০২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঈদে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে প্রায় ২৯৭ কোটি ডলার এসেছে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ তীব্র গতিতে বাড়ছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনের মধ্যে বৈধ পথে প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে ঢুকেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এ বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে 눈ে পড়ার মতো বৃদ্ধি ঘটেছে।

গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার। সেই হিসেবে চলতি বছরে প্রবাসী আয় প্রায় ৮৭ কোটি ডলার বেশি এসেছে, যা এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের বাড়তি পাঠানো অর্থকেই ইঙ্গিত করছে।

ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঈদের পশু ক্রয় ও উৎসব-সংক্রান্ত খরচ মেটাতে প্রবাসীরা অতিরিক্ত হারায় বৈদেশিক মুদ্রা পরিবারে পাঠাচ্ছেন। এই প্রবাহ শুধু পরিবারের ভোগব্যয় পূরণে সাহায্য করছে না, তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে। এই সময়ের সঙ্গে গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২১.২৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক মাসে আয়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড তৈরি করেছিল। এরপর এপ্রিলেও প্রবাহ বজায় থেকেছে—সেই মাসে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। বর্তমানে চলমান এই ধারাবাহিকতা विदेशी মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঈদে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে প্রায় ২৯৭ কোটি ডলার এসেছে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ তীব্র গতিতে বাড়ছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনের মধ্যে বৈধ পথে প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে ঢুকেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এ বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে 눈ে পড়ার মতো বৃদ্ধি ঘটেছে।

গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার। সেই হিসেবে চলতি বছরে প্রবাসী আয় প্রায় ৮৭ কোটি ডলার বেশি এসেছে, যা এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের বাড়তি পাঠানো অর্থকেই ইঙ্গিত করছে।

ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঈদের পশু ক্রয় ও উৎসব-সংক্রান্ত খরচ মেটাতে প্রবাসীরা অতিরিক্ত হারায় বৈদেশিক মুদ্রা পরিবারে পাঠাচ্ছেন। এই প্রবাহ শুধু পরিবারের ভোগব্যয় পূরণে সাহায্য করছে না, তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে। এই সময়ের সঙ্গে গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২১.২৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক মাসে আয়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড তৈরি করেছিল। এরপর এপ্রিলেও প্রবাহ বজায় থেকেছে—সেই মাসে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। বর্তমানে চলমান এই ধারাবাহিকতা विदेशी মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।