১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ নতুন অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়; ভবিষ্যতে আরও আলোচনা এবং আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করবে।

আজ প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নতুন এই অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাকে দণ্ডঘাটনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গোপন আটক কেন্দ্রের ব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শফিকুল আলম আরও জানান, এই খসড়া অধ্যাদেশে দেশের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুমের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই খসড়া অধ্যাদেশের প্রণয়নে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এটি দেশটির মানবাধিকার রক্ষা ও গুম রোধে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।’

শফিকুল আলম আরও উল্লেখ করেন, ‘আজকের এই অনুমোদন কেবল নীতিগত; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটিকে ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে উপস্থাপন করা হবে। এটি কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে যথাযথ সুরক্ষা এবং প্রতিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ নতুন অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়; ভবিষ্যতে আরও আলোচনা এবং আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করবে।

আজ প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নতুন এই অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাকে দণ্ডঘাটনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গোপন আটক কেন্দ্রের ব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শফিকুল আলম আরও জানান, এই খসড়া অধ্যাদেশে দেশের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুমের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই খসড়া অধ্যাদেশের প্রণয়নে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এটি দেশটির মানবাধিকার রক্ষা ও গুম রোধে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।’

শফিকুল আলম আরও উল্লেখ করেন, ‘আজকের এই অনুমোদন কেবল নীতিগত; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এটিকে ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে উপস্থাপন করা হবে। এটি কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে যথাযথ সুরক্ষা এবং প্রতিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।