০৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হচ্ছে কাল হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হজ শেষ: দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি চালুর তিন মাসে নবনির্মিত এটিসি টাওয়ার আয় ১৯৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ টাকা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করলেন তারেক রহমান বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাসহ সারাদেশে চলছে পশু কোরবানি

প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ

বয়স ও অন্ধত্বকে ছাপিয়ে দীর্ঘদিনের এক স্বপ্ন নূরজাহান বেগমের জীবনে পূরণ হয়েছে। তিনি jarenlang আশা করতেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে একবারই হলেও কাছ থেকে দেখার ও কথা বলার — সেই কামনা শনিবার রাজধানীর শাহজাহানপুরে একটি জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে পূরণ হয়, যখন তিনি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে এসে সরাসরি আলাপ করার সুযোগ পান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নূরজাহান বেগম প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান। চোখে দেখতে না পেলেও উপস্থিতি অনুভব করে তিনি আবেগে ভেঙে পড়েন এবং দীর্ঘদিনের লালিত সপ্ন বাস্তবে পরিণত হওয়ায় profound শান্তি অনুভব করেন।

সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তরিকতা নিয়ে বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর শারীরিক ও স্বাস্হ্য সংক্রান্ত খোঁজখবর নেন। কাছাকাছি পেয়ে নূরজাহান বেগম জানান, জীবনের বড় একটি ইচ্ছা আজ পূরণ হয়েছে। সেই আবেগঘন মুহূর্তে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত দেন, তাঁর হাত ধরে দোয়া করেন — দৃশ্যটি উপস্থিত জনতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যেও মর্মস্পর্শী ছাপ ফেলে।

নূরজাহান বেগমের জীবন নিঃসঙ্গ ও কষ্টে ভরা। তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা; বৃদ্ধ বয়সে এখন আর কোনও নিকট আত্মীয় নেই—স্বামী ও সন্তান কেউ বেঁচে নেই। তবু দারিদ্র্য ও দৃষ্টিহীনতার মধ্যেও জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে এই সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই তাঁর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাধারণ মানুষের এমন গভীর ভালোবাসা ও আস্থা প্রধানমন্ত্রীকে জনসেবায় আরও অনুপ্রাণিত করে। একজন দৃষ্টিহীন নাগরিকের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে প্রধানমন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে খুশি প্রকাশ করেছেন। এই সাক্ষাৎ কেবল একজন মানুষের ইচ্ছা পূরণ নয়—এটি নেতৃত্ব ও সাধারণ জনগণের আন্তরিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি

প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

বয়স ও অন্ধত্বকে ছাপিয়ে দীর্ঘদিনের এক স্বপ্ন নূরজাহান বেগমের জীবনে পূরণ হয়েছে। তিনি jarenlang আশা করতেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে একবারই হলেও কাছ থেকে দেখার ও কথা বলার — সেই কামনা শনিবার রাজধানীর শাহজাহানপুরে একটি জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে পূরণ হয়, যখন তিনি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে এসে সরাসরি আলাপ করার সুযোগ পান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নূরজাহান বেগম প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান। চোখে দেখতে না পেলেও উপস্থিতি অনুভব করে তিনি আবেগে ভেঙে পড়েন এবং দীর্ঘদিনের লালিত সপ্ন বাস্তবে পরিণত হওয়ায় profound শান্তি অনুভব করেন।

সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তরিকতা নিয়ে বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর শারীরিক ও স্বাস্হ্য সংক্রান্ত খোঁজখবর নেন। কাছাকাছি পেয়ে নূরজাহান বেগম জানান, জীবনের বড় একটি ইচ্ছা আজ পূরণ হয়েছে। সেই আবেগঘন মুহূর্তে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত দেন, তাঁর হাত ধরে দোয়া করেন — দৃশ্যটি উপস্থিত জনতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যেও মর্মস্পর্শী ছাপ ফেলে।

নূরজাহান বেগমের জীবন নিঃসঙ্গ ও কষ্টে ভরা। তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা; বৃদ্ধ বয়সে এখন আর কোনও নিকট আত্মীয় নেই—স্বামী ও সন্তান কেউ বেঁচে নেই। তবু দারিদ্র্য ও দৃষ্টিহীনতার মধ্যেও জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে এই সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই তাঁর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাধারণ মানুষের এমন গভীর ভালোবাসা ও আস্থা প্রধানমন্ত্রীকে জনসেবায় আরও অনুপ্রাণিত করে। একজন দৃষ্টিহীন নাগরিকের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে প্রধানমন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে খুশি প্রকাশ করেছেন। এই সাক্ষাৎ কেবল একজন মানুষের ইচ্ছা পূরণ নয়—এটি নেতৃত্ব ও সাধারণ জনগণের আন্তরিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হবে।