমিতির দুইদিনব্যাপী নির্বাচন

প্রকাশিতঃ ০২:০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এশিয়ার বৃহত্তম আইনজীবী সংগঠন ঢাকা আইনজীবী সমিতি (ঢাকা বার)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম গত বুধবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই আইনজীবী পাড়ায় নতুন করে চাঙাশির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যবস্থাপনা এবং নেতৃত্ব পুনর্গঠনের প্রত্যাশায় সমিতির নেতা-কর্মীরা প্রচারণা ও প্যানেল গঠন নিয়ে কাজ শুরু করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন সমিতিটি দীর্ঘদিন ধরে একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ মেয়াদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আইনজীবীরা সবকটি ২১টি পদ জয় করেছিল—সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক ঘটনার পর পরিস্থিতি বদলে গেলে নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা আদালতে উপস্থিতি বন্ধ করে দিলে সমিতির প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

অচলাবস্থা মোকাবেলায় এবং নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখার জন্য ওই বছরের ১৩ আগস্ট বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন। বর্তমানে সেই অ্যাডহক কমিটিই সমিতির দৈনন্দিন কাজ তদারকি করছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই নির্বাচন থেকে নতুন নির্বাচিত নেতৃত্ব দায়িত্বগহণ করবে বলে সাধারণ আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করেছেন। দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় এখন থেকে প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা, প্যানেল গঠন ও ভোটপ্রক্রতির প্রস্তুতি দ্রুত শুরু করবেন—এমন অনুপ্রেরণা রয়েছে সমিতিতে।

সব মিলিয়ে এপ্রিলের এই নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকা বার অঞ্চলে উৎসবমুখর ও উৎসাহী পরিবেশ লক্ষ করা যাচ্ছে, যেখানে সমিতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও পরিচালনা কাদের হাতে যাবে তা কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।