০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

দুই সাবেক চ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে আলো ছড়ালেও সেমিফাইনালের আগে বিদায় জিম্বাবুয়ের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে নজিরবিহীন পারফরম্যান্সের পরও সেমিফাইনালের আগে বিদায় নিল জিম্বাবুয়ে। তারা ওমান ছাড়াও সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে বড় চমক দেখিয়েছিল, কিন্তু সুপার এইটে সেই দাপট ধরে রাখতে পারেনি সিকান্দার রাজা নেতৃত্বাধীন দল।

দিল্লির অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয় জিম্বাবুয়ে। টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা ৭ উইকেটে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে। দলের একমাত্র বড় ইনিংস খেলেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা—মাত্র ৪৩ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৩ রান করে দলকে লড়াকু প্রতিপত্তি দিলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।

১৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়ারা ধারাবাহিকভাবে উইকেট নিয়ে চাপ তৈরি করে। ডেওয়াল্ড ব্রেভিস মাত্র ১৮ বলেই ২ চার ও ৪ ছক্কার সাহায্যে ৪২ রান করে জয়ের রাস্তা সহজ করে দেন। দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৩ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় এবং ম্যাচ জিতে সুপার এইটে টানা তিনটি জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে।

জিম্বাবুয়ের জন্য এই বিশ্বকাপ যাত্রা ছিল মিশ্র অনুভূতির। গ্রুপপর্বে লড়াই করে তারা দর্শক-অনুভূতিকে চমকে দিয়েছিল—আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়ায় তারা সাত পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে উঠেছিল। শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধে আঘাত হানায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে নতুন আত্মবিশ্বাসের জন্ম হয়।

তবে বড় ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা না থাকায় শেষ মঙ্গল তাদের সঙ্গে ছিল না। দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচে রাজার ধারাবাহিক একাই লড়াই দলকে টিকে থাকতে সহায়তা করেছিল, কিন্তু অন্য ব্যাটসম্যানদের সমর্থন না হওয়ায় জয়ের স্বাদ পায়নি জিম্বাবুয়ে।

সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপ জিম্বাবুয়ের জন্য রোমাঞ্চ, আত্মবিশ্বাস ও কেন কিছুটা হতাশার সংমিশ্রণ হয়ে রইল। ভবিষ্যতে কাঁধে ভর করে উন্নতি করার আশাও জন্মালো—তবে টুর্নামেন্টের শেষ অধ্যায়টি তাদের জন্য তিক্ত সমাপ্তি ছাড়া আর কিছু ছিল না।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

দুই সাবেক চ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে আলো ছড়ালেও সেমিফাইনালের আগে বিদায় জিম্বাবুয়ের

প্রকাশিতঃ ১১:৩৭:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে নজিরবিহীন পারফরম্যান্সের পরও সেমিফাইনালের আগে বিদায় নিল জিম্বাবুয়ে। তারা ওমান ছাড়াও সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে বড় চমক দেখিয়েছিল, কিন্তু সুপার এইটে সেই দাপট ধরে রাখতে পারেনি সিকান্দার রাজা নেতৃত্বাধীন দল।

দিল্লির অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয় জিম্বাবুয়ে। টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা ৭ উইকেটে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে। দলের একমাত্র বড় ইনিংস খেলেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা—মাত্র ৪৩ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৩ রান করে দলকে লড়াকু প্রতিপত্তি দিলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।

১৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়ারা ধারাবাহিকভাবে উইকেট নিয়ে চাপ তৈরি করে। ডেওয়াল্ড ব্রেভিস মাত্র ১৮ বলেই ২ চার ও ৪ ছক্কার সাহায্যে ৪২ রান করে জয়ের রাস্তা সহজ করে দেন। দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৩ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় এবং ম্যাচ জিতে সুপার এইটে টানা তিনটি জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে।

জিম্বাবুয়ের জন্য এই বিশ্বকাপ যাত্রা ছিল মিশ্র অনুভূতির। গ্রুপপর্বে লড়াই করে তারা দর্শক-অনুভূতিকে চমকে দিয়েছিল—আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়ায় তারা সাত পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে উঠেছিল। শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধে আঘাত হানায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে নতুন আত্মবিশ্বাসের জন্ম হয়।

তবে বড় ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিকতা না থাকায় শেষ মঙ্গল তাদের সঙ্গে ছিল না। দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচে রাজার ধারাবাহিক একাই লড়াই দলকে টিকে থাকতে সহায়তা করেছিল, কিন্তু অন্য ব্যাটসম্যানদের সমর্থন না হওয়ায় জয়ের স্বাদ পায়নি জিম্বাবুয়ে।

সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপ জিম্বাবুয়ের জন্য রোমাঞ্চ, আত্মবিশ্বাস ও কেন কিছুটা হতাশার সংমিশ্রণ হয়ে রইল। ভবিষ্যতে কাঁধে ভর করে উন্নতি করার আশাও জন্মালো—তবে টুর্নামেন্টের শেষ অধ্যায়টি তাদের জন্য তিক্ত সমাপ্তি ছাড়া আর কিছু ছিল না।