০৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
যমুনা নয়, গুলশান অ্যাভিনিউর নিজ বাড়িতেই থাকছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‍্যাবের তৎপরতা বাড়ল রাজধানীতে ঈদ জামাতে সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করবে ডিএমপি সদরঘাট লঞ্চ সংঘর্ষ: তদন্তে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত; ২২ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ পড়বেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সদরঘাটে লঞ্চ চাপায় দুই যাত্রী নিহত, দুজন নিখোঁজ পাটুরিয়া নৌপথ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় দুইজন নিহত, দুই আহত ও দুই নিখোঁজ পাটুরিয়া নৌপথ পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান

বিশ্বব্যাংকের সতর্কতা: বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ বেকার

বিশ্বব্যাংকের আশঙ্কা, গত এক দশকে শ্রমবাজারে প্রবেশ করা বাংলাদেশের তরুণদের বড় অংশই চাকরি পাচ্ছেন না। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সংগঠনের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি তিন দিনের সফর শেষে ওই দিনই ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ নতুনভাবে যোগ দিয়েছেন। একই সময়ে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ। ফলে বাজারে আসা তরুণদের প্রায় অর্ধেকই এখনও কর্মহীন থেকে যাচ্ছে। নারীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠোর এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ কম।

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের বেকার থাকা দীর্ঘপ্রায়তায় অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াতে পারে। দ্রুত এবং কার্যকর সমাধান না নিলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপায় ও সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বিবৃতিতে তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যেই বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। এসব লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকও সহযোগিতা জোরদার করবে, বিশেষ করে যুব ও নারীদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করা হলো প্রধান অগ্রাধিকার।

জাট আরও বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্বে জোর দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাংক সদস্য দেশগুলোকে এমন অর্থনীতি গড়ে তোলায় সহায়তা করছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এই লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‍্যাবের তৎপরতা বাড়ল

বিশ্বব্যাংকের সতর্কতা: বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ বেকার

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাংকের আশঙ্কা, গত এক দশকে শ্রমবাজারে প্রবেশ করা বাংলাদেশের তরুণদের বড় অংশই চাকরি পাচ্ছেন না। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সংগঠনের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি তিন দিনের সফর শেষে ওই দিনই ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ নতুনভাবে যোগ দিয়েছেন। একই সময়ে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ। ফলে বাজারে আসা তরুণদের প্রায় অর্ধেকই এখনও কর্মহীন থেকে যাচ্ছে। নারীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠোর এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ কম।

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের বেকার থাকা দীর্ঘপ্রায়তায় অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াতে পারে। দ্রুত এবং কার্যকর সমাধান না নিলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপায় ও সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বিবৃতিতে তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যেই বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। এসব লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকও সহযোগিতা জোরদার করবে, বিশেষ করে যুব ও নারীদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করা হলো প্রধান অগ্রাধিকার।

জাট আরও বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্বে জোর দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাংক সদস্য দেশগুলোকে এমন অর্থনীতি গড়ে তোলায় সহায়তা করছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এই লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে সহায়তা অব্যাহত থাকবে।