০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

নির্বাচন ও রমজানে প্রবাসী আয়ের বৃদ্ধি, বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান মাসের প্রভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয়ে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা جاريেছে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ যতই বাড়ছে, তা দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই শুভ संकेत। বিশেষ করে চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই দেশের প্রবাসীরা প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেখিয়ে দেয় প্রতিদিনের অর্থ পাঠানোর বেশ সক্রিয়তা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্বাচন ও রমজানের এই সময়ে পরিবারে অতিরিক্ত খরচের ফলে প্রবাসীরা আরো বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। এই প্রবণতা ভবিষ্যতে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও দৃঢ় করবে বলে তারা আশাবাদী।

গত বছর ২০২৫ সালে দেশে মোট প্রবাসী আয় ছিল প্রায় ৩,grep 82 কোটি ডলার, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের প্রায় সমান। ডিসেম্বর মাসের শেষে, নতুন করে ৩২২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে মার্চ মাসে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সবচেয়ে বেশি ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স সংগৃহীত হয়েছিল। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গত ছয় মাসে মাসে মাসে প্রবাসী পাঠানো অর্থের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে ডিসেম্বরে পতাকা তুলেছে ৩২২ কোটি ডলারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, অর্থপাচার ও অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসীরা স্বচ্ছভাবে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান ক্লিয়ারিং یونিয়নের (আকু) ১৫৩ কোটি ডলারের বিলের পর, ৮ জানুয়ারি দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.৪৩ বিলিয়ন ডলার। আরও জানা যায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম-৬ পদ্ধতির ভিত্তিতে দেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ এখন ২৭.৮৪ বিলিয়ন ডলার। এই মুহূর্তে দেশের অর্থনীতি বলিষ্ঠ বেশ, যা দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য আশাব্যঞ্জক।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

নির্বাচন ও রমজানে প্রবাসী আয়ের বৃদ্ধি, বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান মাসের প্রভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয়ে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা جاريেছে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ যতই বাড়ছে, তা দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই শুভ संकेत। বিশেষ করে চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই দেশের প্রবাসীরা প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেখিয়ে দেয় প্রতিদিনের অর্থ পাঠানোর বেশ সক্রিয়তা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্বাচন ও রমজানের এই সময়ে পরিবারে অতিরিক্ত খরচের ফলে প্রবাসীরা আরো বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। এই প্রবণতা ভবিষ্যতে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও দৃঢ় করবে বলে তারা আশাবাদী।

গত বছর ২০২৫ সালে দেশে মোট প্রবাসী আয় ছিল প্রায় ৩,grep 82 কোটি ডলার, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের প্রায় সমান। ডিসেম্বর মাসের শেষে, নতুন করে ৩২২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে মার্চ মাসে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সবচেয়ে বেশি ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স সংগৃহীত হয়েছিল। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গত ছয় মাসে মাসে মাসে প্রবাসী পাঠানো অর্থের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে ডিসেম্বরে পতাকা তুলেছে ৩২২ কোটি ডলারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, অর্থপাচার ও অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসীরা স্বচ্ছভাবে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান ক্লিয়ারিং یونিয়নের (আকু) ১৫৩ কোটি ডলারের বিলের পর, ৮ জানুয়ারি দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.৪৩ বিলিয়ন ডলার। আরও জানা যায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম-৬ পদ্ধতির ভিত্তিতে দেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ এখন ২৭.৮৪ বিলিয়ন ডলার। এই মুহূর্তে দেশের অর্থনীতি বলিষ্ঠ বেশ, যা দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য আশাব্যঞ্জক।