০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কখনোই জেতেনি এমন দলের কাছে হারল সিটি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অতীতের ইতিহাসে এক অপ্রত্যাশিত ও স্মরণীয় অঘটনের জন্ম ঘটালো নরওয়ের ক্লাব বোদো গ্লিম্ট। এই ক্লাবটি টুর্নামেন্টের আগে কখনোই কোনো ম্যাচ জেতেনি, কিন্তু বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক ম্যাচে নিজেদের মাঠে শক্তিশালী ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দেয়। এই ম্যাচে বোদো গ্লিম্টের ফুটবলাররা পুরোপুরি আক্রমণাত্মক খেলাধুলার মাধ্যমে দেখিয়ে দিলেন, কেন এখনো তারা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ম্যাচের সময় সিটিজেনদের জন্য হতাশার বিষয় ছিল আর্লিং হালান্ডের একেবারেই নিষ্প্রভ অবস্থা, অন্যদিকে এই স্মরণীয় জয়ের সাক্ষী থাকলেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে, যিনি গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন।

ম্যাচের প্রথম থেকেই বোদো গ্লিম্ট আক্রমণাত্মক খেলেছেন। যদিও ম্যানচেস্টার সিটি কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল, কিন্তু ফিল ফোডেন ও আর্লিং হালান্ড তাদের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। এর বিপরীতে, স্বাগতিকরা তাঁদের রক্ষণভাগের দুর্বলতা উত্খাত করে প্রথমার্ধেই ম্যাটচের নিয়ন্ত্রণ নেন। বিশেষ করে সিটির বাম পাশের রক্ষণ ভেঙে পড়ছিল বেশ বারবার। ম্যাচের ২২তম মিনিটে ওলে ডিডরিগ ব্লমবার্গের ক্রস থেকে ক্যাসপার হগ গোল করেন। এরপরেই, অর্থাৎ ২৩তম মিনিটে, সিটির রক্ষণের ভুলের সুযোগ নেয় ব্লমবার্গ, বল কেড়ে নিয়ে হগকে পাস দিলে তিনি সহজেই দ্বিতীয় গোল করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে বোদো গ্লিম্টের দাপট অব্যাহত থাকে। জেনস পিটার হাউগের দুর্দান্ত গোল, সিটিকে ৩-০ পিছিয়ে দেয়। এ সময়ের মধ্যে, দুই মিনিটের ব্যবধানে রায়ান চেরকির গোল মনে কিছুটা আশার আলো জোরালো করে। কিন্তু ৬২তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় ম্যানচেস্টার সিটি। দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার রদ্রি এর্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পাওয়ার কারণে মাঠ छोड़তে বাধ্য হয়। এরপর আর দল ফিরে আসার জন্য কোনো অলৌকিক কৌশল দেখাতে পারেনি চলতি মৌসুমের দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা।

রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই বোদো গ্লিম্টের সমর্থকরা উল্লসিত হন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবারের মতো এই ক্লাবের এমন একটি ম্যাচে এই জয় বাস্তবতা হয়ে ওঠে। এটি ছিল এক গৌরবময় অধ্যায়, যেখানে একটি দল তার সকল সীমাবদ্ধতাকে পেরিয়ে ব্যতিক্রমী এক সফলতা অর্জন করল। ম্যানচেস্টার সিটির মতো তারকাখচিত দলকে হারিয়ে বোদো গ্লিম্ট নতুন এক ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাস রচনা করল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কখনোই জেতেনি এমন দলের কাছে হারল সিটি

প্রকাশিতঃ ০৬:৩৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অতীতের ইতিহাসে এক অপ্রত্যাশিত ও স্মরণীয় অঘটনের জন্ম ঘটালো নরওয়ের ক্লাব বোদো গ্লিম্ট। এই ক্লাবটি টুর্নামেন্টের আগে কখনোই কোনো ম্যাচ জেতেনি, কিন্তু বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক ম্যাচে নিজেদের মাঠে শক্তিশালী ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দেয়। এই ম্যাচে বোদো গ্লিম্টের ফুটবলাররা পুরোপুরি আক্রমণাত্মক খেলাধুলার মাধ্যমে দেখিয়ে দিলেন, কেন এখনো তারা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ম্যাচের সময় সিটিজেনদের জন্য হতাশার বিষয় ছিল আর্লিং হালান্ডের একেবারেই নিষ্প্রভ অবস্থা, অন্যদিকে এই স্মরণীয় জয়ের সাক্ষী থাকলেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে, যিনি গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন।

ম্যাচের প্রথম থেকেই বোদো গ্লিম্ট আক্রমণাত্মক খেলেছেন। যদিও ম্যানচেস্টার সিটি কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল, কিন্তু ফিল ফোডেন ও আর্লিং হালান্ড তাদের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। এর বিপরীতে, স্বাগতিকরা তাঁদের রক্ষণভাগের দুর্বলতা উত্খাত করে প্রথমার্ধেই ম্যাটচের নিয়ন্ত্রণ নেন। বিশেষ করে সিটির বাম পাশের রক্ষণ ভেঙে পড়ছিল বেশ বারবার। ম্যাচের ২২তম মিনিটে ওলে ডিডরিগ ব্লমবার্গের ক্রস থেকে ক্যাসপার হগ গোল করেন। এরপরেই, অর্থাৎ ২৩তম মিনিটে, সিটির রক্ষণের ভুলের সুযোগ নেয় ব্লমবার্গ, বল কেড়ে নিয়ে হগকে পাস দিলে তিনি সহজেই দ্বিতীয় গোল করেন।

দ্বিতীয়ার্ধে বোদো গ্লিম্টের দাপট অব্যাহত থাকে। জেনস পিটার হাউগের দুর্দান্ত গোল, সিটিকে ৩-০ পিছিয়ে দেয়। এ সময়ের মধ্যে, দুই মিনিটের ব্যবধানে রায়ান চেরকির গোল মনে কিছুটা আশার আলো জোরালো করে। কিন্তু ৬২তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় ম্যানচেস্টার সিটি। দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার রদ্রি এর্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পাওয়ার কারণে মাঠ छोड़তে বাধ্য হয়। এরপর আর দল ফিরে আসার জন্য কোনো অলৌকিক কৌশল দেখাতে পারেনি চলতি মৌসুমের দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা।

রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই বোদো গ্লিম্টের সমর্থকরা উল্লসিত হন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবারের মতো এই ক্লাবের এমন একটি ম্যাচে এই জয় বাস্তবতা হয়ে ওঠে। এটি ছিল এক গৌরবময় অধ্যায়, যেখানে একটি দল তার সকল সীমাবদ্ধতাকে পেরিয়ে ব্যতিক্রমী এক সফলতা অর্জন করল। ম্যানচেস্টার সিটির মতো তারকাখচিত দলকে হারিয়ে বোদো গ্লিম্ট নতুন এক ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাস রচনা করল।