০৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ফ্যামিলি কার্ড পাইলটে সাড়ে ৩৭ হাজার নারী-প্রধান পরিবার ভাতা পাবেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে ১০ দিন পর চট্টগ্রামে প্রথম ডিজেল ট্যাংকার, এক সপ্তাহে আরও চারটি আসবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ডিএসসিসির কড়া নির্দেশনা ঈদে যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিত করতে সেতু সচিবের যমুনা সেতু ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ৪ প্রবাসী নিহত: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট: ভোক্তারা দিচ্ছেন বেশি দাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এখনও করা হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারী অপসারণ, এক ঘণ্টার মধ্যে সিআইডি’র অর্থপাচার তদন্ত শুরু

ইরানে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা: কুর্দি গোষ্ঠী থেকে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, আইআরজিসির হুঁশিয়ারি

ইরাকভিত্তিক ইরানি কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘খাবাত অর্গানাইজেশন’-এর সেক্রেটারি জেনারেল বাবাশেখ হোসেইনি জানিয়েছেন যে ইরানে একটি স্থল অভিযান পরিচালনার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যদিও এখন মুহূর্তে কোনো আক্রমণ চালানো হয়নি, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কার্যক্রম পরিকল্পনা চলছে এবং বর্তমান পরিস্থিতি অভিযানের পক্ষে অনুকূল বলে তারা মনে করছে।

হোসেইনি আরও জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী ও কুর্দি চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলছে। সরাসরি বৈঠক না থাকলেও ওয়াশিংটন ইরানি শাসনব্যবস্থা মোকাবিলা এবং ভবিষ্যত সহযোগিতা নিয়ে কুর্দি প্রতিনিধিদের মতামত জানতে চাইছে। এই যোগাযোগগুলো মূলত কুর্দি প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অপরদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) কুর্দিদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে—যদি কুর্দি গোষ্ঠীগুলো ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাদের ধ্বংস করা হবে। তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আল-জাজিরায় বলা হয়েছে, আইআরজিসি শনিবার সকালে ইরাকের কুর্দি অধ্যুষিত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে কুর্দিদের তিনটি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং ভবিষ্যতে কঠোর প্রতিক্রিয়ারও আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছে।

খাবাত অর্গানাইজেশনের নেতা হোসেইনি অভ্যন্তরীণ প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উন্নত সমরাস্ত্রের অভাবকে চিহ্নিত করেছেন। তাদের হাত presently প্রধানত সাধারণ ও পুরনো ধাঁচের অস্ত্র, যার ফলে মাঠে কার্যকর পরিবর্তন আনতে ড্রোন, উন্নত বিস্ফোরক ও সমসাময়িক যুদ্ধসরঞ্জামের প্রয়োজন不可পরিহার্য। যদি ভবিষ্যতে আমেরিকা বা অন্য কোনো পক্ষের সাথে সরাসরি সহযোগিতা গড়ে ওঠে, তাদের প্রধান দাবি হবে এই ধরনের আধুনিক সামরিক সহায়তা।

এ প্রসঙ্গে সংবাদে উল্লেখ আছে যে, ইরাকভিত্তিক কুর্দি বাহিনী সশস্ত্র ইউনিট গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং প্রয়োজনে ইরানে এগুলো পাঠানো হবে। একই সঙ্গে রিপোর্টে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) কুর্দিদের অস্ত্র সরবরাহ করে ইরানে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে—যদিও ওয়াইট হাউস এই ধরনের কোনো পরিকল্পনা থাকার দাবি করে না। তথাপি অতীতের সম্পর্কের ভিত্তিতে ওয়াশিংটন ও কুর্দি গোষ্ঠীর মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার ইতিহাস রয়েছে, যেখানে কাজ শেষ হলে পরিত্যাগের অভিযোগও সময়ের পরিক্রমায় উঠেছে।

কুর্দিরা মধ্যপ্রাচ্যের একটি বড় জাতিগোষ্ঠী; তাদের সংখ্যা আনুমানিক চার কোটি এবং তারা ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্কে ছড়িয়ে আছে। ইরানের কুর্দিরা প্রধানত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের চারটি প্রদেশে বসবাস করে এবং তাদের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগ ইরাক বা সিরিয়ার কুর্দিদের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম শক্তিশালী—তবু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক সক্রিয়তা বেড়েছে। ২০২২ সালে মাশা আমিনি ঘটনাকে ঘিরে শুরু হওয়া ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ বিক্ষোভে কুর্দি অঞ্চলের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

উপমহাদেশীয় রাজনীতিতে নতুন গতি এনে দেওয়ার উদ্দেশ্যে উত্তর ইরাকে রাজনৈতিক সদর দফতর থাকা পাঁচটি কুর্দি সংগঠন সম্প্রতি একটি ঐক্যফ্রন্ট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। জোটে উল্লেখযোগ্য দুটি দল হলো কুর্দিস্তান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এবং ফ্রি লাইফ পার্টি অব কুর্দিস্তান—দুই দলেরই নিজস্ব সশস্ত্র শাখা রয়েছে। বিশ্লেষকদের ভাষ্যে, এই উদ্যোগ ১৯৯০-এর দশকের ইরাকি কুর্দিদের ঐক্যের স্মরণ করায়।

তবে বাস্তবে অভিযানের ওপর বেশ কয়েকটি বাধা আছে। উত্তর ইরাকের কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকার (কেআরজি) ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে যে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো সামরিক অভিযান চালানো যাবে না, কারণ অতীতে ইরান ওই অঞ্চলে কুর্দি বিদ্রোহীদের উপস্থিতির অভিযোগে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এছাড়া মাঠে কার্যকর বিদ্রোহ গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ ও সংগঠনগত সক্ষমতা গড়ে তুলতে সাধারণত মাস নয়, বরং বছর লাগে—বিশেষ করে আধুনিক যুদ্ধশক্তি ও সরঞ্জামের অভাব থাকলে।

কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে যে মার্কিন প্রশাসন কুর্দি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে উচ্চস্তরের যোগাযোগ ও সম্ভাব্য সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে—যেখানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামও উঠে এসেছে। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি অংশগ্রহণ বা হামলার শেষ ফলাফল ইরানের নিরাপত্তা কাঠামোতে প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষকদের উল্লেখ। তবে এসব সম্পর্ক ও পরিকল্পনার বাস্তবায়ন এবং পরিধি এখনো অনিশ্চিত।

সংক্ষেপে, ইরান ও কুর্দি গোষ্ঠীদের মধ্যে উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক স্তরের যোগাযোগ বাড়ছে—কিন্তু স্থল অভিযানের বাস্তব সম্ভাবনা, স্থানীয় ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তা বাধা বিবেচনায় দ্রুত ও সফল কোনো সশস্ত্র আন্দোলন গড়ে তোলার প্রশ্নে বিশ্লেষকরা অনিশ্চিত। পরিস্থিতি কিভাবে দিকে যাবে তা নির্ভর করবে আঞ্চলিক কূটনীতি, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণের যোগান এবং কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর অভ্যন্তরীণ ঐক্যের উপর।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে ১০ দিন পর চট্টগ্রামে প্রথম ডিজেল ট্যাংকার, এক সপ্তাহে আরও চারটি আসবে

ইরানে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা: কুর্দি গোষ্ঠী থেকে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, আইআরজিসির হুঁশিয়ারি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ইরাকভিত্তিক ইরানি কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘খাবাত অর্গানাইজেশন’-এর সেক্রেটারি জেনারেল বাবাশেখ হোসেইনি জানিয়েছেন যে ইরানে একটি স্থল অভিযান পরিচালনার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যদিও এখন মুহূর্তে কোনো আক্রমণ চালানো হয়নি, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কার্যক্রম পরিকল্পনা চলছে এবং বর্তমান পরিস্থিতি অভিযানের পক্ষে অনুকূল বলে তারা মনে করছে।

হোসেইনি আরও জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী ও কুর্দি চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলছে। সরাসরি বৈঠক না থাকলেও ওয়াশিংটন ইরানি শাসনব্যবস্থা মোকাবিলা এবং ভবিষ্যত সহযোগিতা নিয়ে কুর্দি প্রতিনিধিদের মতামত জানতে চাইছে। এই যোগাযোগগুলো মূলত কুর্দি প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অপরদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) কুর্দিদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে—যদি কুর্দি গোষ্ঠীগুলো ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাদের ধ্বংস করা হবে। তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আল-জাজিরায় বলা হয়েছে, আইআরজিসি শনিবার সকালে ইরাকের কুর্দি অধ্যুষিত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে কুর্দিদের তিনটি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং ভবিষ্যতে কঠোর প্রতিক্রিয়ারও আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছে।

খাবাত অর্গানাইজেশনের নেতা হোসেইনি অভ্যন্তরীণ প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উন্নত সমরাস্ত্রের অভাবকে চিহ্নিত করেছেন। তাদের হাত presently প্রধানত সাধারণ ও পুরনো ধাঁচের অস্ত্র, যার ফলে মাঠে কার্যকর পরিবর্তন আনতে ড্রোন, উন্নত বিস্ফোরক ও সমসাময়িক যুদ্ধসরঞ্জামের প্রয়োজন不可পরিহার্য। যদি ভবিষ্যতে আমেরিকা বা অন্য কোনো পক্ষের সাথে সরাসরি সহযোগিতা গড়ে ওঠে, তাদের প্রধান দাবি হবে এই ধরনের আধুনিক সামরিক সহায়তা।

এ প্রসঙ্গে সংবাদে উল্লেখ আছে যে, ইরাকভিত্তিক কুর্দি বাহিনী সশস্ত্র ইউনিট গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং প্রয়োজনে ইরানে এগুলো পাঠানো হবে। একই সঙ্গে রিপোর্টে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) কুর্দিদের অস্ত্র সরবরাহ করে ইরানে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে—যদিও ওয়াইট হাউস এই ধরনের কোনো পরিকল্পনা থাকার দাবি করে না। তথাপি অতীতের সম্পর্কের ভিত্তিতে ওয়াশিংটন ও কুর্দি গোষ্ঠীর মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার ইতিহাস রয়েছে, যেখানে কাজ শেষ হলে পরিত্যাগের অভিযোগও সময়ের পরিক্রমায় উঠেছে।

কুর্দিরা মধ্যপ্রাচ্যের একটি বড় জাতিগোষ্ঠী; তাদের সংখ্যা আনুমানিক চার কোটি এবং তারা ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্কে ছড়িয়ে আছে। ইরানের কুর্দিরা প্রধানত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের চারটি প্রদেশে বসবাস করে এবং তাদের আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগ ইরাক বা সিরিয়ার কুর্দিদের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম শক্তিশালী—তবু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক সক্রিয়তা বেড়েছে। ২০২২ সালে মাশা আমিনি ঘটনাকে ঘিরে শুরু হওয়া ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ বিক্ষোভে কুর্দি অঞ্চলের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

উপমহাদেশীয় রাজনীতিতে নতুন গতি এনে দেওয়ার উদ্দেশ্যে উত্তর ইরাকে রাজনৈতিক সদর দফতর থাকা পাঁচটি কুর্দি সংগঠন সম্প্রতি একটি ঐক্যফ্রন্ট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। জোটে উল্লেখযোগ্য দুটি দল হলো কুর্দিস্তান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এবং ফ্রি লাইফ পার্টি অব কুর্দিস্তান—দুই দলেরই নিজস্ব সশস্ত্র শাখা রয়েছে। বিশ্লেষকদের ভাষ্যে, এই উদ্যোগ ১৯৯০-এর দশকের ইরাকি কুর্দিদের ঐক্যের স্মরণ করায়।

তবে বাস্তবে অভিযানের ওপর বেশ কয়েকটি বাধা আছে। উত্তর ইরাকের কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকার (কেআরজি) ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে যে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো সামরিক অভিযান চালানো যাবে না, কারণ অতীতে ইরান ওই অঞ্চলে কুর্দি বিদ্রোহীদের উপস্থিতির অভিযোগে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এছাড়া মাঠে কার্যকর বিদ্রোহ গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ ও সংগঠনগত সক্ষমতা গড়ে তুলতে সাধারণত মাস নয়, বরং বছর লাগে—বিশেষ করে আধুনিক যুদ্ধশক্তি ও সরঞ্জামের অভাব থাকলে।

কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে যে মার্কিন প্রশাসন কুর্দি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে উচ্চস্তরের যোগাযোগ ও সম্ভাব্য সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে—যেখানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামও উঠে এসেছে। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি অংশগ্রহণ বা হামলার শেষ ফলাফল ইরানের নিরাপত্তা কাঠামোতে প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষকদের উল্লেখ। তবে এসব সম্পর্ক ও পরিকল্পনার বাস্তবায়ন এবং পরিধি এখনো অনিশ্চিত।

সংক্ষেপে, ইরান ও কুর্দি গোষ্ঠীদের মধ্যে উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক স্তরের যোগাযোগ বাড়ছে—কিন্তু স্থল অভিযানের বাস্তব সম্ভাবনা, স্থানীয় ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তা বাধা বিবেচনায় দ্রুত ও সফল কোনো সশস্ত্র আন্দোলন গড়ে তোলার প্রশ্নে বিশ্লেষকরা অনিশ্চিত। পরিস্থিতি কিভাবে দিকে যাবে তা নির্ভর করবে আঞ্চলিক কূটনীতি, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণের যোগান এবং কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর অভ্যন্তরীণ ঐক্যের উপর।