০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

টুর্নামেন্ট সেরা সাঞ্জু স্যামসনের কাঁধে মুকুট

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঝান্ডা আবারও ভারতের দখলে। গত রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আয়োজিত জমকালো ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা দুইবার এবং মোট মিলিয়ে রেকর্ড তৃতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল ভারত।

মাঠে দলের অসামান্য পারফরম্যান্সের সঙ্গে ব্যক্তিগত ঝলকও ছিল চোখে পড়ার মতো। এই আলোয় সবচেয়ে বেশি দ্যুতি ছড়িয়েছেন হার্ডহিটার ব্যাটার সাঞ্জু স্যামসন—যাকে ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ করে সম্মানিত করা হয়েছে। মাত্র ৫টি ম্যাচে প্রায় ২০০-এর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করে স্যামসন সেই মর্যাদার যোগ্যতা দেখিয়েছেন এবং মোট রান তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। বিপদের মুহূর্তে দলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবে এই সম্মান তাঁরই কাঁধে উঠল।

ফাইনালে ভারতের জয় নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন পেসার জসপ্রিত বুমরাহ। মাত্র ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে তিনি ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন—যা কিউইদের ব্যাটিং লাইনআপকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয় এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দেয়। বুমরাহের ধারাবাহিকতা শুধু ফাইনালেই নয়, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই কার্যকর ছিল; তিনি এবং স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী উভয়ে ১৪টি করে উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সফলতম বোলার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৫ রানের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা দাঁড় করায়—যা ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারণ করে দেয়। ২৫৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানে অলআউট হয়। এ ভাবেই তিন অঙ্কের ব্যবধানে ভারতের বড় জয় নিশ্চিত হয়।

২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় করে যে ইতিহাসের সূচনা করেছিল ভারত, ১৭ বছর পর আবারও গতবারের ট্রফি ধরে রেখে এবার টানা দুই আসরে শিরোপা ধরে রেখেছে। টানা জয় দিয়ে নীল জার্সিধারীরা বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের শক্ত অবস্থান পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সামগ্রিকভাবে এই টুর্নামেন্টে ভারতের প্রদর্শন ছিল সমন্বিত—উপরে ব্যাটিং, মাঝখানে সাঞ্জু স্যামসনের মত স্টাইলিশ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার, এবং নিচে বুমরাহ-বরুণের মতো উইকেটশিকারী বোলাররা দলের জয়ের ভিত শক্ত করেছে। এই সমন্বয়ই শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট ভারতীয় ক্রীড়ার কাঁধে তুলে দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

টুর্নামেন্ট সেরা সাঞ্জু স্যামসনের কাঁধে মুকুট

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঝান্ডা আবারও ভারতের দখলে। গত রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আয়োজিত জমকালো ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা দুইবার এবং মোট মিলিয়ে রেকর্ড তৃতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল ভারত।

মাঠে দলের অসামান্য পারফরম্যান্সের সঙ্গে ব্যক্তিগত ঝলকও ছিল চোখে পড়ার মতো। এই আলোয় সবচেয়ে বেশি দ্যুতি ছড়িয়েছেন হার্ডহিটার ব্যাটার সাঞ্জু স্যামসন—যাকে ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ করে সম্মানিত করা হয়েছে। মাত্র ৫টি ম্যাচে প্রায় ২০০-এর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করে স্যামসন সেই মর্যাদার যোগ্যতা দেখিয়েছেন এবং মোট রান তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। বিপদের মুহূর্তে দলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবে এই সম্মান তাঁরই কাঁধে উঠল।

ফাইনালে ভারতের জয় নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন পেসার জসপ্রিত বুমরাহ। মাত্র ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে তিনি ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন—যা কিউইদের ব্যাটিং লাইনআপকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয় এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দেয়। বুমরাহের ধারাবাহিকতা শুধু ফাইনালেই নয়, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই কার্যকর ছিল; তিনি এবং স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী উভয়ে ১৪টি করে উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সফলতম বোলার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৫ রানের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা দাঁড় করায়—যা ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারণ করে দেয়। ২৫৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানে অলআউট হয়। এ ভাবেই তিন অঙ্কের ব্যবধানে ভারতের বড় জয় নিশ্চিত হয়।

২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় করে যে ইতিহাসের সূচনা করেছিল ভারত, ১৭ বছর পর আবারও গতবারের ট্রফি ধরে রেখে এবার টানা দুই আসরে শিরোপা ধরে রেখেছে। টানা জয় দিয়ে নীল জার্সিধারীরা বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের শক্ত অবস্থান পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সামগ্রিকভাবে এই টুর্নামেন্টে ভারতের প্রদর্শন ছিল সমন্বিত—উপরে ব্যাটিং, মাঝখানে সাঞ্জু স্যামসনের মত স্টাইলিশ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার, এবং নিচে বুমরাহ-বরুণের মতো উইকেটশিকারী বোলাররা দলের জয়ের ভিত শক্ত করেছে। এই সমন্বয়ই শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট ভারতীয় ক্রীড়ার কাঁধে তুলে দিয়েছে।