০২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ

বয়স ও অন্ধত্বকে ছাপিয়ে দীর্ঘদিনের এক স্বপ্ন নূরজাহান বেগমের জীবনে পূরণ হয়েছে। তিনি jarenlang আশা করতেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে একবারই হলেও কাছ থেকে দেখার ও কথা বলার — সেই কামনা শনিবার রাজধানীর শাহজাহানপুরে একটি জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে পূরণ হয়, যখন তিনি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে এসে সরাসরি আলাপ করার সুযোগ পান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নূরজাহান বেগম প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান। চোখে দেখতে না পেলেও উপস্থিতি অনুভব করে তিনি আবেগে ভেঙে পড়েন এবং দীর্ঘদিনের লালিত সপ্ন বাস্তবে পরিণত হওয়ায় profound শান্তি অনুভব করেন।

সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তরিকতা নিয়ে বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর শারীরিক ও স্বাস্হ্য সংক্রান্ত খোঁজখবর নেন। কাছাকাছি পেয়ে নূরজাহান বেগম জানান, জীবনের বড় একটি ইচ্ছা আজ পূরণ হয়েছে। সেই আবেগঘন মুহূর্তে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত দেন, তাঁর হাত ধরে দোয়া করেন — দৃশ্যটি উপস্থিত জনতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যেও মর্মস্পর্শী ছাপ ফেলে।

নূরজাহান বেগমের জীবন নিঃসঙ্গ ও কষ্টে ভরা। তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা; বৃদ্ধ বয়সে এখন আর কোনও নিকট আত্মীয় নেই—স্বামী ও সন্তান কেউ বেঁচে নেই। তবু দারিদ্র্য ও দৃষ্টিহীনতার মধ্যেও জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে এই সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই তাঁর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাধারণ মানুষের এমন গভীর ভালোবাসা ও আস্থা প্রধানমন্ত্রীকে জনসেবায় আরও অনুপ্রাণিত করে। একজন দৃষ্টিহীন নাগরিকের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে প্রধানমন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে খুশি প্রকাশ করেছেন। এই সাক্ষাৎ কেবল একজন মানুষের ইচ্ছা পূরণ নয়—এটি নেতৃত্ব ও সাধারণ জনগণের আন্তরিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

বয়স ও অন্ধত্বকে ছাপিয়ে দীর্ঘদিনের এক স্বপ্ন নূরজাহান বেগমের জীবনে পূরণ হয়েছে। তিনি jarenlang আশা করতেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে একবারই হলেও কাছ থেকে দেখার ও কথা বলার — সেই কামনা শনিবার রাজধানীর শাহজাহানপুরে একটি জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে পূরণ হয়, যখন তিনি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে এসে সরাসরি আলাপ করার সুযোগ পান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নূরজাহান বেগম প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান। চোখে দেখতে না পেলেও উপস্থিতি অনুভব করে তিনি আবেগে ভেঙে পড়েন এবং দীর্ঘদিনের লালিত সপ্ন বাস্তবে পরিণত হওয়ায় profound শান্তি অনুভব করেন।

সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তরিকতা নিয়ে বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর শারীরিক ও স্বাস্হ্য সংক্রান্ত খোঁজখবর নেন। কাছাকাছি পেয়ে নূরজাহান বেগম জানান, জীবনের বড় একটি ইচ্ছা আজ পূরণ হয়েছে। সেই আবেগঘন মুহূর্তে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত দেন, তাঁর হাত ধরে দোয়া করেন — দৃশ্যটি উপস্থিত জনতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যেও মর্মস্পর্শী ছাপ ফেলে।

নূরজাহান বেগমের জীবন নিঃসঙ্গ ও কষ্টে ভরা। তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা; বৃদ্ধ বয়সে এখন আর কোনও নিকট আত্মীয় নেই—স্বামী ও সন্তান কেউ বেঁচে নেই। তবু দারিদ্র্য ও দৃষ্টিহীনতার মধ্যেও জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে এই সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই তাঁর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাধারণ মানুষের এমন গভীর ভালোবাসা ও আস্থা প্রধানমন্ত্রীকে জনসেবায় আরও অনুপ্রাণিত করে। একজন দৃষ্টিহীন নাগরিকের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে প্রধানমন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে খুশি প্রকাশ করেছেন। এই সাক্ষাৎ কেবল একজন মানুষের ইচ্ছা পূরণ নয়—এটি নেতৃত্ব ও সাধারণ জনগণের আন্তরিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হবে।