০৭:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ফসফরিক অ্যাসিড সংকটে ২০ দিন ধরে বন্ধ একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭ বাংলাদেশের পাশে লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা এলডিসি উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭-এর সমর্থন নিশ্চিত লোভনীয় চাকরির ফাঁদ: কম্বোডিয়ার ‘সাইবার দাসত্বে’ বন্দি বাংলাদেশিরা এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ফাইনালে আর্জেন্টিনায় হৃদরোগে দুই সমর্থকের মৃত্যু

স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনায় আর্জেন্টিনায় অন্তত দুই ফুটবল সমর্থক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা (স্যাম) জানায়, বুয়েনস আইরেসে পৃথক দুটি ঘটনায় ৬৭ এবং ৮৮ বছর বয়সী ওই দু’জনের কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যু হয়।

স্যামের তথ্যে বলা হয়েছে, প্রথম ঘটনা ঘটেছে মনসেরাত এলাকায়। সেখানে খেলা দেখাতে গিয়ে ৬৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। থাকা‑সাহারা লোকজন তাকে সিপিআর দিয়ে জীবিত রাখার চেষ্টা করলেও চিকিৎসকরা পৌঁছানোর পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দ্বিতীয় ঘটনায় ৮৮ বছর বয়সী এক সমর্থক বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে মারা যান। একই সময়ে আলভারেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৭২ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি বর্তমানে আইসিইউতে অবস্থান করছেন এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে।

ফাইনাল ও পরে উদযাপনের সময়ে বুয়েনস আইরেসের ওবেলিস্ক চত্বর এবং আশপাশে আরও কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এক ব্যক্তি উঁচুতে উঠে উদযাপন করার সময় প্রায় চার মিটার নিচে পড়ে পা ভেঙে গুরুতর আহত হন। অতিরিক্ত মদ্যপান, প্যানিক অ্যাটাক এবং সমর্থকদের মধ্যে ছোটখাটো হাতাহাতির কারণে সরকারের জরুরি সেবা বেশ কয়েক ডজন মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে।

এটি আর্জেন্টিনায় ফুটবল খেলার উত্তেজনার কারণে প্রথমবারের মতো ঘটে যাচ্ছে না। মাত্র এক সপ্তাহ আগে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালেও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৫১ বছর বয়সীর মৃত্যু হয়েছিল এবং ওইদিন আরও ছয়জন হৃদরোগ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছিল।

চিকিৎসকদের বক্তব্য, জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলাকালে ভক্তদের মধ্যে তীব্র আবেগ ও মানসিক চাপ কাজ করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে এমন উত্তেজনাপূর্ণ সময়ে হৃদরোগজনিত অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার স্বাভাবিক সময়ে’র তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে।

স্বাস্থ্যকর্মীরা অনুরোধ করেছেন—বয়স্কদের এবং হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে ভক্তরা অতিরিক্ত উত্তেজনা ও মদ্যপান এড়িয়ে চলুন এবং অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার ব্যবস্থা করুন। জরুরি ক্ষেত্রে স্থানীয় সেবা সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শও দিচ্ছেন তারা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফাইনালে আর্জেন্টিনায় হৃদরোগে দুই সমর্থকের মৃত্যু

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনায় আর্জেন্টিনায় অন্তত দুই ফুটবল সমর্থক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা (স্যাম) জানায়, বুয়েনস আইরেসে পৃথক দুটি ঘটনায় ৬৭ এবং ৮৮ বছর বয়সী ওই দু’জনের কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যু হয়।

স্যামের তথ্যে বলা হয়েছে, প্রথম ঘটনা ঘটেছে মনসেরাত এলাকায়। সেখানে খেলা দেখাতে গিয়ে ৬৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। থাকা‑সাহারা লোকজন তাকে সিপিআর দিয়ে জীবিত রাখার চেষ্টা করলেও চিকিৎসকরা পৌঁছানোর পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দ্বিতীয় ঘটনায় ৮৮ বছর বয়সী এক সমর্থক বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে মারা যান। একই সময়ে আলভারেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৭২ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি বর্তমানে আইসিইউতে অবস্থান করছেন এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে।

ফাইনাল ও পরে উদযাপনের সময়ে বুয়েনস আইরেসের ওবেলিস্ক চত্বর এবং আশপাশে আরও কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এক ব্যক্তি উঁচুতে উঠে উদযাপন করার সময় প্রায় চার মিটার নিচে পড়ে পা ভেঙে গুরুতর আহত হন। অতিরিক্ত মদ্যপান, প্যানিক অ্যাটাক এবং সমর্থকদের মধ্যে ছোটখাটো হাতাহাতির কারণে সরকারের জরুরি সেবা বেশ কয়েক ডজন মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে।

এটি আর্জেন্টিনায় ফুটবল খেলার উত্তেজনার কারণে প্রথমবারের মতো ঘটে যাচ্ছে না। মাত্র এক সপ্তাহ আগে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালেও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৫১ বছর বয়সীর মৃত্যু হয়েছিল এবং ওইদিন আরও ছয়জন হৃদরোগ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছিল।

চিকিৎসকদের বক্তব্য, জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলাকালে ভক্তদের মধ্যে তীব্র আবেগ ও মানসিক চাপ কাজ করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে এমন উত্তেজনাপূর্ণ সময়ে হৃদরোগজনিত অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার স্বাভাবিক সময়ে’র তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে।

স্বাস্থ্যকর্মীরা অনুরোধ করেছেন—বয়স্কদের এবং হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে ভক্তরা অতিরিক্ত উত্তেজনা ও মদ্যপান এড়িয়ে চলুন এবং অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার ব্যবস্থা করুন। জরুরি ক্ষেত্রে স্থানীয় সেবা সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শও দিচ্ছেন তারা।