দিদিয়ে দেশমের বিদায়ের পর ফ্রান্স জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সই করেছেন ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদান। আন্তর্জাতিক দলবদলের খবরাখবরের নির্ভরযোগ্য সংবাদদাতা ফ্যাব্রিজিও রোমানো এই চুক্তি স্বাক্ষরের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রোমানোর বরাতে জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকেই জিদান ও ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশনের মধ্যে প্রধান কোচ নিয়ে মৌখিক এক সমঝোতা ছিল; তা এখন লিখিতভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি এই চুক্তি অনুযায়ী জিদান ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত জাতীয় দলের দায়িত্ব নেবেন।
ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে সূত্রের খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জিদানকে গণমাধ্যমের সামনে সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে এবং তারপরই তিনি দাপ্তরিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।
খেলোয়াড় এবং কোচ—উভয় ভূমিকাতেই জিদানের কৃতিত্ব ফুটবলের ইতিহাসে লক্ষণীয়। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি ১৯৯৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০০০ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ফ্রান্সের অন্যতম প্রধান অবদানকারী ছিলেন। কোচিং ক্যারিয়ারে রিয়াল মাদ্রিদকে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব প্রতিযোগিতা—উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ—টানা তিনবার জিতিয়েছেন, যা ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে বিরল এক কীর্তি।
রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর জিদান কয়েক বছর কোনো ক্লাব বা জাতীয় দলের দায়িত্ব নেননি; তবু দীর্ঘদিন ধরেই তার ফ্রান্সের কোচ হওয়ার গুঞ্জন চলছিল। এবার সেই গুঞ্জনের ইতি টেনে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোচিংয়ে ফিরছেন, এবং এই প্রত্যাবর্তন ইতিমধ্যেই ফুটবল মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
앞agami দিনগুলোতে জিদানের সামনে বড় চ্যালেঞ্জগুলো হলো: আসন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোর জন্য শক্তিশালী দল গঠন, তরুণ প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়া, এবং ফ্রান্সকে আবার শিরোপার লড়াইয়ে পুনরায় প্রতিযোগী করে তোলা। দেশপ্রেম, অভিজ্ঞতা ও কোচিং দক্ষতার মিশেলে ফুটবলের এই নতুন অধ্যায় ফ্রান্সের জন্য কী ফল বয়ে আনবে—তাই এখন চোখ থাকবে তাঁর ওপর।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 

























