১০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে: প্রধানমন্ত্রী ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপন্ন ঢাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করলেন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ স্মারক ডাকটিকিট সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জুলাইয়ের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধন করলেন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের স্মারক ডাকটিকিট অর্থমন্ত্রী: বাংলাদেশ এগোচ্ছে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে গণতন্ত্র মজবুত করতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা বাড়বে: চিফ হুইপ জুলাই স্মৃতির অবমাননার অভিযোগ: শাওন, মাহি ও ফারজানার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় জিডি বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

মির্জা ফখরুল: শক্তিশালী গণমাধ্যমেই নজিরবিহীন গণতন্ত্র গড়ে ওঠে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণমাধ্যম যদি স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী হয়, তখনই একটি দেশের গণতন্ত্র শক্ত অবস্থানে দাঁড়াতে পারে। বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও সাহসী সাংবাদিকতা জরুরি—এটাই তাঁর বক্তব্য।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুল হক মিলনায়তনে নবনির্বাচিত কার্যনির্ঘি কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, সাংবাদিকদের নির্ভয়ে সত্য প্রকাশ করতে হবে। যেসব কাজ সঠিক, সেগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে; আর যেসব অনিয়ম বা অন্যায় ঘটছে, সেগুলোকে খোলাখুলিভাবে তুলে ধরে সমালোচনার মুখে আনা জরুরি। তিনি বলেন, ‘‘সাদা কে সাদা এবং কালো কে কালো বলার সাহসই সাংবাদিকতার মূল শক্তি।’’

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদরাও সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে গিয়ে ভুল-ত্রুটি হতে পারে; সেই ভুলগুলো তুলে ধরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই গণমাধ্যমের অন্যতম দায়িত্ব। অনেক সময় সত্য সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়—এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ফখরুল আরও জোর দিয়ে বলেন, একটি সমাজের গণতান্ত্রিক সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের ওপর। তাই সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রেরও কর্তব্য।

অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ, সৎ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, ব্যক্তি নয়—কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে; ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে সংবাদ দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন যে ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি নতুন উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষে মির্জা ফখরুল নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে তারা বস্তুনিষ্ঠ ও পেশাদার সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনগণের আস্থা আরও মজবুত করবেন ও প্রেসক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী এবং জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপন্ন ঢাকা

মির্জা ফখরুল: শক্তিশালী গণমাধ্যমেই নজিরবিহীন গণতন্ত্র গড়ে ওঠে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণমাধ্যম যদি স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী হয়, তখনই একটি দেশের গণতন্ত্র শক্ত অবস্থানে দাঁড়াতে পারে। বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও সাহসী সাংবাদিকতা জরুরি—এটাই তাঁর বক্তব্য।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুল হক মিলনায়তনে নবনির্বাচিত কার্যনির্ঘি কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, সাংবাদিকদের নির্ভয়ে সত্য প্রকাশ করতে হবে। যেসব কাজ সঠিক, সেগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে; আর যেসব অনিয়ম বা অন্যায় ঘটছে, সেগুলোকে খোলাখুলিভাবে তুলে ধরে সমালোচনার মুখে আনা জরুরি। তিনি বলেন, ‘‘সাদা কে সাদা এবং কালো কে কালো বলার সাহসই সাংবাদিকতার মূল শক্তি।’’

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদরাও সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে গিয়ে ভুল-ত্রুটি হতে পারে; সেই ভুলগুলো তুলে ধরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই গণমাধ্যমের অন্যতম দায়িত্ব। অনেক সময় সত্য সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়—এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ফখরুল আরও জোর দিয়ে বলেন, একটি সমাজের গণতান্ত্রিক সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের ওপর। তাই সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রেরও কর্তব্য।

অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ, সৎ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, ব্যক্তি নয়—কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে; ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে সংবাদ দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন যে ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি নতুন উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষে মির্জা ফখরুল নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে তারা বস্তুনিষ্ঠ ও পেশাদার সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনগণের আস্থা আরও মজবুত করবেন ও প্রেসক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী এবং জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।