০২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

কানাডা থেকে আসছে ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে ভোজ্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট এড়াতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস ইনকরপোরেটেডের মাধ্যমে ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল মাল্টিপারপাসে কিনে আনা হবে। এই সিদ্ধান্ত বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

সরকারের এই উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) তেলটি সংগ্রহ করা হবে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) গুদাম পর্যন্ত পৌঁছাতে সব ধরনের খরচ ধরা হয়েছে প্রতি লিটার ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা। এই মূল্য উৎপাদনমূল্য নয়, বরং বাজারে বিক্রির জন্য নির্ধারিত। এই তেল কেবল সরকারের দেশীয় বিক্রেতাদের জন্য প্রস্তুত, যেখানে বিক্রির মূল্য নির্ধারিত মানের মধ্যে থাকবে—দীর্ঘমেয়াদে ভোজ্যতেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিপিএম পদ্ধতিতে এই পরিমাণ তেল কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করে। এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস ইনকরপোরেটেড যথাযথ দর দাখিল করে। তারপর দর পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে কোম্পানিটিকে যোগ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, এক রকমের দরাদরির মাধ্যমে বিষয়টির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর, এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৩৫৭ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার টাকায় এই তেল সরাসরি ক্রয় করা হয়।

মূল্য নির্ধারণে দেখা যায়, দুই লিটার পেট বোতলে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের খরচ পরবে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা, আর গুদাম পর্যন্ত অন্যান্য খরচসহ মোট মূল্য হবে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা। এই তেল বাজারে বিক্রি হবে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে, যার ফলে ভোক্তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে। এতে সরকারের কোনও ভর্তুকির প্রয়োজন হবে না।

এর আগে, গত ৬ জানুয়ারি একই কমিটি রোজা উপলক্ষে সংকট মোকাবিলায় থাইল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয়। তারা এই তেল সরবরাহ করবে প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেড। এ ধরনের উদ্যোগে ব্যয় ধরা হয় মোট ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৭ টাকা। সেই সময়ে, প্রতি লিটার তেল চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত ১৩১ টাকা ৪৭ পয়সা এবং গুদাম পর্যন্ত অন্যান্য খরচসহ মোট মূল্য ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা ধরা হয়। এই তেল সরবরাহের মাধ্যমে সরকারজনিত ভর্তুকির প্রয়োজন কমে আসবে, এবং বাজারে তেলের সরবরাহ আরো সচল হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

কানাডা থেকে আসছে ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে ভোজ্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট এড়াতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস ইনকরপোরেটেডের মাধ্যমে ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল মাল্টিপারপাসে কিনে আনা হবে। এই সিদ্ধান্ত বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

সরকারের এই উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) তেলটি সংগ্রহ করা হবে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) গুদাম পর্যন্ত পৌঁছাতে সব ধরনের খরচ ধরা হয়েছে প্রতি লিটার ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা। এই মূল্য উৎপাদনমূল্য নয়, বরং বাজারে বিক্রির জন্য নির্ধারিত। এই তেল কেবল সরকারের দেশীয় বিক্রেতাদের জন্য প্রস্তুত, যেখানে বিক্রির মূল্য নির্ধারিত মানের মধ্যে থাকবে—দীর্ঘমেয়াদে ভোজ্যতেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিপিএম পদ্ধতিতে এই পরিমাণ তেল কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করে। এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস ইনকরপোরেটেড যথাযথ দর দাখিল করে। তারপর দর পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে কোম্পানিটিকে যোগ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, এক রকমের দরাদরির মাধ্যমে বিষয়টির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর, এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৩৫৭ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার টাকায় এই তেল সরাসরি ক্রয় করা হয়।

মূল্য নির্ধারণে দেখা যায়, দুই লিটার পেট বোতলে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের খরচ পরবে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা, আর গুদাম পর্যন্ত অন্যান্য খরচসহ মোট মূল্য হবে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা। এই তেল বাজারে বিক্রি হবে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে, যার ফলে ভোক্তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে। এতে সরকারের কোনও ভর্তুকির প্রয়োজন হবে না।

এর আগে, গত ৬ জানুয়ারি একই কমিটি রোজা উপলক্ষে সংকট মোকাবিলায় থাইল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয়। তারা এই তেল সরবরাহ করবে প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেড। এ ধরনের উদ্যোগে ব্যয় ধরা হয় মোট ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৭ টাকা। সেই সময়ে, প্রতি লিটার তেল চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত ১৩১ টাকা ৪৭ পয়সা এবং গুদাম পর্যন্ত অন্যান্য খরচসহ মোট মূল্য ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা ধরা হয়। এই তেল সরবরাহের মাধ্যমে সরকারজনিত ভর্তুকির প্রয়োজন কমে আসবে, এবং বাজারে তেলের সরবরাহ আরো সচল হবে।