১০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

ট্রাম্প প্রশাসন: ইস্পাত-অ্যালুমিনিয়ামে শুল্ক বহাল রেখে প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর পরিকল্পনা

মার্কিন প্রশাসন ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত বর্তমান শুল্ক বজায় রেখে তা প্রয়োগের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক জটিলতা সরিয়ে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ার পরিকল্পনা করছে। মঙ্গলবার সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, শুল্কের হার না কমিয়ে আমদানিকারক ও উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পদ্ধতিগত সহজীকরণ করার ওপর সরকার নজর দিচ্ছে।

গ্রিয়ার ব্যাখ্যা করেছেন যে, বর্তমানে শুল্ক সংক্রান্ত জটিল নিয়ম-কানুন মেনে চলার জন্য অনেক কোম্পানি অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করছে এবং অপারেশনাল সময় বেশি ব্যয় হচ্ছে। মার্কিন সরকার চায় না ব্যবসায়ীরা দাপ্তরিক কাজে এতটাই ব্যস্ত থাকুন যে তাদের মূল উৎপাদন ও বাণিজ্য কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। তাই শুল্ক প্রয়োগের পদ্ধতিকে সহজতর ও গতিশীল করে দপ্তরি ঝক্কি কমানো হচ্ছে—যাতে ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন।

বাণিজ্য প্রতিনিধির মতে, শুল্কনীতিই সামগ্রিকভাবে সফল হয়েছে—এর ফলে অভ্যন্তরীণ শিল্প পুনরুজ্জীবিত হয়েছে, অন্যান্য দেশও বাণিজ্যগত বিঘ্নকতা সরাতে বাধ্য হয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন রপ্তানি সক্ষমতা বাড়তে শুরু করেছে; মূল্যস্ফীতিও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই সফলতার প্রেক্ষিতে শুল্ক আলাদা করে তুলে না রেখে এর প্রশাসনিক অংশ সংশোধনের পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসন অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য, গত বছর চীনের অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা মোকাবিলা ও দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার বিদেশী ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। পরে ধাতু থেকে তৈরি বিভিন্ন ফিনিশড পণ্যেও শুল্কের পরিধি বাড়ানো হয়। এর ফলে আমদানিকৃত পণ্যের কাঁচামাল উৎস নির্ণয় ও অনুপাত হিসাব করা কঠিন ও ব্যয়সাধ্য হয়ে উঠেছে। ওয়াশিংটন এখন সেই জটিলতা দূর করে ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ ও কার্যকর প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিবর্তনগুলো ভাবছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রশাসনিক সহজীকরণ বাস্তবায়িত হলে আমদানির গতি ও দক্ষতা বাড়বে এবং উৎপাদন খাত আরও শক্তিশালী হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া

ট্রাম্প প্রশাসন: ইস্পাত-অ্যালুমিনিয়ামে শুল্ক বহাল রেখে প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর পরিকল্পনা

প্রকাশিতঃ ০৮:২৪:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রশাসন ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত বর্তমান শুল্ক বজায় রেখে তা প্রয়োগের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক জটিলতা সরিয়ে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ার পরিকল্পনা করছে। মঙ্গলবার সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, শুল্কের হার না কমিয়ে আমদানিকারক ও উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পদ্ধতিগত সহজীকরণ করার ওপর সরকার নজর দিচ্ছে।

গ্রিয়ার ব্যাখ্যা করেছেন যে, বর্তমানে শুল্ক সংক্রান্ত জটিল নিয়ম-কানুন মেনে চলার জন্য অনেক কোম্পানি অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করছে এবং অপারেশনাল সময় বেশি ব্যয় হচ্ছে। মার্কিন সরকার চায় না ব্যবসায়ীরা দাপ্তরিক কাজে এতটাই ব্যস্ত থাকুন যে তাদের মূল উৎপাদন ও বাণিজ্য কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। তাই শুল্ক প্রয়োগের পদ্ধতিকে সহজতর ও গতিশীল করে দপ্তরি ঝক্কি কমানো হচ্ছে—যাতে ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন।

বাণিজ্য প্রতিনিধির মতে, শুল্কনীতিই সামগ্রিকভাবে সফল হয়েছে—এর ফলে অভ্যন্তরীণ শিল্প পুনরুজ্জীবিত হয়েছে, অন্যান্য দেশও বাণিজ্যগত বিঘ্নকতা সরাতে বাধ্য হয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন রপ্তানি সক্ষমতা বাড়তে শুরু করেছে; মূল্যস্ফীতিও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই সফলতার প্রেক্ষিতে শুল্ক আলাদা করে তুলে না রেখে এর প্রশাসনিক অংশ সংশোধনের পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসন অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য, গত বছর চীনের অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা মোকাবিলা ও দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার বিদেশী ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। পরে ধাতু থেকে তৈরি বিভিন্ন ফিনিশড পণ্যেও শুল্কের পরিধি বাড়ানো হয়। এর ফলে আমদানিকৃত পণ্যের কাঁচামাল উৎস নির্ণয় ও অনুপাত হিসাব করা কঠিন ও ব্যয়সাধ্য হয়ে উঠেছে। ওয়াশিংটন এখন সেই জটিলতা দূর করে ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ ও কার্যকর প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিবর্তনগুলো ভাবছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রশাসনিক সহজীকরণ বাস্তবায়িত হলে আমদানির গতি ও দক্ষতা বাড়বে এবং উৎপাদন খাত আরও শক্তিশালী হবে।