০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জামিনে মুক্তি: আনিস আলমগীর বললেন—’শুধু অন্যায় নয়, আমার ওপর জুলুম করা হয়েছে’

সাংবাদিক আনিস আলমগীর শনিবার (১৪ মার্চ) কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি মুক্তির পর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শুধু অন্যায় নয়, আমার সঙ্গে জুলুম করা হয়েছে। আপনি বলছেন আমার সমালোচনা করেন, এরপর সমালোচনার কারণ দেখিয়ে আমাকে জেলে পাঠানো হলো। এটা তো বড় বাটপারি — গত এক হাজার বছরে এর বড় বাটপারি কেউ দেখেনি। সমালোচনা করলেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জেলে দিচ্ছেন। সমালোচনা কখনো কি সন্ত্রাস হতে পারে? আমি কি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম?’

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন সংক্রান্ত কাগজপত্র এক দিন আগেই কারাগারে পৌঁছায় বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত সপ্তাহের বুধবার দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) দায়ের করা একটি মামলায় আদালত আনিস আলমগীরকে জামিন প্রদান করেন। ওই জামিনের ফলে তার বিরুদ্ধে থাকা মোট দুইটি মামলায় উভয় কৌঁসলে জামিন মিলেছে। তার আইনজীবী তাসলিমা জাহান জানান, দুই মামলায় জামিন পাওয়ায় মুক্তির পথে আর কোনো আইনগত বাধা ছিল না।

আসলে আনিস আলমগীরকে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার একটি ব্যায়ামাগার থেকে তদন্তের জন্য তুলে নেওয়া হয় বলে জানানো হয়। পরের দিন, ১৫ ডিসেম্বর তাকে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল এবং রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। পরে ওই সন্ত্রাসবিরোধী মামলা সংক্রান্ত উচ্চ আদালত গত ৫ মার্চ তাকে জামিন দেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া এবং তার ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া মিলে ঘটনাটি সামাজিক ও আইনগত বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। আনিস আলমগীরের মন্তব্য ও ওই সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জামিনে মুক্তি: আনিস আলমগীর বললেন—’শুধু অন্যায় নয়, আমার ওপর জুলুম করা হয়েছে’

প্রকাশিতঃ ০৬:৫৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

সাংবাদিক আনিস আলমগীর শনিবার (১৪ মার্চ) কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি মুক্তির পর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শুধু অন্যায় নয়, আমার সঙ্গে জুলুম করা হয়েছে। আপনি বলছেন আমার সমালোচনা করেন, এরপর সমালোচনার কারণ দেখিয়ে আমাকে জেলে পাঠানো হলো। এটা তো বড় বাটপারি — গত এক হাজার বছরে এর বড় বাটপারি কেউ দেখেনি। সমালোচনা করলেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জেলে দিচ্ছেন। সমালোচনা কখনো কি সন্ত্রাস হতে পারে? আমি কি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম?’

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন সংক্রান্ত কাগজপত্র এক দিন আগেই কারাগারে পৌঁছায় বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত সপ্তাহের বুধবার দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) দায়ের করা একটি মামলায় আদালত আনিস আলমগীরকে জামিন প্রদান করেন। ওই জামিনের ফলে তার বিরুদ্ধে থাকা মোট দুইটি মামলায় উভয় কৌঁসলে জামিন মিলেছে। তার আইনজীবী তাসলিমা জাহান জানান, দুই মামলায় জামিন পাওয়ায় মুক্তির পথে আর কোনো আইনগত বাধা ছিল না।

আসলে আনিস আলমগীরকে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার একটি ব্যায়ামাগার থেকে তদন্তের জন্য তুলে নেওয়া হয় বলে জানানো হয়। পরের দিন, ১৫ ডিসেম্বর তাকে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল এবং রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। পরে ওই সন্ত্রাসবিরোধী মামলা সংক্রান্ত উচ্চ আদালত গত ৫ মার্চ তাকে জামিন দেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া এবং তার ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া মিলে ঘটনাটি সামাজিক ও আইনগত বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। আনিস আলমগীরের মন্তব্য ও ওই সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।