০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ডে-কেয়ার সেন্টার দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অপরিহার্য: ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রতিনিধিদল ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী নিজের বেতনের ১০% সরকারি কোষাগারে দিচ্ছেন বাংলা একাডেমিতে সর্বস্তরের শ্রদ্ধায় আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ বিদায় ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে: প্রধানমন্ত্রী ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপন্ন ঢাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করলেন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ স্মারক ডাকটিকিট সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জুলাইয়ের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী

সৌদিতে এক সপ্তাহে ১২ হাজার ২৯২ অবৈধ অভিবাসী ফেরত

সৌদি আরব অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে এক সপ্তাহব্যাপী তীব্র অভিযানে মোট ১২ হাজার ২৯২ জন অবৈধ অভিবাসীকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। গালফ নিউজের প্রতিবেদন ও সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে আরও ২৭ হাজার ৪৪৫ জনের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে — তাদের মধ্যে ২৫ হাজার ৪১২ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ৩৩ জন নারী।

বহিষ্কারের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১৬ হাজার ৯১২ জনকে ট্রাভেল পারমিট বা আউটপাস সংগ্রহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে এবং ৪ হাজার ১৭৪ জনের জন্য বিমান টিকিট সরবরাহের ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গত ২৫ জুন থেকে ১ জুলাই চলা যৌথ অভিযানে মোট ১৫ হাজার ৫৯১ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৭ হাজার ৭৫৯ জনকে আবাসন আইনের লঙ্ঘনের, ৪ হাজার ৪৮৮ জনকে সীমান্ত নিরাপত্তা আইনের লঙ্ঘনের এবং ৩ হাজার ৩৪৪ জনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে সৌদিতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ৬২৯ জনকে আটক করা হয়েছে; তাঁদের অধিকাংশই ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। এছাড়া অবৈধভাবে দেশ ছাড়ার সময় ৫৮ জনকে হাতে নাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আশ্রয় দেয়া, পরিবহন সরবরাহ বা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার অভিযোগে ১৭ জন ব্যক্তিও গ্রেপ্তার হয়েছেন।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কড়াকড়ি করে সতর্ক করে বলেছে যে, অবৈধ অভিবাসীদের যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদান একটি গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি বা যানবাহন বাজেয়াপ্তের বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।

প্রশাসন জানায়, সৌদি ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় বহিষ্কার অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিযান ও গ্রেপ্তারকৃতদের সংখ্যার আপডেট প্রকাশ করে সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে চলেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রতিনিধিদল ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

সৌদিতে এক সপ্তাহে ১২ হাজার ২৯২ অবৈধ অভিবাসী ফেরত

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

সৌদি আরব অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে এক সপ্তাহব্যাপী তীব্র অভিযানে মোট ১২ হাজার ২৯২ জন অবৈধ অভিবাসীকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। গালফ নিউজের প্রতিবেদন ও সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে আরও ২৭ হাজার ৪৪৫ জনের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে — তাদের মধ্যে ২৫ হাজার ৪১২ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ৩৩ জন নারী।

বহিষ্কারের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১৬ হাজার ৯১২ জনকে ট্রাভেল পারমিট বা আউটপাস সংগ্রহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে এবং ৪ হাজার ১৭৪ জনের জন্য বিমান টিকিট সরবরাহের ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গত ২৫ জুন থেকে ১ জুলাই চলা যৌথ অভিযানে মোট ১৫ হাজার ৫৯১ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৭ হাজার ৭৫৯ জনকে আবাসন আইনের লঙ্ঘনের, ৪ হাজার ৪৮৮ জনকে সীমান্ত নিরাপত্তা আইনের লঙ্ঘনের এবং ৩ হাজার ৩৪৪ জনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে সৌদিতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ৬২৯ জনকে আটক করা হয়েছে; তাঁদের অধিকাংশই ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। এছাড়া অবৈধভাবে দেশ ছাড়ার সময় ৫৮ জনকে হাতে নাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আশ্রয় দেয়া, পরিবহন সরবরাহ বা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার অভিযোগে ১৭ জন ব্যক্তিও গ্রেপ্তার হয়েছেন।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কড়াকড়ি করে সতর্ক করে বলেছে যে, অবৈধ অভিবাসীদের যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদান একটি গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি বা যানবাহন বাজেয়াপ্তের বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।

প্রশাসন জানায়, সৌদি ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় বহিষ্কার অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিযান ও গ্রেপ্তারকৃতদের সংখ্যার আপডেট প্রকাশ করে সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে চলেছে।