০৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঈদের ছুটিতে প্রশাসনে বড় রদবদল: তিন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে উন্নীত স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ইতোমধ্যেই দুই কোটি শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সাড়ে ৭টায়; রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন এডিবি বলছে: আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা সায়েদাবাদে ঈদযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়, অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ বন্ধুত্বের নিদর্শনে কুয়েতে পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ ২৪০ টন খাদ্যসামগ্রী চিফ হুইপ: সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে রামিসা হত্যার বিচার শেষ হতে পারে জাতীয় সংসদ ভবনে অন-গ্রিড সৌর রুফটপ প্রকল্পের উদ্বোধন

২ রানে ৬ উইকেট: বতসোয়ানার নাবিল মাস্টারের অভাবনীয় বিশ্ব রেকর্ড

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এমন বোলিং নিয়োগ বিরল—বতসোয়ানার মিডিয়াম-পেসার নাবিল মাস্টার মাত্র ২ রান খরচ করে ৬ উইকেট নিয়ে নজির গড়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আফ্রিকার উপ-আঞ্চলিক বাছাইপর্বে মালির বিপক্ষে মাস্টারের দুর্দান্ত কীর্তি-মেলার দিন বটসওয়ানার হয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মাস্টার মোট ২.৪ ওভার (১৬ বল) বোলিং করে একটি মেইডেনসহ মাত্র ২ রান দিয়ে প্রতিপক্ষের ৬ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠান। তার বিধ্বংসী বোলিংয়ের কারণে মালির ইনিংস মাত্র ৯.৪ ওভারে শেষ হয়ে যায় এবং তারা ২৪ রানে অলআউট হয়। এই বলঝড়ের কারণে মালির দেওয়া লক্ষ্য ছিল কেবল ২৫ রান।

এই কীর্তি পুরুষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এখনকার সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিং হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এর আগে সিঙ্গাপুরের হার্ষা ভরদাজ ২০২৪ সালে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ডে ছিলেন; কিন্তু মাস্টারের অত্যন্ত স্বল্প সময়ে করা ৬ উইকেট তাকে শীর্ষে বসিয়েছে। অফিসিয়াল স্ট্যাটসে মাস্টারের ফিগার হিসেবে দেখানো হয়েছে (২.৪-১-২-৬)।

ব্যক্তিগতভাবে এটি ছিল মাস্টারের একটি লক্ষণীয় প্রত্যাবর্তন গল্প। তিনি ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক করেছিলেন, এরপর দীর্ঘ সাত বছর ধরেই জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি। দুই দিন আগে ফেরো ডাক পেয়েই ফিরেছেন দলের হয়ে—ফেরার দ্বিতীয় ম্যাচেই এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্স করে নিজেকে আবারও বিশ্ব দরবারে পরিচিত করে তুললেন।

ম্যাচের শেষে বতসোয়ানার চাপ কেমন ছিল তা বোঝার জন্য অনেক সময় লাগলো না—উদ্বোধনী দুই ব্যাটসম্যান মাত্র ২.২ ওভারের মধ্যে কোনো উইকেট না হারিয়ে প্রয়োজনীয় ২৫ রান তুলে নেন এবং সহজে ১০ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করেন।

নাবিল মাস্টারের এই রেকর্ডিং কেবল একটি দলের জয়ের কারণ হয়নি; এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিসংখ্যানে নতুন এক মানদণ্ডও সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন পর ফিরেই ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া এই কীর্তি ক্রিকেটভক্তদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদের ছুটিতে প্রশাসনে বড় রদবদল: তিন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে উন্নীত

২ রানে ৬ উইকেট: বতসোয়ানার নাবিল মাস্টারের অভাবনীয় বিশ্ব রেকর্ড

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এমন বোলিং নিয়োগ বিরল—বতসোয়ানার মিডিয়াম-পেসার নাবিল মাস্টার মাত্র ২ রান খরচ করে ৬ উইকেট নিয়ে নজির গড়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আফ্রিকার উপ-আঞ্চলিক বাছাইপর্বে মালির বিপক্ষে মাস্টারের দুর্দান্ত কীর্তি-মেলার দিন বটসওয়ানার হয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মাস্টার মোট ২.৪ ওভার (১৬ বল) বোলিং করে একটি মেইডেনসহ মাত্র ২ রান দিয়ে প্রতিপক্ষের ৬ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠান। তার বিধ্বংসী বোলিংয়ের কারণে মালির ইনিংস মাত্র ৯.৪ ওভারে শেষ হয়ে যায় এবং তারা ২৪ রানে অলআউট হয়। এই বলঝড়ের কারণে মালির দেওয়া লক্ষ্য ছিল কেবল ২৫ রান।

এই কীর্তি পুরুষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এখনকার সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিং হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এর আগে সিঙ্গাপুরের হার্ষা ভরদাজ ২০২৪ সালে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ডে ছিলেন; কিন্তু মাস্টারের অত্যন্ত স্বল্প সময়ে করা ৬ উইকেট তাকে শীর্ষে বসিয়েছে। অফিসিয়াল স্ট্যাটসে মাস্টারের ফিগার হিসেবে দেখানো হয়েছে (২.৪-১-২-৬)।

ব্যক্তিগতভাবে এটি ছিল মাস্টারের একটি লক্ষণীয় প্রত্যাবর্তন গল্প। তিনি ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক করেছিলেন, এরপর দীর্ঘ সাত বছর ধরেই জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি। দুই দিন আগে ফেরো ডাক পেয়েই ফিরেছেন দলের হয়ে—ফেরার দ্বিতীয় ম্যাচেই এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্স করে নিজেকে আবারও বিশ্ব দরবারে পরিচিত করে তুললেন।

ম্যাচের শেষে বতসোয়ানার চাপ কেমন ছিল তা বোঝার জন্য অনেক সময় লাগলো না—উদ্বোধনী দুই ব্যাটসম্যান মাত্র ২.২ ওভারের মধ্যে কোনো উইকেট না হারিয়ে প্রয়োজনীয় ২৫ রান তুলে নেন এবং সহজে ১০ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করেন।

নাবিল মাস্টারের এই রেকর্ডিং কেবল একটি দলের জয়ের কারণ হয়নি; এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিসংখ্যানে নতুন এক মানদণ্ডও সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন পর ফিরেই ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া এই কীর্তি ক্রিকেটভক্তদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে।