০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফুটপাতে কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

ঢাকায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকার ফুটপাথ থেকে এক কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) পৌনে আটটার দিকে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত ব্যক্তি বুলেট বৈরাগী (৩৫)। তিনি কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং চট্টগ্রামে ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুলেট বৈরাগী গত ১১ এপ্রিল সরকারি প্রশিক্ষণের কারণে চট্টগ্রামে যান। শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি চট্টগ্রামের অলংকার মোড় থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাসে রওনা হন। শনিবার ভোরে পরিবারের সঙ্গে তার শেষ যোগাযোগ হয় রাত ২টা ২৫ মিনিটে, তখন তিনি ফোনে জানান যে তিনি কুমিল্লা শহরের টমছম ব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছে গেছেন। সেই সময়ের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি বাড়ি ফেরেননি এবং পরিবারের ফোনে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সূত্র না পেয়ে শনিবার সকালে বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি মো. আব্দুল মোমিন জানান, ৯৯৯ নম্বরে একটি কল পেয়ে পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আইরিশ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন ফুটপাথ থেকে অজানা পরিচয়ের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে দুপুরে পরিবারের সদস্যরা থানা গিয়ে মরদেহটি বুলেট বৈরাগীর বলে শনাক্ত করেন।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, পরিবারের করে রাখা জিডি-র বিষয়টি আছে এবং নিখোঁজের অভিযোগের পরি‌পেক্ষায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হবে।

পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে এবং মরদেহের ময়নাতদন্তসহ ঘটনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সব দিক খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফুটপাতে কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকার ফুটপাথ থেকে এক কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) পৌনে আটটার দিকে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত ব্যক্তি বুলেট বৈরাগী (৩৫)। তিনি কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং চট্টগ্রামে ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুলেট বৈরাগী গত ১১ এপ্রিল সরকারি প্রশিক্ষণের কারণে চট্টগ্রামে যান। শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি চট্টগ্রামের অলংকার মোড় থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাসে রওনা হন। শনিবার ভোরে পরিবারের সঙ্গে তার শেষ যোগাযোগ হয় রাত ২টা ২৫ মিনিটে, তখন তিনি ফোনে জানান যে তিনি কুমিল্লা শহরের টমছম ব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছে গেছেন। সেই সময়ের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি বাড়ি ফেরেননি এবং পরিবারের ফোনে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সূত্র না পেয়ে শনিবার সকালে বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি মো. আব্দুল মোমিন জানান, ৯৯৯ নম্বরে একটি কল পেয়ে পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আইরিশ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন ফুটপাথ থেকে অজানা পরিচয়ের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে দুপুরে পরিবারের সদস্যরা থানা গিয়ে মরদেহটি বুলেট বৈরাগীর বলে শনাক্ত করেন।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, পরিবারের করে রাখা জিডি-র বিষয়টি আছে এবং নিখোঁজের অভিযোগের পরি‌পেক্ষায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হবে।

পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে এবং মরদেহের ময়নাতদন্তসহ ঘটনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সব দিক খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে।