০৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩-২৫ মার্চ স্মৃতিসৌধে জনসাধারণের প্রবেশ বন্ধ বজ্রসহ শিলাবৃষ্টিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে তিনজন নিহত ১৫ মার্চ থেকে গণপরিবহনের জ্বালানি পর্যাপ্ত থাকবে: মন্ত্রী শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা ১৫ মার্চ থেকে গণপরিবহনে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ হবে: মন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি মির্জা আব্বাসের চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি: সম্মিলিত আন্দোলনেই ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন সংসদে খালেদা জিয়া ও বিশিষ্ট দেশি-বিদেশি ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গৃহীত চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলামের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের প্রতি অভিনন্দন খালেদা জিয়া ও মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জনের স্মরণে সংসদে শোকপ্রস্তাব

স্বর্ণের বড় দরপতন: ২২ ক্যারেটের ভরি ৩,৩২৪ টাকা কমলো

টানা দুই দফা দরবৃদ্ধির পরে অবশেষে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা করে হ্রাস করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ এখন প্রতি ভরি ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকায় বিক্রি হবে। এর আগে বুধবার দাম বাড়ার পর এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। একই সঙ্গে অন্যান্য ক্যারেটেও মূল্য কমানো হয়—২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকায়।

স্বর্ণের দরপতনের সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও কমানো হয়েছে। বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ৬৫টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হবে ৩ হাজার ৯০৭ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থার কণ্ঠস্বর অনুযায়ী দামের ওঠানামা হচ্ছে। গত কয়েক দিনে বাজারে তীব্র পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছিল—মাত্র এক দিন আগে বুধবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করেছিল বাজুস; আর ২৪ ঘণ্টার মাথায় এখন আবারও তিন হাজার টাকার বেশি করে দাম কমায় ক্রেতাদের মাঝে খানিকটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারের গতিবিধি এবং দেশীয় সরবরাহ পরিস্থিতি বিচার করে আগামীদিনগুলোতে দাম আরও ওঠানামা করতে পারে। গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য বাজারে এখন কিছুটা রিলিফ থাকলেও ভবিষ্যৎ মূল্য প্রবণতা আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় উভয় কারণে নির্ভরশীল থেকে যাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বজ্রসহ শিলাবৃষ্টিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে তিনজন নিহত

স্বর্ণের বড় দরপতন: ২২ ক্যারেটের ভরি ৩,৩২৪ টাকা কমলো

প্রকাশিতঃ ১১:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

টানা দুই দফা দরবৃদ্ধির পরে অবশেষে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা করে হ্রাস করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ এখন প্রতি ভরি ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকায় বিক্রি হবে। এর আগে বুধবার দাম বাড়ার পর এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। একই সঙ্গে অন্যান্য ক্যারেটেও মূল্য কমানো হয়—২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকায়।

স্বর্ণের দরপতনের সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও কমানো হয়েছে। বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ৬৫টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হবে ৩ হাজার ৯০৭ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থার কণ্ঠস্বর অনুযায়ী দামের ওঠানামা হচ্ছে। গত কয়েক দিনে বাজারে তীব্র পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছিল—মাত্র এক দিন আগে বুধবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করেছিল বাজুস; আর ২৪ ঘণ্টার মাথায় এখন আবারও তিন হাজার টাকার বেশি করে দাম কমায় ক্রেতাদের মাঝে খানিকটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারের গতিবিধি এবং দেশীয় সরবরাহ পরিস্থিতি বিচার করে আগামীদিনগুলোতে দাম আরও ওঠানামা করতে পারে। গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য বাজারে এখন কিছুটা রিলিফ থাকলেও ভবিষ্যৎ মূল্য প্রবণতা আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় উভয় কারণে নির্ভরশীল থেকে যাবে।