০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

স্বর্ণের মূল্য রেকর্ড উচ্চতায়, রুপার দাম অপরিবর্তিত

দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও বড় ধরনের উর্ধ্বগতি ঘটেছে, যার কারণে রোববার (১৮ জানুয়ারি) থেকে স্বর্ণের দাম বাংলাদেশের ইতিহাসের নতুন সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৪ জানুয়ারি রাতে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৬২৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বিশেষ বৃদ্ধি মূলত তেজাবি স্বর্ণের বাজারে অপ্রত্যাশিত মূল্যবৃদ্ধির কারণে নেওয়া হয়েছে, যাতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারিত হয়। এখন থেকে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকায়, যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গহনা কিনতে আসা ক্রেতাদের এই দামের সঙ্গে আরও যোগ করতে হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ কমিশন, যা তাদের খরচে আরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। গত ১২ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে ১৩ জানুয়ারি থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চলতি বছর মোট সাতবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচবারই দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। পূর্ববর্তী ২০২৫ সালে, স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা লক্ষণীয় ছিল, যেখানে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তবে, দেশের স্বর্ণের বাজারের এই ধারাবাহিক উর্ধ্বগতি সত্ত্বেও, রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায়, এবং অন্যান্য মানের রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। চলতি বছরে রুপার দাম চারবারই সমন্বয় করা হলেও, সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর দাম স্থিতিশীল রেখা হয়েছে। এই নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য অলংকার কেনাকাটায় আর্থিক চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

স্বর্ণের মূল্য রেকর্ড উচ্চতায়, রুপার দাম অপরিবর্তিত

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও বড় ধরনের উর্ধ্বগতি ঘটেছে, যার কারণে রোববার (১৮ জানুয়ারি) থেকে স্বর্ণের দাম বাংলাদেশের ইতিহাসের নতুন সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৪ জানুয়ারি রাতে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৬২৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বিশেষ বৃদ্ধি মূলত তেজাবি স্বর্ণের বাজারে অপ্রত্যাশিত মূল্যবৃদ্ধির কারণে নেওয়া হয়েছে, যাতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারিত হয়। এখন থেকে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকায়, যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গহনা কিনতে আসা ক্রেতাদের এই দামের সঙ্গে আরও যোগ করতে হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ কমিশন, যা তাদের খরচে আরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। গত ১২ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে ১৩ জানুয়ারি থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চলতি বছর মোট সাতবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচবারই দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। পূর্ববর্তী ২০২৫ সালে, স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা লক্ষণীয় ছিল, যেখানে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তবে, দেশের স্বর্ণের বাজারের এই ধারাবাহিক উর্ধ্বগতি সত্ত্বেও, রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায়, এবং অন্যান্য মানের রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। চলতি বছরে রুপার দাম চারবারই সমন্বয় করা হলেও, সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর দাম স্থিতিশীল রেখা হয়েছে। এই নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য অলংকার কেনাকাটায় আর্থিক চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।