১০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে অর্থনীতি নাজুক নতুন সরকারের সামনে পাঁচটি জরুরি চ্যালেঞ্জ ড. ইউনূস লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করবে না সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা কারও চাঁদাবাজি করার সুযোগ নেই: সড়ক পরিবহণমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি শিক্ষাকে রাজনীতির বাইরেই রাখবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ড. ইউনূসসহ বিদায়ী উপদেষ্টারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট হস্তান্তর রমজানেই শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী ইমতিয়াজ সুলতান গ্রেপ্তার, বিদেশি পিস্তলসহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছেন পুলিশ তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম, সাথে রয়েছে দুটি বিদেশি পিস্তল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে নগরের বায়েজিদ লিংক রোডের আরেফিন নগর থেকে তাকে ও তার একটি সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের দাবি, ইকরাম চট্টগ্রামের যুবক সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদকে ধরতে পুলিশের সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করতেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। র‌্যাবের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, “অস্ত্রের খোঁজে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইকরামকে বায়েজিদ লিঙ্ক রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।” এই অভিযানে ইকরামের কাছ থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ম্যাগাজিন ও ৫৬ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাবের কর্মকর্তা আরও জানান, ইকরাম চট্টগ্রামের সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী ছিলেন। চট্টগ্রামে স্কুলছাত্রী তাসফিয়া হত্যা মামলার আসামী হওয়ার পর তিনি পালিয়ে ভারতে চলে যান। পরে দুবাই গিয়ে সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলার সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। সরোয়ার বাবলার পরে চলতি বছর নভেম্বর মাসে বায়েজিদ চালিতাতলীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।

র‌্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ইকরাম বিদেশে পালিয়ে থাকা তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ গ্রুপের সঙ্গে কাজ করতেন। মধ্যপ্রাচ্যে থাকাকালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। এমনকি, তিনি ‘রিচ কিডস’ নামে একটি কিশোর গ্যাংও পরিচালনা করতেন।

অতিরিক্তভাবে, ইকরামের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত গাড়ি চালক আবুল কামাল আজাদ (৬২) গ্রেপ্তার হয়েছেন। র‌্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, চাঁদার টাকা চালকই তুলে দিতেন।

গত বছরের মার্চ মাসে ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সিটিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ছোট সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে। ইকরাম ও তার স্ত্রী রুমা আক্তার স্মৃতি তখন সাজ্জাদের ধরতে পুলিশকে সহায়তা করেছিলেন। এর পর, ২০ মার্চ রুমা আক্তার মামলাটি করেন, যেখানে তিনি সাজ্জাদের ধরিয়ে দিতে সহায়তাকারীর জন্য হুমকি এবং বড় সাজ্জাদের থেকে চাঁদার দাবি সম্পর্কে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, সাজ্জাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের মধ্যে শারমিন আক্তার তামান্না, হাবিব খান, রায়হান, হেলাল, হাসান, আরমান, ইমন, বোরহান, রাজু, মোহাম্মদ এবং দিদারও রয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে অর্থনীতি নাজুক

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী ইমতিয়াজ সুলতান গ্রেপ্তার, বিদেশি পিস্তলসহ উদ্ধার

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছেন পুলিশ তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম, সাথে রয়েছে দুটি বিদেশি পিস্তল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে নগরের বায়েজিদ লিংক রোডের আরেফিন নগর থেকে তাকে ও তার একটি সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের দাবি, ইকরাম চট্টগ্রামের যুবক সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদকে ধরতে পুলিশের সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করতেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। র‌্যাবের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, “অস্ত্রের খোঁজে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইকরামকে বায়েজিদ লিঙ্ক রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।” এই অভিযানে ইকরামের কাছ থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ম্যাগাজিন ও ৫৬ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাবের কর্মকর্তা আরও জানান, ইকরাম চট্টগ্রামের সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী ছিলেন। চট্টগ্রামে স্কুলছাত্রী তাসফিয়া হত্যা মামলার আসামী হওয়ার পর তিনি পালিয়ে ভারতে চলে যান। পরে দুবাই গিয়ে সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলার সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। সরোয়ার বাবলার পরে চলতি বছর নভেম্বর মাসে বায়েজিদ চালিতাতলীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।

র‌্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ইকরাম বিদেশে পালিয়ে থাকা তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ গ্রুপের সঙ্গে কাজ করতেন। মধ্যপ্রাচ্যে থাকাকালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। এমনকি, তিনি ‘রিচ কিডস’ নামে একটি কিশোর গ্যাংও পরিচালনা করতেন।

অতিরিক্তভাবে, ইকরামের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত গাড়ি চালক আবুল কামাল আজাদ (৬২) গ্রেপ্তার হয়েছেন। র‌্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, চাঁদার টাকা চালকই তুলে দিতেন।

গত বছরের মার্চ মাসে ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সিটিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ছোট সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে। ইকরাম ও তার স্ত্রী রুমা আক্তার স্মৃতি তখন সাজ্জাদের ধরতে পুলিশকে সহায়তা করেছিলেন। এর পর, ২০ মার্চ রুমা আক্তার মামলাটি করেন, যেখানে তিনি সাজ্জাদের ধরিয়ে দিতে সহায়তাকারীর জন্য হুমকি এবং বড় সাজ্জাদের থেকে চাঁদার দাবি সম্পর্কে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, সাজ্জাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের মধ্যে শারমিন আক্তার তামান্না, হাবিব খান, রায়হান, হেলাল, হাসান, আরমান, ইমন, বোরহান, রাজু, মোহাম্মদ এবং দিদারও রয়েছেন।