০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

টুর্নামেন্ট সেরা সাঞ্জু স্যামসনের কাঁধে মুকুট

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঝান্ডা আবারও ভারতের দখলে। গত রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আয়োজিত জমকালো ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা দুইবার এবং মোট মিলিয়ে রেকর্ড তৃতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল ভারত।

মাঠে দলের অসামান্য পারফরম্যান্সের সঙ্গে ব্যক্তিগত ঝলকও ছিল চোখে পড়ার মতো। এই আলোয় সবচেয়ে বেশি দ্যুতি ছড়িয়েছেন হার্ডহিটার ব্যাটার সাঞ্জু স্যামসন—যাকে ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ করে সম্মানিত করা হয়েছে। মাত্র ৫টি ম্যাচে প্রায় ২০০-এর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করে স্যামসন সেই মর্যাদার যোগ্যতা দেখিয়েছেন এবং মোট রান তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। বিপদের মুহূর্তে দলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবে এই সম্মান তাঁরই কাঁধে উঠল।

ফাইনালে ভারতের জয় নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন পেসার জসপ্রিত বুমরাহ। মাত্র ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে তিনি ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন—যা কিউইদের ব্যাটিং লাইনআপকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয় এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দেয়। বুমরাহের ধারাবাহিকতা শুধু ফাইনালেই নয়, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই কার্যকর ছিল; তিনি এবং স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী উভয়ে ১৪টি করে উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সফলতম বোলার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৫ রানের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা দাঁড় করায়—যা ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারণ করে দেয়। ২৫৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানে অলআউট হয়। এ ভাবেই তিন অঙ্কের ব্যবধানে ভারতের বড় জয় নিশ্চিত হয়।

২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় করে যে ইতিহাসের সূচনা করেছিল ভারত, ১৭ বছর পর আবারও গতবারের ট্রফি ধরে রেখে এবার টানা দুই আসরে শিরোপা ধরে রেখেছে। টানা জয় দিয়ে নীল জার্সিধারীরা বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের শক্ত অবস্থান পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সামগ্রিকভাবে এই টুর্নামেন্টে ভারতের প্রদর্শন ছিল সমন্বিত—উপরে ব্যাটিং, মাঝখানে সাঞ্জু স্যামসনের মত স্টাইলিশ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার, এবং নিচে বুমরাহ-বরুণের মতো উইকেটশিকারী বোলাররা দলের জয়ের ভিত শক্ত করেছে। এই সমন্বয়ই শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট ভারতীয় ক্রীড়ার কাঁধে তুলে দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টুর্নামেন্ট সেরা সাঞ্জু স্যামসনের কাঁধে মুকুট

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঝান্ডা আবারও ভারতের দখলে। গত রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আয়োজিত জমকালো ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা দুইবার এবং মোট মিলিয়ে রেকর্ড তৃতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল ভারত।

মাঠে দলের অসামান্য পারফরম্যান্সের সঙ্গে ব্যক্তিগত ঝলকও ছিল চোখে পড়ার মতো। এই আলোয় সবচেয়ে বেশি দ্যুতি ছড়িয়েছেন হার্ডহিটার ব্যাটার সাঞ্জু স্যামসন—যাকে ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ করে সম্মানিত করা হয়েছে। মাত্র ৫টি ম্যাচে প্রায় ২০০-এর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করে স্যামসন সেই মর্যাদার যোগ্যতা দেখিয়েছেন এবং মোট রান তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। বিপদের মুহূর্তে দলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবে এই সম্মান তাঁরই কাঁধে উঠল।

ফাইনালে ভারতের জয় নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন পেসার জসপ্রিত বুমরাহ। মাত্র ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে তিনি ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন—যা কিউইদের ব্যাটিং লাইনআপকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয় এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দেয়। বুমরাহের ধারাবাহিকতা শুধু ফাইনালেই নয়, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই কার্যকর ছিল; তিনি এবং স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী উভয়ে ১৪টি করে উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সফলতম বোলার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৫ রানের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা দাঁড় করায়—যা ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারণ করে দেয়। ২৫৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানে অলআউট হয়। এ ভাবেই তিন অঙ্কের ব্যবধানে ভারতের বড় জয় নিশ্চিত হয়।

২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় করে যে ইতিহাসের সূচনা করেছিল ভারত, ১৭ বছর পর আবারও গতবারের ট্রফি ধরে রেখে এবার টানা দুই আসরে শিরোপা ধরে রেখেছে। টানা জয় দিয়ে নীল জার্সিধারীরা বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের শক্ত অবস্থান পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সামগ্রিকভাবে এই টুর্নামেন্টে ভারতের প্রদর্শন ছিল সমন্বিত—উপরে ব্যাটিং, মাঝখানে সাঞ্জু স্যামসনের মত স্টাইলিশ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার, এবং নিচে বুমরাহ-বরুণের মতো উইকেটশিকারী বোলাররা দলের জয়ের ভিত শক্ত করেছে। এই সমন্বয়ই শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট ভারতীয় ক্রীড়ার কাঁধে তুলে দিয়েছে।