০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাপেক্সের তিন কূপ খননে সম্ভাব্য ১ লাখ ২০ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার গ্যাস টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন ২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি সর্বনিম্ন খরচ ৫,০০৫,৬৪৮ টাকা দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন আইন আনার অঙ্গীকার সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সর্বনিম্ন ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ফসফরিক অ্যাসিড সংকটে ২০ দিন ধরে বন্ধ একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭ বাংলাদেশের পাশে লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা

জিদান আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের প্রধান কোচ হিসেবে চুক্তি সই করেছেন

দিদিয়ের দেশমের বিদায়ের পর ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদান অবশেষে ফ্রান্স জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে সই করেছেন। আন্তর্জাতিক খবরের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা থাকা ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো এই চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন।

রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর থেকেই জিদান ও ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশনের মধ্যে মৌখিক সমঝোতা ছিল। সেই সমঝোতা এখন লিখিত চুক্তিতে পরিণত হয়েছে এবং জিদান এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করবেন।

চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া সত্ত্বেও ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জিদানকে গণমাধ্যমের সামনে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে এবং এরপরই তিনি অফিসিয়ালি জাতীয় দলের কাজে যোগ দেবেন।

খেলোয়াড় ও কোচ—দুই ভূমিকায় জিদানের কেরিয়ারই অনন্য। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি ১৯৯৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ও ২০০০ সালের ইউরোতে ফ্রান্সকে শীর্ষে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। পরে কোচিংয়ে এসে রিয়াল মাদ্রিদকে তার নির্দেশনায় উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা তিনবার শিরোপা জেতানো হয়, যা ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে বিরল কৃতিত্ব হিসেবে গণ্য।

রিয়াল মাদ্রিদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর কয়েক বছর ধরে জিদান কোনো ক্লাব বা জাতীয় দলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হননি। এ সময়ে তার ফ্রান্স দলের কোচ হওয়ার গুঞ্জন মাঝে মাঝে শোনা গেলেও চূড়ান্ত লাগনি—এবার সেই অপ্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তন চূড়ান্ত রূপ পেল।

এবার জিদানের সামনে বড় চ্যালেঞ্জগুলো স্পষ্ট: আন্তর্জাতিক বড় টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি, দলকে ফের শক্তিশালী করা, তরুণ প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়া এবং ফ্রান্সকে শিরোপার দৌড়ে ফের আবারও প্রতিষ্ঠিত করা। তার পদক্ষেপ এবং কৌশল ফুটবল বিশ্বে উৎসাহ ও আগ্রহের এক নতুন অধ্যায় শুরু করে দেবে বলে অনেকের প্রত্যাশা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন

জিদান আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের প্রধান কোচ হিসেবে চুক্তি সই করেছেন

প্রকাশিতঃ ০২:২২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দিদিয়ের দেশমের বিদায়ের পর ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদান অবশেষে ফ্রান্স জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে সই করেছেন। আন্তর্জাতিক খবরের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা থাকা ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো এই চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন।

রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর থেকেই জিদান ও ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশনের মধ্যে মৌখিক সমঝোতা ছিল। সেই সমঝোতা এখন লিখিত চুক্তিতে পরিণত হয়েছে এবং জিদান এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করবেন।

চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া সত্ত্বেও ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জিদানকে গণমাধ্যমের সামনে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে এবং এরপরই তিনি অফিসিয়ালি জাতীয় দলের কাজে যোগ দেবেন।

খেলোয়াড় ও কোচ—দুই ভূমিকায় জিদানের কেরিয়ারই অনন্য। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি ১৯৯৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ও ২০০০ সালের ইউরোতে ফ্রান্সকে শীর্ষে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। পরে কোচিংয়ে এসে রিয়াল মাদ্রিদকে তার নির্দেশনায় উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা তিনবার শিরোপা জেতানো হয়, যা ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে বিরল কৃতিত্ব হিসেবে গণ্য।

রিয়াল মাদ্রিদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর কয়েক বছর ধরে জিদান কোনো ক্লাব বা জাতীয় দলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হননি। এ সময়ে তার ফ্রান্স দলের কোচ হওয়ার গুঞ্জন মাঝে মাঝে শোনা গেলেও চূড়ান্ত লাগনি—এবার সেই অপ্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তন চূড়ান্ত রূপ পেল।

এবার জিদানের সামনে বড় চ্যালেঞ্জগুলো স্পষ্ট: আন্তর্জাতিক বড় টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি, দলকে ফের শক্তিশালী করা, তরুণ প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়া এবং ফ্রান্সকে শিরোপার দৌড়ে ফের আবারও প্রতিষ্ঠিত করা। তার পদক্ষেপ এবং কৌশল ফুটবল বিশ্বে উৎসাহ ও আগ্রহের এক নতুন অধ্যায় শুরু করে দেবে বলে অনেকের প্রত্যাশা।