০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পাসপোর্টে ফের যুক্ত হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ ২০২৬-২৭ বাজেটে সামাজিক সুরক্ষায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাড়তি বরাদ্দ হামের টিকা ঘাটতি: ইউনিসেফ অন্তর্বর্তী সরকারকে ১০ বার সতর্ক করেছিলেন চলতি ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ছাড়াল এক লাখ চার হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা চলতি ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ছাড়ালো ১ লাখ ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা সেবা দেওয়া করুণা নয়, সরকারের মৌলিক দায়িত্ব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী সেবা জনগণের প্রতি করুণা নয়, সরকারের দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাকিস্তানকে হারিয়ে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জেতায় টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান চিফ হুইপ: গণতন্ত্র ছাড়া কোনও উন্নয়ন সম্ভব নয়

জয়ে শেষ হলো সালাউদ্দিনের জাতীয় দলের অধ্যায়

মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে যোগ দিয়ে তার জাতীয় দলের কাজের প্রথম ধাপ সফলভাবে শেষ করলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের কোচিং দায়িত্ব থেকে বিদায় নিলেন তিনি। জয়ের পর ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটার ও অন্যান্য কোচিং স্টাফদের উপস্থিতিতে একটি আবেগঘন সংবর্ধনায় তাকে বিদায় জানানো হয়; সেখানে সালাউদ্দিন খেলোয়াড়দের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পরামর্শও দেন।

জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়লেও দেশের কোচিং কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা শেষ হয়নি। ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাঁকে হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। বোর্ডের লক্ষ্যই হলো পাইপলাইন মজবুত করা—ভবিষ্যতের জাতীয় দল এবং ব্যাকআপ খেলোয়াড় তৈরি করা—এবং সেই দায়িত্বে অভিজ্ঞ সালাউদ্দিনকে ভরসা করা হয়েছে। আগামী মৌসুমে এইচপি ইউনিট নিয়ে বিসিবি বড় ধরনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

এইচপি বিভাগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে বোর্ড; সবচেয়ে 눈catching হলো কোনো নির্দিষ্ট বয়সভিত্তিক বাঁধাধরা না থাকা। আসন্ন মৌসুমের জন্য সাদা ও লাল বল মিলিয়ে মোট ৩৫ জন ক্রিকেটারকে বাছাই করা হয়েছে, যাতে তরুণ ও উদীয়মান প্রতিভাদের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া যায়। সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে এই কোচিং প্যানেলে থাকছেন সোহেল ইসলাম, মিজানুর রহমান বাবুল, রাজিন সালেহ ও তালহা জুবায়েরদের মতো অভিজ্ঞ কোচরা। এই শক্তিশালী প্যানেলের মূল লক্ষ্য হবে খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দেওয়া।

নতুন অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ দিয়ে। সিরিজের প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হবে আগামী ১ জুন থেকে, আর জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল ৩ জুন বাংলাদেশে পৌঁছাবে। তিনটি ওয়ানডে ম্যাচের খেলাপর্ব হবে ৮, ১০ ও ১৩ জুন—বগুড়া ও রাজশাহীর মাঠগুলোতে—তারপর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুইটি চারদিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই সিরিজের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে এইচপি ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সালাউদ্দিন।

জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে এখন সালাউদ্দিন মূলত তৃণমূল ও উদীয়মান খেলোয়াড়দের মেধা ও দক্ষতা বিকাশে কাজ করবেন। বিসিবির এই কৌশলগত পরিবর্তন ঘরোয়া ক্রিকেটের মানোন্নয়ন এবং খেলোয়াড়দের সামগ্রিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা। অভিজ্ঞ এই কোচের হাত ধরে হাই-পারফরম্যান্স ইউনিট থেকে ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রতিভাবান ক্রিকেটার উঠে এসে জাতীয় দলে জায়গা করে নেবেন—এমনই প্রত্যাশা ক্রিকেট মহলে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পাসপোর্টে ফের যুক্ত হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’

জয়ে শেষ হলো সালাউদ্দিনের জাতীয় দলের অধ্যায়

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে যোগ দিয়ে তার জাতীয় দলের কাজের প্রথম ধাপ সফলভাবে শেষ করলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের কোচিং দায়িত্ব থেকে বিদায় নিলেন তিনি। জয়ের পর ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটার ও অন্যান্য কোচিং স্টাফদের উপস্থিতিতে একটি আবেগঘন সংবর্ধনায় তাকে বিদায় জানানো হয়; সেখানে সালাউদ্দিন খেলোয়াড়দের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পরামর্শও দেন।

জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়লেও দেশের কোচিং কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা শেষ হয়নি। ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাঁকে হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। বোর্ডের লক্ষ্যই হলো পাইপলাইন মজবুত করা—ভবিষ্যতের জাতীয় দল এবং ব্যাকআপ খেলোয়াড় তৈরি করা—এবং সেই দায়িত্বে অভিজ্ঞ সালাউদ্দিনকে ভরসা করা হয়েছে। আগামী মৌসুমে এইচপি ইউনিট নিয়ে বিসিবি বড় ধরনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

এইচপি বিভাগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে বোর্ড; সবচেয়ে 눈catching হলো কোনো নির্দিষ্ট বয়সভিত্তিক বাঁধাধরা না থাকা। আসন্ন মৌসুমের জন্য সাদা ও লাল বল মিলিয়ে মোট ৩৫ জন ক্রিকেটারকে বাছাই করা হয়েছে, যাতে তরুণ ও উদীয়মান প্রতিভাদের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া যায়। সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে এই কোচিং প্যানেলে থাকছেন সোহেল ইসলাম, মিজানুর রহমান বাবুল, রাজিন সালেহ ও তালহা জুবায়েরদের মতো অভিজ্ঞ কোচরা। এই শক্তিশালী প্যানেলের মূল লক্ষ্য হবে খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দেওয়া।

নতুন অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ দিয়ে। সিরিজের প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হবে আগামী ১ জুন থেকে, আর জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল ৩ জুন বাংলাদেশে পৌঁছাবে। তিনটি ওয়ানডে ম্যাচের খেলাপর্ব হবে ৮, ১০ ও ১৩ জুন—বগুড়া ও রাজশাহীর মাঠগুলোতে—তারপর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুইটি চারদিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই সিরিজের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে এইচপি ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সালাউদ্দিন।

জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে এখন সালাউদ্দিন মূলত তৃণমূল ও উদীয়মান খেলোয়াড়দের মেধা ও দক্ষতা বিকাশে কাজ করবেন। বিসিবির এই কৌশলগত পরিবর্তন ঘরোয়া ক্রিকেটের মানোন্নয়ন এবং খেলোয়াড়দের সামগ্রিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা। অভিজ্ঞ এই কোচের হাত ধরে হাই-পারফরম্যান্স ইউনিট থেকে ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রতিভাবান ক্রিকেটার উঠে এসে জাতীয় দলে জায়গা করে নেবেন—এমনই প্রত্যাশা ক্রিকেট মহলে।