০৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে: মোজতবা খামেনিকে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও কয়েকটি সূত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবর রবিবার রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত প্রকাশ্যভাবে প্রতীয়মান হলেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক এবং জিজ্ঞাসা চলছে।

রিপোর্টগুলো বলেছে, ৮৮ সদস্যের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস—যে সংস্থার বিরুদ্ধে ইরানের সংবিধান অনুসারে সর্বোচ্চ নেতার নির্বাচন সংক্রান্ত চূড়ান্ত ক্ষমতা আছে—একটি বিশেষ অধিবেশনে মোজতবাকে এই পদের জন্য নির্বাচিত করেছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও সোমবার ভোরে এই তথ্য নিশ্চিত করেছিল বলে জানানো হয়েছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটি দেশটির নেতৃত্বে দ্বিতীয় বড় ধরনের পরিবর্তন বলেই অনেকে মন্তব্য করছেন। পূর্বে, আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর আলী খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়েছিল; দীর্ঘ তিন দশকের পর পিতার মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে মোজতবার এই দায়িত্ব নেওয়া ইরানের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।

অনুষ্ঠানিক বা প্রকাশ্য কোনো বড় সরকারি পদের অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও মোজতবা খামেনিকে দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে দিয়ে রাষ্ট্র চালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালনকারীরূপে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষকরা বলছেন, তিনি সামরিক ও আধাসামরিক সংস্থার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাবশালী—বিশেষত ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও বাসিজের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়।

কয়েকটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে মোজতবার ওপর ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল; একই সঙ্গে মিত্র দেশগুলো ও কূটনৈতিক মহলে তাঁর নিয়োগকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আনুগত্যের ঘোষণা দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে এবং কিছু রিপোর্টে মোজতবার নির্দেশে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছে, যা বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তবে এ সব ঘটনার প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও স্বতন্ত্র সূত্রগুলোতে খবরগুলো যাচাই করা হচ্ছে। বাইরের মহলে কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে এবং নতুন নেতৃত্ব ইরানকে কোন পথে নিয়ে যাবে—এই প্রশ্নগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে। পরিস্থিতি দ্রুত বদলানো সম্ভব; নির্ভরযোগ্য ও আপডেট তথ্যের জন্য ফলো আপ প্রতিবেদন দেখার্থী রাখা উচিত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে: মোজতবা খামেনিকে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও কয়েকটি সূত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবর রবিবার রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত প্রকাশ্যভাবে প্রতীয়মান হলেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক এবং জিজ্ঞাসা চলছে।

রিপোর্টগুলো বলেছে, ৮৮ সদস্যের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস—যে সংস্থার বিরুদ্ধে ইরানের সংবিধান অনুসারে সর্বোচ্চ নেতার নির্বাচন সংক্রান্ত চূড়ান্ত ক্ষমতা আছে—একটি বিশেষ অধিবেশনে মোজতবাকে এই পদের জন্য নির্বাচিত করেছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও সোমবার ভোরে এই তথ্য নিশ্চিত করেছিল বলে জানানো হয়েছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটি দেশটির নেতৃত্বে দ্বিতীয় বড় ধরনের পরিবর্তন বলেই অনেকে মন্তব্য করছেন। পূর্বে, আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর আলী খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়েছিল; দীর্ঘ তিন দশকের পর পিতার মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে মোজতবার এই দায়িত্ব নেওয়া ইরানের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।

অনুষ্ঠানিক বা প্রকাশ্য কোনো বড় সরকারি পদের অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও মোজতবা খামেনিকে দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে দিয়ে রাষ্ট্র চালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালনকারীরূপে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষকরা বলছেন, তিনি সামরিক ও আধাসামরিক সংস্থার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাবশালী—বিশেষত ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও বাসিজের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়।

কয়েকটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে মোজতবার ওপর ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল; একই সঙ্গে মিত্র দেশগুলো ও কূটনৈতিক মহলে তাঁর নিয়োগকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আনুগত্যের ঘোষণা দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে এবং কিছু রিপোর্টে মোজতবার নির্দেশে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছে, যা বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তবে এ সব ঘটনার প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও স্বতন্ত্র সূত্রগুলোতে খবরগুলো যাচাই করা হচ্ছে। বাইরের মহলে কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে এবং নতুন নেতৃত্ব ইরানকে কোন পথে নিয়ে যাবে—এই প্রশ্নগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে। পরিস্থিতি দ্রুত বদলানো সম্ভব; নির্ভরযোগ্য ও আপডেট তথ্যের জন্য ফলো আপ প্রতিবেদন দেখার্থী রাখা উচিত।