১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুর-২ আসনে চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ফরিদপুর-২ আসনে (সালথা এবং নগরকান্দা) উপ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। তিনি মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে এই আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলের জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী শাহ মো. আকরাম আলী, যিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট। এই নির্বাচনে মোট ছয়জন প্রার্থী অংশ গ্রহণ করেন, যারা প্রত্যেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

নির্বাচনি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি প্রার্থীকে জামানত রক্ষার জন্য অবশ্যই মোট বৈধ ভোটের ১২.৫ শতাংশ বা এক-অষ্টমাংশ ভোট পেতে হবে। এই হিসাব অনুযায়ী, এই আসনে জামানত নিশ্চিত রাখতে হলে প্রত্যেক প্রার্থীর ন্যূনতম ২৬ হাজার ৮৬৫ ভোট প্রয়োজন ছিল। তবে শামা ওবায়েদ ও আকরাম আলী ছাড়া বাকি চার প্রার্থীর এই শর্ত পূরণ করতে পারেননি। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ মো. জামাল উদ্দিন (২ হাজার ৩৬৮ ভোট), গণ অধিকার পরিষদের ফারুক ফকির (৬৭৫ ভোট), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আকরামুজ্জামান (৬১৭ ভোট), এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. নাজমুল হাসান (২৫৭ ভোট)।

তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ১৭৭টি কেন্দ্রের মধ্যে অনেকগুলোতে প্রার্থীরা শূন্য ভোট পেয়েছেন। মোট ভোট পড়েছিল ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৩১টি, যার মধ্যে ৩ হাজার ৯১৫ ভোট বাতিল হয়ে যায়। ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬টি। প্রতিটি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের সঙ্গে যোগ করলে দেখা যায়, তারা সম্মিলিতভাবে মাত্র ৩ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়েছেন, যা মোট বৈধ ভোটের মাত্র ২ শতাংশ। নির্বাচনি বিধিমালা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এই চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নবীন—প্রবীণের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করবে বিএনপি

ফরিদপুর-২ আসনে চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুর-২ আসনে (সালথা এবং নগরকান্দা) উপ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। তিনি মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে এই আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলের জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী শাহ মো. আকরাম আলী, যিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট। এই নির্বাচনে মোট ছয়জন প্রার্থী অংশ গ্রহণ করেন, যারা প্রত্যেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

নির্বাচনি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি প্রার্থীকে জামানত রক্ষার জন্য অবশ্যই মোট বৈধ ভোটের ১২.৫ শতাংশ বা এক-অষ্টমাংশ ভোট পেতে হবে। এই হিসাব অনুযায়ী, এই আসনে জামানত নিশ্চিত রাখতে হলে প্রত্যেক প্রার্থীর ন্যূনতম ২৬ হাজার ৮৬৫ ভোট প্রয়োজন ছিল। তবে শামা ওবায়েদ ও আকরাম আলী ছাড়া বাকি চার প্রার্থীর এই শর্ত পূরণ করতে পারেননি। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ মো. জামাল উদ্দিন (২ হাজার ৩৬৮ ভোট), গণ অধিকার পরিষদের ফারুক ফকির (৬৭৫ ভোট), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আকরামুজ্জামান (৬১৭ ভোট), এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. নাজমুল হাসান (২৫৭ ভোট)।

তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ১৭৭টি কেন্দ্রের মধ্যে অনেকগুলোতে প্রার্থীরা শূন্য ভোট পেয়েছেন। মোট ভোট পড়েছিল ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৩১টি, যার মধ্যে ৩ হাজার ৯১৫ ভোট বাতিল হয়ে যায়। ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬টি। প্রতিটি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের সঙ্গে যোগ করলে দেখা যায়, তারা সম্মিলিতভাবে মাত্র ৩ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়েছেন, যা মোট বৈধ ভোটের মাত্র ২ শতাংশ। নির্বাচনি বিধিমালা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এই চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।