০৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ফ্যামিলি কার্ড পাইলটে সাড়ে ৩৭ হাজার নারী-প্রধান পরিবার ভাতা পাবেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে ১০ দিন পর চট্টগ্রামে প্রথম ডিজেল ট্যাংকার, এক সপ্তাহে আরও চারটি আসবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ডিএসসিসির কড়া নির্দেশনা ঈদে যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিত করতে সেতু সচিবের যমুনা সেতু ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ৪ প্রবাসী নিহত: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট: ভোক্তারা দিচ্ছেন বেশি দাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এখনও করা হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারী অপসারণ, এক ঘণ্টার মধ্যে সিআইডি’র অর্থপাচার তদন্ত শুরু

আহমেদাবাদে বিশ্বজয়: ট্রফির সঙ্গে টিম ইন্ডিয়ার কোষাগারে ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দলটি এই জয় দিয়ে ইতিহাস গড়েছে—টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ধারাবাহিক দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়াে এখন আইনি রেকর্ড। ট্রফি জয়ের আনন্দে মেতেছে ক্রিকেটপ্রেমীরা, আর একসঙ্গে উঠেছে আর্থিক কৌতূহলেরও সুর: এই জয়ের বদলে টিম ইন্ডিয়া ঠিক কত টাকা পেয়েছে? আইসিসির ঘোষিত প্রাইজমানি থেকে পরিষ্কার হল, শিরোপার সঙ্গে ভারতীয় দলে ঢুকেছে বিশাল অঙ্কের পুরস্কার—মোট ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই টুর্নামেন্টের জন্য মোট প্রায় ১৬০ কোটি টাকার প্রাইজমানি ঘোষণা করেছিল। গত আসরের তুলনায় এবারের পুরস্কার ঘাটতি প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। সেই হিসেব অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় টিম ইন্ডিয়া পেয়েছে ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, যা গতবারের জয়ের তুলনায় প্রায় সাত কোটি টাকা বেশি (গতকাল ২০২৪ সালের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সময় রোহিত শর্মা নেতৃত্বাধীন দল পেয়েছিল সাড়ে ২৯ কোটি টাকা)।

ফাইনালে পরাজিত হলেও নিউজিল্যান্ডও আর্থিকভাবে বড় অঙ্ক পেয়েছে; রানার্স-আপ হিসেবে তাদের আয় হয়েছে সাড়ে ১৯ কোটি টাকা। সেমিফাইনালে থেমে যাওয়া প্রতিটি দল পেয়েছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা করে। সুপার এইট পর্যন্ত নাম করা প্রতিটি দলের ব্যাংকে গেছে ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, এবং গ্রুপ পর্ব থেকেই বাইরে থাকা দলগুলোকে প্রতিটি ৩ কোটি টাকা করে অংশগ্রহণ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

আইসিসি ঘোষিত এই নির্ধারিত প্রাইজমানির বাইরে আরও বড় অর্থনৈতিক সুবিধা মিলতে পারে স্থানীয় বোনাস বা বোর্ডের ঘোষণা থেকে। গতবারের টাইটেলজয় শেষে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) খেলোয়াড়দের জন্য মোট ১২৫ কোটি রুপির এক বিশেষ বোনাস ঘোষণা করেছিল। এবারের জয়টি ঘরের মাঠে এবং ইতিহাস গড়া ধরনের হওয়ায় বিসিসিআই থেকে আরও বড় আর্থিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনাও প্রবল বলে ক্রিকেট মহলে আলোচনা চলছে।

এখন দেখার বিষয়, আইসিসি প্রদত্ত এই পুরস্কার ছাড়াও বিসিসিআই বা অন্যান্য স্পনসরদের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কত টাকা পৌঁছায়। মাঠের পারফরম্যান্সে রেকর্ড করা ভারতীয় দলের অর্জন প্রতিফলিত হবে কি অতিরিক্ত অর্থেও—সেই অপেক্ষায় ক্রিকেট প্রেমীরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে ১০ দিন পর চট্টগ্রামে প্রথম ডিজেল ট্যাংকার, এক সপ্তাহে আরও চারটি আসবে

আহমেদাবাদে বিশ্বজয়: ট্রফির সঙ্গে টিম ইন্ডিয়ার কোষাগারে ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দলটি এই জয় দিয়ে ইতিহাস গড়েছে—টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ধারাবাহিক দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়াে এখন আইনি রেকর্ড। ট্রফি জয়ের আনন্দে মেতেছে ক্রিকেটপ্রেমীরা, আর একসঙ্গে উঠেছে আর্থিক কৌতূহলেরও সুর: এই জয়ের বদলে টিম ইন্ডিয়া ঠিক কত টাকা পেয়েছে? আইসিসির ঘোষিত প্রাইজমানি থেকে পরিষ্কার হল, শিরোপার সঙ্গে ভারতীয় দলে ঢুকেছে বিশাল অঙ্কের পুরস্কার—মোট ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই টুর্নামেন্টের জন্য মোট প্রায় ১৬০ কোটি টাকার প্রাইজমানি ঘোষণা করেছিল। গত আসরের তুলনায় এবারের পুরস্কার ঘাটতি প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। সেই হিসেব অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় টিম ইন্ডিয়া পেয়েছে ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, যা গতবারের জয়ের তুলনায় প্রায় সাত কোটি টাকা বেশি (গতকাল ২০২৪ সালের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সময় রোহিত শর্মা নেতৃত্বাধীন দল পেয়েছিল সাড়ে ২৯ কোটি টাকা)।

ফাইনালে পরাজিত হলেও নিউজিল্যান্ডও আর্থিকভাবে বড় অঙ্ক পেয়েছে; রানার্স-আপ হিসেবে তাদের আয় হয়েছে সাড়ে ১৯ কোটি টাকা। সেমিফাইনালে থেমে যাওয়া প্রতিটি দল পেয়েছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা করে। সুপার এইট পর্যন্ত নাম করা প্রতিটি দলের ব্যাংকে গেছে ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, এবং গ্রুপ পর্ব থেকেই বাইরে থাকা দলগুলোকে প্রতিটি ৩ কোটি টাকা করে অংশগ্রহণ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

আইসিসি ঘোষিত এই নির্ধারিত প্রাইজমানির বাইরে আরও বড় অর্থনৈতিক সুবিধা মিলতে পারে স্থানীয় বোনাস বা বোর্ডের ঘোষণা থেকে। গতবারের টাইটেলজয় শেষে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) খেলোয়াড়দের জন্য মোট ১২৫ কোটি রুপির এক বিশেষ বোনাস ঘোষণা করেছিল। এবারের জয়টি ঘরের মাঠে এবং ইতিহাস গড়া ধরনের হওয়ায় বিসিসিআই থেকে আরও বড় আর্থিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনাও প্রবল বলে ক্রিকেট মহলে আলোচনা চলছে।

এখন দেখার বিষয়, আইসিসি প্রদত্ত এই পুরস্কার ছাড়াও বিসিসিআই বা অন্যান্য স্পনসরদের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কত টাকা পৌঁছায়। মাঠের পারফরম্যান্সে রেকর্ড করা ভারতীয় দলের অর্জন প্রতিফলিত হবে কি অতিরিক্ত অর্থেও—সেই অপেক্ষায় ক্রিকেট প্রেমীরা।