ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সোমবার (৯ মার্চ) ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন এবং আরও বহুজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বরাতে ফরাসি সংবাদসংস্থা এএফপি।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই দেশটির বিভিন্ন অংশে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মধ্যাঞ্চলের এক নির্মাণাধীন ভবনে আঘাত পৌঁছায় এবং সেখানে থাকা এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে মারা যান।
ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আহত ব্যক্তিকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ৪০ বছর বয়সি ওই আক্রান্তকে রোগশালায় আনার পর মৃত ঘোষণা করা হয়। উদ্ধারকার্যের সময় ধ্বংসাবশেষে গুরুতর জখম অবস্থায় আরও এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
সামগ্রিকভাবে, ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা—যা তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে চালাচ্ছে—এসব ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন এবং অনেকে আহত হয়েছেন, বলেছে প্রতিবেদনে।
একই সময় ছবিসহ বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে কাতারে ৩০০-র বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করারও খবর পাওয়া যায়। কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা ভিডিও ধারণ ও প্রচার করেছেন এবং গুজব ছড়িয়েছে, যা জনমনে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
কাতারের ঘোষণার আগে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতেও একই ধরনের পদক্ষেপ দেখা গেছে। গত ৬ মার্চ বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ইরানি হামলার প্রভাব নিয়ে ভিডিও ধারণ, প্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর দায়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এরপরের সময়গুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানবন্দর, সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি স্থাপনা এবং আবাসিক এলাকা লক্ষ্য করে হামলার ঘটনার পরিসর বাড়ছে। সংঘাতের মধ্যেই তথ্য পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ ও বিভ্রান্তিকর কন্টেন্ট দমনের চেষ্টা তীব্র হয়েছে—নাগরিকদের নিরাপত্তা ও শোক মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ এসব পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও বলা হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























