১১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থী: ভোটের দিন পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবড়িয়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী আখতারুল আলম ফারুক এক সংবাদ সম্মেলনে ভোটের দিন প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ করেছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফুলবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ভোটের দিনের ভোটাররা ভয়ভীতি ও হুমকির মুখোমুখি হয়। আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বিভিন্ন কেন্দ্রে, যেমন- আছিম পাটুলী, রাধাকানাই, ভবানীপুরের কান্দানিয়া ও এনায়েতপুরের কাহালগাঁও কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে বিএনপি সমর্থকদের ওপর অপ্রয়োজনে হামলা চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এতে অনেক সমর্থক আহত হন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়, যা খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসন পক্ষপাতমূলক আচরণ করে আসছে, যা নির্বাচন ব্যবস্থাকে আহত করেছে।

ফারুক আরও বলেন, আমার নিজ কেন্দ্রে আছিম বাঁশদি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট বিকেল ৪টার মধ্যে শেষ হয়ে গেলেও ফলাফলে রাত ৯টায় ঘোষণা করা হয়। তিনি ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য সকল ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগকেও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফুলবাড়িয়া আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন, যিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৫,৯৪৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিযোগী ছিলেন উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা, ফুটবল প্রতীকে ৫২,৬৬৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। অন্য প্রার্থীরা হলেন, মো. জসিম উদ্দিন (ঘোড়া, ৫১,২৩৪ ভোট), বিএনপি মনোনীত আখতারুল আলম ফারুক (ধানের শীষ, ৪৮,৯৯৪ ভোট) ও মুফতি নূরে আলম সিদ্দিকী (হাতপাখা, ১,৯৩৮ ভোট)।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নবীন—প্রবীণের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করবে বিএনপি

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থী: ভোটের দিন পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবড়িয়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী আখতারুল আলম ফারুক এক সংবাদ সম্মেলনে ভোটের দিন প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ করেছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফুলবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ভোটের দিনের ভোটাররা ভয়ভীতি ও হুমকির মুখোমুখি হয়। আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বিভিন্ন কেন্দ্রে, যেমন- আছিম পাটুলী, রাধাকানাই, ভবানীপুরের কান্দানিয়া ও এনায়েতপুরের কাহালগাঁও কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে বিএনপি সমর্থকদের ওপর অপ্রয়োজনে হামলা চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এতে অনেক সমর্থক আহত হন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়, যা খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসন পক্ষপাতমূলক আচরণ করে আসছে, যা নির্বাচন ব্যবস্থাকে আহত করেছে।

ফারুক আরও বলেন, আমার নিজ কেন্দ্রে আছিম বাঁশদি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট বিকেল ৪টার মধ্যে শেষ হয়ে গেলেও ফলাফলে রাত ৯টায় ঘোষণা করা হয়। তিনি ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য সকল ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগকেও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফুলবাড়িয়া আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন, যিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৫,৯৪৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিযোগী ছিলেন উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা, ফুটবল প্রতীকে ৫২,৬৬৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। অন্য প্রার্থীরা হলেন, মো. জসিম উদ্দিন (ঘোড়া, ৫১,২৩৪ ভোট), বিএনপি মনোনীত আখতারুল আলম ফারুক (ধানের শীষ, ৪৮,৯৯৪ ভোট) ও মুফতি নূরে আলম সিদ্দিকী (হাতপাখা, ১,৯৩৮ ভোট)।