১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে সহযোগী দেশে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয় যুক্তরাষ্ট্রের

ত্রয়োদশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে ইতিহাস তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে মার্কিন দল ডাচদের ৯৩ রানে পরাজিত করে—আইসিসির সহযোগী দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে রানের দিক থেকে এটি নতুন সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়।

টুর্নামেন্টে শুরুতে ভারতের ও পাকিস্তানের কাছে হারার পর ব্যাকফুটে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই জয় সুপার এইটে যাওয়ার আশা জাগিয়ে রাখা এক বড় সাফল্য। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে যুক্তরাষ্ট্র সংগ্রহ করে ১৯৬ রান। দলের বিপক্ষে সাইতেজা মুক্কামাল্লা ৫১ বল খেলতে গিয়ে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। আর শুভাম রঞ্জন কেবল ২৪ বলেই ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় অপরাজিত থেকে ৪৮ রানে দলকে বড় সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করেন। তাদের নির্দিষ্ট ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে ডাচ বোলাররা ধীরে ধীরে চাপে পড়ে গেলেন; ফ্রেড ক্লাসেন যদিও গতির বৈচিত্র্য নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন, তবু সেটি কার্যকর হয়নি।

১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দুর্বল দেখায় নেদারল্যান্ডস। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত ও ধারাবাহিক বোলিংয়ের সামনে ডাচ ব্যাটিং লাইন আপ দ্রুত ভেঙে পড়ে এবং ১৫ ওভার ৫ বলে মাত্র ১০৩ রানে তারা অলআউট হয়ে যায়। দলের মাত্র চার ব্যাটারই দুই অঙ্কের গণ্ডি ছাড়াতে সক্ষম হন; বাস ডি লিড সর্বোচ্চ ২৩ ও অধিনায়ক স্কট অ্যাডওয়ার্ডস করেন ২০ রান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হারমিত সিং মাত্র ৪ ওভারে ২১ রান খরচ করে চারটি উইকেট নেন এবং ম্যান অব দ্য ম্যাচ সম্মান পান—তাঁর বলিংই ডাচ ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়।

এই ৯৩ রানের জয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগী দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে নেপালের আগে করা ৮০ রানের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে; নেপাল ২০২৪ আসরে হংকংকে ৮০ রানে হারিয়ে সেটি করেছিল। সব দলকে মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রানের ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডটি এখনও শ্রীলঙ্কার কাছে রয়েছে, যারা কেনিয়াকে ১৭২ রানে হারিয়েছিল।

এই বড় জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কিছুটা মজবুত হয়েছে এবং পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। টানা দুই পরাজয়ের পর এমন রেকর্ডভাঙা জয় মার্কিন ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক হয়ে রইল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নবীন—প্রবীণের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করবে বিএনপি

নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে সহযোগী দেশে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয় যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিতঃ ০৩:২২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে ইতিহাস তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে মার্কিন দল ডাচদের ৯৩ রানে পরাজিত করে—আইসিসির সহযোগী দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে রানের দিক থেকে এটি নতুন সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়।

টুর্নামেন্টে শুরুতে ভারতের ও পাকিস্তানের কাছে হারার পর ব্যাকফুটে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই জয় সুপার এইটে যাওয়ার আশা জাগিয়ে রাখা এক বড় সাফল্য। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে যুক্তরাষ্ট্র সংগ্রহ করে ১৯৬ রান। দলের বিপক্ষে সাইতেজা মুক্কামাল্লা ৫১ বল খেলতে গিয়ে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। আর শুভাম রঞ্জন কেবল ২৪ বলেই ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় অপরাজিত থেকে ৪৮ রানে দলকে বড় সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করেন। তাদের নির্দিষ্ট ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে ডাচ বোলাররা ধীরে ধীরে চাপে পড়ে গেলেন; ফ্রেড ক্লাসেন যদিও গতির বৈচিত্র্য নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন, তবু সেটি কার্যকর হয়নি।

১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দুর্বল দেখায় নেদারল্যান্ডস। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত ও ধারাবাহিক বোলিংয়ের সামনে ডাচ ব্যাটিং লাইন আপ দ্রুত ভেঙে পড়ে এবং ১৫ ওভার ৫ বলে মাত্র ১০৩ রানে তারা অলআউট হয়ে যায়। দলের মাত্র চার ব্যাটারই দুই অঙ্কের গণ্ডি ছাড়াতে সক্ষম হন; বাস ডি লিড সর্বোচ্চ ২৩ ও অধিনায়ক স্কট অ্যাডওয়ার্ডস করেন ২০ রান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হারমিত সিং মাত্র ৪ ওভারে ২১ রান খরচ করে চারটি উইকেট নেন এবং ম্যান অব দ্য ম্যাচ সম্মান পান—তাঁর বলিংই ডাচ ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়।

এই ৯৩ রানের জয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগী দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে নেপালের আগে করা ৮০ রানের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে; নেপাল ২০২৪ আসরে হংকংকে ৮০ রানে হারিয়ে সেটি করেছিল। সব দলকে মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রানের ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডটি এখনও শ্রীলঙ্কার কাছে রয়েছে, যারা কেনিয়াকে ১৭২ রানে হারিয়েছিল।

এই বড় জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কিছুটা মজবুত হয়েছে এবং পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। টানা দুই পরাজয়ের পর এমন রেকর্ডভাঙা জয় মার্কিন ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক হয়ে রইল।