০৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন অনন্য বহুমুখী শিল্পী: তথ্যমন্ত্রী নাম বদল বা তৃণমূল—কোনওভাবেই কার্যক্রম চালাতে পারবে না আওয়ামী লীগ: তথ্য উপদেষ্টা সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস — অনলাইন বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ৫ কোটি জরিমানা, ১০ বছর কারাদণ্ড ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকায় সমন্বিত উদ্যোগ—১০৮ হটস্পট চিহ্নিত খামেনির শেষকৃত্যে যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল; ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে আর লাগবে না টিআইএন এনবিআরের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও পুতুলনাট্যের পথপ্রদর্শক মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই পানি নিরাপত্তার জন্য যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই, দাদাগিরি বরদাস্ত করব না: রাশেদ খান

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে ভালো ও সমানতালে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। কিন্তু কোনো প্রকার দাদাগিরি বা হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ খান অভিযোগ করেন, গত ১৮ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের নীতির ফলে দেশ ভারতের ছায়ায় চলে গেছে; তাই বাংলাদেশ চীনের মতো দ্রুত উন্নয়ন করতে পারেনি।

তিনি বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী এবং বন্ধু রাষ্ট্র। আমরা সম্পর্ক চাই, তবে এর মানে এই নয় যে আমাদের সার্বভৌমত্বকে অনাদরে মিলিত হতে হবে। ‘‘বিজিবি সীমান্তে এখন সাহস ফিরে পেয়েছে,’’ যোগ করে তিনি বললেন।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, যারা বলছিলেন বিএনপি ভারতের দালাল, তারা এখন ভুল প্রমাণিত হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেন, ‘‘বিএনপি যদি ভারতের দালালী করত, তাহলে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা চীন সফরে না গিয়েই আগে কেন ভারত সফর করতেন?’’

শান্তির আমলে রাজনৈতিক বিরোধিতার কথাও তুলে নিয়ে তিনি জানান, জামায়াত ও এনসিপির নেতারা আজ সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছে; একই সঙ্গে বিরোধীদলের কিছু শীর্ষ নেতা দীর্ঘদিন ধরে দলের কার্যালয়ের তালা খুলতে পারেননি। তিনি তাদের বড় বড় বক্তব্যকে তীব্র সমালোচনা করেন।

সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দুর্নীতির অভিযোগের প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ‘‘হাসনাত সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন। আমি বলব, ইউনুস সরকারের সময় সরকারি বরাদ্দগুলো তার এলাকায় নিয়ে যাওয়াই কি দুর্নীতি নয়?’’ তিনি এ বিষয়ে আরও তদন্তের আহ্বান জানান।

সীমান্ত ইস্যু নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন যে বিজিবি এখন সাহসে কাজ করছ। ‘‘বিএনপি সরকারের সময়ে বিজিবি সীমান্তে চোখে-চোখে কথা বলছে এবং জবাব দিচ্ছে; আমরা কোনো দেশের দালালি করি না,’’ তিনি বলেন।

শেষে রাশেদ খান জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি নই বা ভারতের দালাল, পাকিস্তানেরও দালাল নয়। তিনি কেন্দ্রীয় কিছু নেতার পাকিস্তান সফর এবং সেখানে লাল গালিচা সম্মাননা গ্রহণের প্রসঙ্গ টানেন এবং প্রশ্ন তুলেন, যারা পাকিস্তানে গিয়ে সংবর্ধনা নিয়েছে, তারা কি এখন পাকিস্তানের দালাল নয়?

সাক্ষাৎকারে রাশেদ খানের এই বক্তব্যে সীমান্ত নিরাপত্তা, কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমালোচনার মিশ্রণ দেখা পেয়েছেন অনেকে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন অনন্য বহুমুখী শিল্পী: তথ্যমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই, দাদাগিরি বরদাস্ত করব না: রাশেদ খান

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে ভালো ও সমানতালে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। কিন্তু কোনো প্রকার দাদাগিরি বা হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ খান অভিযোগ করেন, গত ১৮ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের নীতির ফলে দেশ ভারতের ছায়ায় চলে গেছে; তাই বাংলাদেশ চীনের মতো দ্রুত উন্নয়ন করতে পারেনি।

তিনি বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী এবং বন্ধু রাষ্ট্র। আমরা সম্পর্ক চাই, তবে এর মানে এই নয় যে আমাদের সার্বভৌমত্বকে অনাদরে মিলিত হতে হবে। ‘‘বিজিবি সীমান্তে এখন সাহস ফিরে পেয়েছে,’’ যোগ করে তিনি বললেন।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, যারা বলছিলেন বিএনপি ভারতের দালাল, তারা এখন ভুল প্রমাণিত হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেন, ‘‘বিএনপি যদি ভারতের দালালী করত, তাহলে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা চীন সফরে না গিয়েই আগে কেন ভারত সফর করতেন?’’

শান্তির আমলে রাজনৈতিক বিরোধিতার কথাও তুলে নিয়ে তিনি জানান, জামায়াত ও এনসিপির নেতারা আজ সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছে; একই সঙ্গে বিরোধীদলের কিছু শীর্ষ নেতা দীর্ঘদিন ধরে দলের কার্যালয়ের তালা খুলতে পারেননি। তিনি তাদের বড় বড় বক্তব্যকে তীব্র সমালোচনা করেন।

সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দুর্নীতির অভিযোগের প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ‘‘হাসনাত সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন। আমি বলব, ইউনুস সরকারের সময় সরকারি বরাদ্দগুলো তার এলাকায় নিয়ে যাওয়াই কি দুর্নীতি নয়?’’ তিনি এ বিষয়ে আরও তদন্তের আহ্বান জানান।

সীমান্ত ইস্যু নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন যে বিজিবি এখন সাহসে কাজ করছ। ‘‘বিএনপি সরকারের সময়ে বিজিবি সীমান্তে চোখে-চোখে কথা বলছে এবং জবাব দিচ্ছে; আমরা কোনো দেশের দালালি করি না,’’ তিনি বলেন।

শেষে রাশেদ খান জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি নই বা ভারতের দালাল, পাকিস্তানেরও দালাল নয়। তিনি কেন্দ্রীয় কিছু নেতার পাকিস্তান সফর এবং সেখানে লাল গালিচা সম্মাননা গ্রহণের প্রসঙ্গ টানেন এবং প্রশ্ন তুলেন, যারা পাকিস্তানে গিয়ে সংবর্ধনা নিয়েছে, তারা কি এখন পাকিস্তানের দালাল নয়?

সাক্ষাৎকারে রাশেদ খানের এই বক্তব্যে সীমান্ত নিরাপত্তা, কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমালোচনার মিশ্রণ দেখা পেয়েছেন অনেকে।