বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৩টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে; বিক্রি হয়েছিল ৩৯টি, যার ফলে ৬টি মনোনয়নপত্র শেষ পর্যন্ত দাখিল হয়নি। জমা পড়া মনোনয়নপত্রের মাঝে চারজন প্রার্থী কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই পরিচালক পদে যেতে যাচ্ছেন।
ক্যাটাগরি-১ (জেলা ও বিভাগীয়) বিভাগে সবচেয়ে বেশি ওঠানামা দেখা গেছে। এখানে ১৯টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হলেও শেষ পর্যন্ত জমা পড়েছে ১৪টি। রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগ থেকে প্রতিটি বিভাগে কেবল একজন করে প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেছেন—রাজশাহী থেকে মীর শাহরুল আলম সীমান্ত, রংপুর থেকে মির্জা ফয়সাল আমিন এবং সিলেট থেকে কাইয়ুম চৌধুরী। যাচাই-বাছাইয়ে যদি কোনো আইনি বা কারিগরি ত্রুটি পাওয়া না যায়, তবে তিন বিভাগ থেকেই তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।
ক্যাটাগরি-৩ (সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থা) ক্যাটাগরিতেও একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোনীত কাউন্সিলর সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর। এই মনোনয়নপত্রও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের পথে রয়েছে, যদি যাচাই-বাছাইয়ে সব কিছু স্ব স্ব হয়।
অন্যদিকে ক্লাব ক্যাটাগরি (ক্যাটাগরি-২) মাঠে সবচেয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে। ১২টি পদের বিপরীতে এখানে ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ ক্যাটাগরিটি থেকেই বর্তমান বিসিবি রাষ্ট্রপতি তামিম ইকবালও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। কৌতূহলজনক বিষয় হলো, ক্লাব ক্যাটাগরির জন্য যারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, সবাই তা জমা দিয়েছেন, ফলে এখানে সরাসরি ভোটের মাধ্যমেই চূড়ান্ত করে নিতে হবে যোগ্য সদস্যদের।
ভৌগোলিকভাবে গত দফায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগ থেকে প্রত্যেকটি থেকে ৩টি করে এবং বরিশাল থেকে ২টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশন এই দাখিলকৃত কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করবে। একক প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে কোনো আইনি বা কারিগরি ত্রুটি না থাকলে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে; অন্যথায় এবং যেখানে একাধিক প্রার্থী থাকবেন, সেখানে নির্ধারিত সময়ে ব্যালটের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হবে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 

























