০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

মার্চের প্রথম তিন দিনে দেশে এসেছে ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

চলতি মার্চে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রবাহে অসাধারণ গতি দেখা যাচ্ছে। মাসের কেবল প্রথম তিন দিনেই বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার — যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মার্চের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে এবারের অভিযান শুরুটা যথেষ্ট শক্তিশালী হয়েছে। এছাড়া চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স অর্জন হয়েছে ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২২.৬০ শতাংশ বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধানত প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রতি আগ্রহ বাড়া এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এ ধরনের দ্রুত বৃদ্ধির কারণ তৈরি হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসটিও রেমিট্যান্সের দিক থেকে সফল ছিল—ওই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার, কারণ রেকর্ড পরিমাণ এই প্রবাসী আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অর্থনীতিবিদরা আশা করছেন যদি এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা জারি থাকে, তাহলে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স আয় আগের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, রেমিট্যান্সের ইতিবাচক প্রবাহ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও প্রাসঙ্গিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া

মার্চের প্রথম তিন দিনে দেশে এসেছে ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

প্রকাশিতঃ ০৩:২৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

চলতি মার্চে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রবাহে অসাধারণ গতি দেখা যাচ্ছে। মাসের কেবল প্রথম তিন দিনেই বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার — যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মার্চের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে এবারের অভিযান শুরুটা যথেষ্ট শক্তিশালী হয়েছে। এছাড়া চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স অর্জন হয়েছে ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২২.৬০ শতাংশ বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধানত প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রতি আগ্রহ বাড়া এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এ ধরনের দ্রুত বৃদ্ধির কারণ তৈরি হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসটিও রেমিট্যান্সের দিক থেকে সফল ছিল—ওই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার, কারণ রেকর্ড পরিমাণ এই প্রবাসী আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অর্থনীতিবিদরা আশা করছেন যদি এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা জারি থাকে, তাহলে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স আয় আগের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, রেমিট্যান্সের ইতিবাচক প্রবাহ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও প্রাসঙ্গিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।