০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

ইরানে হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি জানালো জামায়াত

ইরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিবাদে এবং দেশটিতে চলমান সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ রোববার দুপুরে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট এলাকায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে দলটির নেতারা আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেছেন, হামলা অবিলম্বে থামানো না হলে ভবিষ্যতে অধিক ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

দলটির নায়েবে আমীর এ টি এম আজহারুল ইসলাম সমাবেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এসব বর্বরোচিত হামলা সম্পূর্ণরূপে গণতন্ত্রবিরোধী। তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে তিক্ত ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকা না থাকলে সাধারণ মানুষ এসব সংস্থাকে প্রত্যাখ্যান করবে।

আজহারুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান এবং বিশ্বশান্তি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরায়েলি পণ্য বয়কটেরও আহ্বান জানান।

সমাবেশে দলের সহকারী ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মুসলিম দেশগুলোর ওপর এই ধরনের আগ্রাসন বন্ধে জাতিসংঘকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। তিনি সংগঠিত আক্রমণের ফলে মুসলিম উম্মাহ অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দকে ভেদাভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে খামেনি হত্যার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা জানানোর প্রস্তাব সরকারের মাধ্যমে আনার জন্য তারা জোর দাবি জানাবে।

সম্মেলনে এক পর্যায়ে প্রতিক্রিয়াশীল ব্যবস্থাকে ভিন্নস্বরে আক্রমণ করে জামায়াত নেতারা বলেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে মুসলিম দেশগুলোর স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। খামেনি হত্যাকে কেবল ইরানের ক্ষতি নয়, পুরো মুসলিম উম্মাহর ওপর বড় আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশ নেওা কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন এবং পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার অঙ্গীকার জানান।

এছাড়া সমাবেশে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জামায়াত নেতা হাফিজুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানানো হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

ইরানে হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি জানালো জামায়াত

প্রকাশিতঃ ০৩:২৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ইরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিবাদে এবং দেশটিতে চলমান সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ রোববার দুপুরে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট এলাকায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে দলটির নেতারা আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেছেন, হামলা অবিলম্বে থামানো না হলে ভবিষ্যতে অধিক ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

দলটির নায়েবে আমীর এ টি এম আজহারুল ইসলাম সমাবেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এসব বর্বরোচিত হামলা সম্পূর্ণরূপে গণতন্ত্রবিরোধী। তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে তিক্ত ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকা না থাকলে সাধারণ মানুষ এসব সংস্থাকে প্রত্যাখ্যান করবে।

আজহারুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান এবং বিশ্বশান্তি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরায়েলি পণ্য বয়কটেরও আহ্বান জানান।

সমাবেশে দলের সহকারী ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মুসলিম দেশগুলোর ওপর এই ধরনের আগ্রাসন বন্ধে জাতিসংঘকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। তিনি সংগঠিত আক্রমণের ফলে মুসলিম উম্মাহ অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দকে ভেদাভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে খামেনি হত্যার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা জানানোর প্রস্তাব সরকারের মাধ্যমে আনার জন্য তারা জোর দাবি জানাবে।

সম্মেলনে এক পর্যায়ে প্রতিক্রিয়াশীল ব্যবস্থাকে ভিন্নস্বরে আক্রমণ করে জামায়াত নেতারা বলেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে মুসলিম দেশগুলোর স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। খামেনি হত্যাকে কেবল ইরানের ক্ষতি নয়, পুরো মুসলিম উম্মাহর ওপর বড় আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশ নেওা কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন এবং পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার অঙ্গীকার জানান।

এছাড়া সমাবেশে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জামায়াত নেতা হাফিজুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানানো হয়।