০২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

ঈদে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে প্রায় ২৯৭ কোটি ডলার এসেছে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ তীব্র গতিতে বাড়ছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনের মধ্যে বৈধ পথে প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে ঢুকেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এ বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে 눈ে পড়ার মতো বৃদ্ধি ঘটেছে।

গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার। সেই হিসেবে চলতি বছরে প্রবাসী আয় প্রায় ৮৭ কোটি ডলার বেশি এসেছে, যা এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের বাড়তি পাঠানো অর্থকেই ইঙ্গিত করছে।

ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঈদের পশু ক্রয় ও উৎসব-সংক্রান্ত খরচ মেটাতে প্রবাসীরা অতিরিক্ত হারায় বৈদেশিক মুদ্রা পরিবারে পাঠাচ্ছেন। এই প্রবাহ শুধু পরিবারের ভোগব্যয় পূরণে সাহায্য করছে না, তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে। এই সময়ের সঙ্গে গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২১.২৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক মাসে আয়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড তৈরি করেছিল। এরপর এপ্রিলেও প্রবাহ বজায় থেকেছে—সেই মাসে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। বর্তমানে চলমান এই ধারাবাহিকতা विदेशी মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

ঈদে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে প্রায় ২৯৭ কোটি ডলার এসেছে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ তীব্র গতিতে বাড়ছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনের মধ্যে বৈধ পথে প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে ঢুকেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এ বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে 눈ে পড়ার মতো বৃদ্ধি ঘটেছে।

গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার। সেই হিসেবে চলতি বছরে প্রবাসী আয় প্রায় ৮৭ কোটি ডলার বেশি এসেছে, যা এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের বাড়তি পাঠানো অর্থকেই ইঙ্গিত করছে।

ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঈদের পশু ক্রয় ও উৎসব-সংক্রান্ত খরচ মেটাতে প্রবাসীরা অতিরিক্ত হারায় বৈদেশিক মুদ্রা পরিবারে পাঠাচ্ছেন। এই প্রবাহ শুধু পরিবারের ভোগব্যয় পূরণে সাহায্য করছে না, তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে। এই সময়ের সঙ্গে গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২১.২৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক মাসে আয়ের সর্বোচ্চ রেকর্ড তৈরি করেছিল। এরপর এপ্রিলেও প্রবাহ বজায় থেকেছে—সেই মাসে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। বর্তমানে চলমান এই ধারাবাহিকতা विदेशी মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।