০২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

২ রানে ৬ উইকেট: বতসোয়ানার নাবিল মাস্টারের অভাবনীয় বিশ্ব রেকর্ড

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এমন বোলিং নিয়োগ বিরল—বতসোয়ানার মিডিয়াম-পেসার নাবিল মাস্টার মাত্র ২ রান খরচ করে ৬ উইকেট নিয়ে নজির গড়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আফ্রিকার উপ-আঞ্চলিক বাছাইপর্বে মালির বিপক্ষে মাস্টারের দুর্দান্ত কীর্তি-মেলার দিন বটসওয়ানার হয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মাস্টার মোট ২.৪ ওভার (১৬ বল) বোলিং করে একটি মেইডেনসহ মাত্র ২ রান দিয়ে প্রতিপক্ষের ৬ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠান। তার বিধ্বংসী বোলিংয়ের কারণে মালির ইনিংস মাত্র ৯.৪ ওভারে শেষ হয়ে যায় এবং তারা ২৪ রানে অলআউট হয়। এই বলঝড়ের কারণে মালির দেওয়া লক্ষ্য ছিল কেবল ২৫ রান।

এই কীর্তি পুরুষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এখনকার সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিং হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এর আগে সিঙ্গাপুরের হার্ষা ভরদাজ ২০২৪ সালে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ডে ছিলেন; কিন্তু মাস্টারের অত্যন্ত স্বল্প সময়ে করা ৬ উইকেট তাকে শীর্ষে বসিয়েছে। অফিসিয়াল স্ট্যাটসে মাস্টারের ফিগার হিসেবে দেখানো হয়েছে (২.৪-১-২-৬)।

ব্যক্তিগতভাবে এটি ছিল মাস্টারের একটি লক্ষণীয় প্রত্যাবর্তন গল্প। তিনি ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক করেছিলেন, এরপর দীর্ঘ সাত বছর ধরেই জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি। দুই দিন আগে ফেরো ডাক পেয়েই ফিরেছেন দলের হয়ে—ফেরার দ্বিতীয় ম্যাচেই এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্স করে নিজেকে আবারও বিশ্ব দরবারে পরিচিত করে তুললেন।

ম্যাচের শেষে বতসোয়ানার চাপ কেমন ছিল তা বোঝার জন্য অনেক সময় লাগলো না—উদ্বোধনী দুই ব্যাটসম্যান মাত্র ২.২ ওভারের মধ্যে কোনো উইকেট না হারিয়ে প্রয়োজনীয় ২৫ রান তুলে নেন এবং সহজে ১০ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করেন।

নাবিল মাস্টারের এই রেকর্ডিং কেবল একটি দলের জয়ের কারণ হয়নি; এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিসংখ্যানে নতুন এক মানদণ্ডও সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন পর ফিরেই ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া এই কীর্তি ক্রিকেটভক্তদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

২ রানে ৬ উইকেট: বতসোয়ানার নাবিল মাস্টারের অভাবনীয় বিশ্ব রেকর্ড

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এমন বোলিং নিয়োগ বিরল—বতসোয়ানার মিডিয়াম-পেসার নাবিল মাস্টার মাত্র ২ রান খরচ করে ৬ উইকেট নিয়ে নজির গড়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আফ্রিকার উপ-আঞ্চলিক বাছাইপর্বে মালির বিপক্ষে মাস্টারের দুর্দান্ত কীর্তি-মেলার দিন বটসওয়ানার হয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মাস্টার মোট ২.৪ ওভার (১৬ বল) বোলিং করে একটি মেইডেনসহ মাত্র ২ রান দিয়ে প্রতিপক্ষের ৬ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠান। তার বিধ্বংসী বোলিংয়ের কারণে মালির ইনিংস মাত্র ৯.৪ ওভারে শেষ হয়ে যায় এবং তারা ২৪ রানে অলআউট হয়। এই বলঝড়ের কারণে মালির দেওয়া লক্ষ্য ছিল কেবল ২৫ রান।

এই কীর্তি পুরুষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এখনকার সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিং হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এর আগে সিঙ্গাপুরের হার্ষা ভরদাজ ২০২৪ সালে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ডে ছিলেন; কিন্তু মাস্টারের অত্যন্ত স্বল্প সময়ে করা ৬ উইকেট তাকে শীর্ষে বসিয়েছে। অফিসিয়াল স্ট্যাটসে মাস্টারের ফিগার হিসেবে দেখানো হয়েছে (২.৪-১-২-৬)।

ব্যক্তিগতভাবে এটি ছিল মাস্টারের একটি লক্ষণীয় প্রত্যাবর্তন গল্প। তিনি ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক করেছিলেন, এরপর দীর্ঘ সাত বছর ধরেই জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি। দুই দিন আগে ফেরো ডাক পেয়েই ফিরেছেন দলের হয়ে—ফেরার দ্বিতীয় ম্যাচেই এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্স করে নিজেকে আবারও বিশ্ব দরবারে পরিচিত করে তুললেন।

ম্যাচের শেষে বতসোয়ানার চাপ কেমন ছিল তা বোঝার জন্য অনেক সময় লাগলো না—উদ্বোধনী দুই ব্যাটসম্যান মাত্র ২.২ ওভারের মধ্যে কোনো উইকেট না হারিয়ে প্রয়োজনীয় ২৫ রান তুলে নেন এবং সহজে ১০ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করেন।

নাবিল মাস্টারের এই রেকর্ডিং কেবল একটি দলের জয়ের কারণ হয়নি; এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিসংখ্যানে নতুন এক মানদণ্ডও সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন পর ফিরেই ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া এই কীর্তি ক্রিকেটভক্তদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে।