০৫:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, মৃত্যু পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি তাঁর জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আর কোনো 때 মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তৃতায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্পষ্ট করে বলেন, তিনি পূর্বেই জানতেন যে তিনি কখনও মন্ত্রী হচ্ছেন না, তাই তিনি এ বিষয়ে মনোযোগ দেননি। তবে সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় তাঁর মনোভাব ছিল, তিনি মানসিক প্রস্তুতিতে ছিলেন না, মানে তিনি মন্ত্রিত্বে চাননি। এরপর তিনি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন বলে জানিয়ে দেন, কারণ তাঁর কাছে এখন একটাই লক্ষ্য—a সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে তাঁদের অধিকার আদায় করা এবং সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা।

তিনি আরও বলেন, তাঁর নিজের নৈতিক দায়িত্ব হলো নিয়ম মেনে চলা এবং স্বচ্ছ শাসন ব্যবস্থাকে প্রমোট করা। তিনি মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে মুক্ত হয়ে সাধারণ মানুষের সেবক হিসেবে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে চান। এই সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক মানসিকতা বা অভিমান থেকে আসেনি, বরং এটি তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনেরই অংশ। এই সভায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন, এলাকার উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। এছাড়াও, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ অন্যান্য দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই সভায় অংশ নেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে একটি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, মৃত্যু পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি তাঁর জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আর কোনো 때 মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তৃতায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্পষ্ট করে বলেন, তিনি পূর্বেই জানতেন যে তিনি কখনও মন্ত্রী হচ্ছেন না, তাই তিনি এ বিষয়ে মনোযোগ দেননি। তবে সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় তাঁর মনোভাব ছিল, তিনি মানসিক প্রস্তুতিতে ছিলেন না, মানে তিনি মন্ত্রিত্বে চাননি। এরপর তিনি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন বলে জানিয়ে দেন, কারণ তাঁর কাছে এখন একটাই লক্ষ্য—a সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে তাঁদের অধিকার আদায় করা এবং সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা।

তিনি আরও বলেন, তাঁর নিজের নৈতিক দায়িত্ব হলো নিয়ম মেনে চলা এবং স্বচ্ছ শাসন ব্যবস্থাকে প্রমোট করা। তিনি মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে মুক্ত হয়ে সাধারণ মানুষের সেবক হিসেবে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে চান। এই সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক মানসিকতা বা অভিমান থেকে আসেনি, বরং এটি তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনেরই অংশ। এই সভায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন, এলাকার উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। এছাড়াও, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ অন্যান্য দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই সভায় অংশ নেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে একটি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।