১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ নতুন অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়; ভবিষ্যতে আরও আলোচনা এবং আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করবে।

আজ প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নতুন এই অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাকে দণ্ডঘাটনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গোপন আটক কেন্দ্রের ব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শফিকুল আলম আরও জানান, এই খসড়া অধ্যাদেশে দেশের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুমের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই খসড়া অধ্যাদেশের প্রণয়নে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এটি দেশটির মানবাধিকার রক্ষা ও গুম রোধে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।’

শফিকুল আলম আরও উল্লেখ করেন, ‘আজকের এই অনুমোদন কেবল নীতিগত; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটিকে ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে উপস্থাপন করা হবে। এটি কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে যথাযথ সুরক্ষা এবং প্রতিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ নতুন অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়; ভবিষ্যতে আরও আলোচনা এবং আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করবে।

আজ প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নতুন এই অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাকে দণ্ডঘাটনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গোপন আটক কেন্দ্রের ব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শফিকুল আলম আরও জানান, এই খসড়া অধ্যাদেশে দেশের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুমের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই খসড়া অধ্যাদেশের প্রণয়নে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এটি দেশটির মানবাধিকার রক্ষা ও গুম রোধে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।’

শফিকুল আলম আরও উল্লেখ করেন, ‘আজকের এই অনুমোদন কেবল নীতিগত; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটিকে ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে উপস্থাপন করা হবে। এটি কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে যথাযথ সুরক্ষা এবং প্রতিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।