ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৫টি তেলবাহী ও মালবাহী জাহাজ পারাপার করেছে তারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা শুক্রবার আইআরজিসি-র বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইআরজিসি নৌবাহিনী সরাসরি অনুমতি ও সমন্বয় করে এসব জাহাজগুলো তাদের প্রত্যাশিত গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, এর আগের দিনে—বুধবার—ও মোট ৩১টি জাহাজ একই প্রণালি অতিক্রম করেছিল।
পারস্য উপসাগরের মুখে অবস্থিত এই সংকীর্ণ জলপথটি বিশ্ববাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিদিন এখানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল বিশ্ববাজারে পৌঁছে যায়। তাই হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বা চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের গোলযোগ উঠার আশঙ্কা থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এসব চলাচলের পরিসংখ্যান আন্তর্জাতিকভাবে নজর আকর্ষণ করে। তারা মনে করছেন, তেহরান মূলত এ তথ্য দিয়ে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে।
অবস্থাটি যে শান্তির বার্তা দেয়, তা ভিন্ন রাষ্ট্রগুলোর জন্য নিরাশ্রয় হলেও কিছুটা স্বস্তিকর: নিয়মিত জাহাজ চলাচল বজায় থাকায় সরবরাহশৃঙ্খল পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না। তবু নৌপথটির সুরক্ষা ও মুক্ত চলাচলের নিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ নির্মূল হয়নি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে এই জলপথের অব্যাহত নিরাপত্তা রাখা অত্যাবশ্যক বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























