০৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ডে-কেয়ার সেন্টার দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অপরিহার্য: ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রতিনিধিদল ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী নিজের বেতনের ১০% সরকারি কোষাগারে দিচ্ছেন বাংলা একাডেমিতে সর্বস্তরের শ্রদ্ধায় আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ বিদায় ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে: প্রধানমন্ত্রী ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপন্ন ঢাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করলেন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ স্মারক ডাকটিকিট সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জুলাইয়ের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও সাহসী সাংবাদিকতা ছাড়া কোনো গণতন্ত্র পূর্ণতা পায় না। তিনি বলেন, গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হয়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুল হক মিলনায়তনে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের কাজ হলো সত্যকে সাহসের সঙ্গে উপস্থাপন করা। ‘‘সাদা হলে সাদা এবং কালো হলে কালো বলা সাংবাদিকতার মূল শক্তি,’’ তিনি বলেন। ভালো কাজকে স্বীকৃতি দিতে হবে, আর অন্যায়-অনিয়মকে সজাগভাবে উঠে ধরা প্রয়োজন। এভাবেই রাজনীতিবিদদের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরে জনগণের সঠিক পথ নির্দেশ করা যায়।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদ সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন; কাজ করতে গিয়ে ভুল হতে পারে। সেই ভুলগুলো তুলে ধরা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থে সত্য প্রচার করাই গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। অনেক সময় সত্য জানানোয় সাংবাদিকরা হামলা ও হয়রানির শিকার হন; এ রকম অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

মির্জা ফখরুল বলেন, একটি দেশের গণতন্ত্রের সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের ওপর। তাই সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সভায় তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষাপটে দুটি নতুন উপজেলা অনুমোদন প্রদানের কথা জানান এবং জানান, সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে পাশাপাশি দক্ষ, সৎ ও দায়বদ্ধ নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে, ‘‘কেউ ব্যক্তিগত কারণে নয়—কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে। ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতেই হবে, তেমনি অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।’’

অনুষ্ঠানের শেষে মির্জা ফখরুল নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, তারা বস্তুনিষ্ঠ ও পেশাদার সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনমানুষের আস্থাকে আরও মজবুত করবেন এবং প্রেসক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী ও জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রতিনিধিদল ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও সাহসী সাংবাদিকতা ছাড়া কোনো গণতন্ত্র পূর্ণতা পায় না। তিনি বলেন, গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হয়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুল হক মিলনায়তনে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের কাজ হলো সত্যকে সাহসের সঙ্গে উপস্থাপন করা। ‘‘সাদা হলে সাদা এবং কালো হলে কালো বলা সাংবাদিকতার মূল শক্তি,’’ তিনি বলেন। ভালো কাজকে স্বীকৃতি দিতে হবে, আর অন্যায়-অনিয়মকে সজাগভাবে উঠে ধরা প্রয়োজন। এভাবেই রাজনীতিবিদদের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরে জনগণের সঠিক পথ নির্দেশ করা যায়।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদ সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন; কাজ করতে গিয়ে ভুল হতে পারে। সেই ভুলগুলো তুলে ধরা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থে সত্য প্রচার করাই গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। অনেক সময় সত্য জানানোয় সাংবাদিকরা হামলা ও হয়রানির শিকার হন; এ রকম অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

মির্জা ফখরুল বলেন, একটি দেশের গণতন্ত্রের সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের ওপর। তাই সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সভায় তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষাপটে দুটি নতুন উপজেলা অনুমোদন প্রদানের কথা জানান এবং জানান, সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে পাশাপাশি দক্ষ, সৎ ও দায়বদ্ধ নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে, ‘‘কেউ ব্যক্তিগত কারণে নয়—কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে। ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতেই হবে, তেমনি অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।’’

অনুষ্ঠানের শেষে মির্জা ফখরুল নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, তারা বস্তুনিষ্ঠ ও পেশাদার সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনমানুষের আস্থাকে আরও মজবুত করবেন এবং প্রেসক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী ও জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।